ঢাকা ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা নেপালে সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, ৯৩৩ শ্রমিক নিখোঁজ ঘরে বসেই মিলবে কোম্পানির নিবন্ধন, শতভাগ অনলাইন হচ্ছে আরজেএসসি প্রাথমিক বৃত্তির নতুন হার নির্ধারণ: ট্যালেন্টপুলে ৩০০ ও সাধারণে ২২৫ টাকা, কার্যকর ৩ বছর রেকর্ড ৪৭ দিনে অনার্সের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৬৫.১০% ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, ভর্তি রেকর্ড ১১৬৩ জন বড়লেখায় ৩৯ বছরের শিক্ষকতা জীবন শেষে অবসরে প্রধান শিক্ষক শিপ্রা রানী সেন আজমিরীগঞ্জে নজরুলবিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ভোটার ১৮ হাজার, রেমিট্যান্স ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ ধরমন্ডল: চিকিৎসা-বিদ্যুৎ-সড়কে চরম অবহেলা পবাকে টাইব্রেকারে হারিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপের ফাইনালে মোহনপুর

কোম্পানীগঞ্জে বিশেষ অভিযান: অস্ত্র-ইয়াবা-গাঁজাসহ আটক ৬

#
news image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশি তৎপরতা আবারও দৃশ্যমান হয়েছে। সাম্প্রতিক এক বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার এবং একাধিক আসামি গ্রেপ্তারের ঘটনা স্থানীয় জনমনে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
সোমবার (৪ মে ২০২৬) দিবাগত রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানার উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে চরএলাহী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামতলী বাজার সংলগ্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আলমগীরের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। রাত ১২টা ১৫ মিনিট থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নূরুল হাকিম এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বিমল কর্মকার।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন—আব্দুস শহীদ স্বপন (৫০), ওসমান গনি ওরফে সেলিম (৪৫), আলমগীর হোসেন ওরফে সানা উল্লাহ (৪৫) এবং মো. আজাদ হোসেন স্বপন (৪০)। তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, ১৬৭ পিস ইয়াবা এবং প্রায় ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও, একই রাতে পৃথক আরেকটি অভিযানে আরও দুইজনকে আটক করা হয়, যাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি, তবে পুলিশ জানিয়েছে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নূরুল হাকিম জানান, “সমাজ থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের নিয়মিত ও পরিকল্পিত অভিযান অপরাধ প্রবণতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিরও কোনো বিকল্প নেই।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এ দৃঢ় অবস্থান অব্যাহত থাকলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাকে একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :

০৪ মে, ২০২৬,  7:51 PM

news image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশি তৎপরতা আবারও দৃশ্যমান হয়েছে। সাম্প্রতিক এক বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার এবং একাধিক আসামি গ্রেপ্তারের ঘটনা স্থানীয় জনমনে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
সোমবার (৪ মে ২০২৬) দিবাগত রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানার উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে চরএলাহী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামতলী বাজার সংলগ্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আলমগীরের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। রাত ১২টা ১৫ মিনিট থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নূরুল হাকিম এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বিমল কর্মকার।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন—আব্দুস শহীদ স্বপন (৫০), ওসমান গনি ওরফে সেলিম (৪৫), আলমগীর হোসেন ওরফে সানা উল্লাহ (৪৫) এবং মো. আজাদ হোসেন স্বপন (৪০)। তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, ১৬৭ পিস ইয়াবা এবং প্রায় ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও, একই রাতে পৃথক আরেকটি অভিযানে আরও দুইজনকে আটক করা হয়, যাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি, তবে পুলিশ জানিয়েছে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নূরুল হাকিম জানান, “সমাজ থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের নিয়মিত ও পরিকল্পিত অভিযান অপরাধ প্রবণতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিরও কোনো বিকল্প নেই।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এ দৃঢ় অবস্থান অব্যাহত থাকলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাকে একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।