ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
সরিষাবাড়ীতে দা’র কোপে আঙুল বিচ্ছিন্ন কারীর থানায় আত্মসমর্পণ সরকারি জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ ও স্থানীয়দের জমি বিক্রির চাপ রাজশাহীতে করিডোর নাইট ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ বড়লেখায় পুকুরে ডুবে মারা গেল দুই বছরের শিশু ফরিদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজমিস্ত্রীকে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন, ভাইও জখম বিদেশে পাঠানোর নামে জমি-টাকা আত্মসাৎ, প্রতিবাদ করায় মায়ের ওপর ছেলের বর্বরোচিত হামলা গাজীপুর সদর দলিল লেখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির নির্বাচনে সহ সভাপতি পদে শফিকুল ইসলাম শুকুর এগিয়ে পুলিশের জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

ফরিদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজমিস্ত্রীকে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন, ভাইও জখম

#
news image

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পূর্ব শত্রুতা ও মামলার সাক্ষ্য না দেওয়ার জেরে হায়দার মুন্সি (৩৫) নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ। এ সময় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়েছেন ছোট ভাই সুজন মুন্সি (২৬)।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফাজিলখাঁর ডাঙ্গী গ্রামে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা ওই গ্রামের মৃত ধলা মুন্সির ছেলে। গুরুতর আহত হায়দার মুন্সি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী।
আহতদের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের ইসলাম মন্ডলের ছেলে কালাম মন্ডলের সঙ্গে হায়দার মুন্সির দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় কালামের পক্ষে সাক্ষ্য না দেওয়ায় তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিল কালাম ও তাঁর সহযোগীরা। শনিবার সন্ধ্যায় পরিকল্পিতভাবে হায়দারকে ডেকে নিয়ে কালামের নেতৃত্বে ৫-৬ জন সন্ত্রাসী চাপাতি ও রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় দুই ভাইকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের ট্রমা বিভাগের চিকিৎসক জানান, হায়দার মুন্সির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাঁর দুই হাত ও একটি পায়ে গুরুতর জখম রয়েছে, যা বিচ্ছিন্নপ্রায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত সুজন মুন্সি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা হায়দারকে একটি বাড়ি থেকে টেনে বের করে নৃশংসভাবে কুপিয়েছে। তিনি বলেন, "কালাম এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমার ভাই তাঁর অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলায় এবং মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।"
হাসপাতালে আহতদের মা নিলু খাতুন আহাজারি করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসির দাবি জানান।
চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরেই এই নৃশংসতা ঘটেছে। তিনি বলেন, ঘটনায় আহতদের মা নিলু খাতুন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং-১৫, তারিখ: ২৫/০৪/২০২৬)। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে। অপরাধের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

লিয়াকত আলী, চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

২৬ এপ্রিল, ২০২৬,  7:02 PM

news image

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পূর্ব শত্রুতা ও মামলার সাক্ষ্য না দেওয়ার জেরে হায়দার মুন্সি (৩৫) নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ। এ সময় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়েছেন ছোট ভাই সুজন মুন্সি (২৬)।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফাজিলখাঁর ডাঙ্গী গ্রামে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা ওই গ্রামের মৃত ধলা মুন্সির ছেলে। গুরুতর আহত হায়দার মুন্সি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী।
আহতদের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের ইসলাম মন্ডলের ছেলে কালাম মন্ডলের সঙ্গে হায়দার মুন্সির দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় কালামের পক্ষে সাক্ষ্য না দেওয়ায় তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিল কালাম ও তাঁর সহযোগীরা। শনিবার সন্ধ্যায় পরিকল্পিতভাবে হায়দারকে ডেকে নিয়ে কালামের নেতৃত্বে ৫-৬ জন সন্ত্রাসী চাপাতি ও রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় দুই ভাইকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের ট্রমা বিভাগের চিকিৎসক জানান, হায়দার মুন্সির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাঁর দুই হাত ও একটি পায়ে গুরুতর জখম রয়েছে, যা বিচ্ছিন্নপ্রায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত সুজন মুন্সি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা হায়দারকে একটি বাড়ি থেকে টেনে বের করে নৃশংসভাবে কুপিয়েছে। তিনি বলেন, "কালাম এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমার ভাই তাঁর অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলায় এবং মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।"
হাসপাতালে আহতদের মা নিলু খাতুন আহাজারি করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসির দাবি জানান।
চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরেই এই নৃশংসতা ঘটেছে। তিনি বলেন, ঘটনায় আহতদের মা নিলু খাতুন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং-১৫, তারিখ: ২৫/০৪/২০২৬)। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে। অপরাধের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।