রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত
মাজনুন মাসুদ :
১৪ এপ্রিল, ২০২৬, 7:31 PM
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত
বাঙালি জাতির গৌরব ও অহংকারের প্রতীক বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করেছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড। মঙ্গলবার (০১ বৈশাখ) সকাল ০৮:০০ টায় শিক্ষা বোর্ড চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ বের করার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে সকাল ০৯:৪৫ মিনিটে বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আড়ম্বরপূর্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেন, “বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির গর্ব এবং একটি ঐতিহাসিক তাৎপর্যময় অধ্যায়। এটি একটি সার্বজনীন উৎসব, তাই বাঙালি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য পহেলা বৈশাখ পালন অত্যন্ত জরুরি।”
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর আ. ন. ম. মোফাখখারুল ইসলাম সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বাংলা নববর্ষের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে সকলকে মিলেমিশে সুষ্ঠুভাবে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন, জনাব মো. ওয়ালিদ হোসেন, উপ-সচিব (প্রশাসন), জনাব লিটন সরকার, উপ-কলেজ পরিদর্শক, জনাব মোহা. দুরুল হোদা, উপ-সচিব (ভাণ্ডার), জনাব মো. ফরিদ হাসান, উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক এছাড়াও তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জনাব সুলতানা শামীমা আক্তার নিজের লেখা কবিতা পাঠ করেন।
পুরো অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত উপস্থাপনার মাধ্যমে আকর্ষণীয় করে তোলেন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (সনদ ও রেকর্ডস) জনাব মো. মুঞ্জুর রহমান খান।
বোর্ডের সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়, যা বাঙালির চিরায়ত লোকজ সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলে।
মাজনুন মাসুদ :
১৪ এপ্রিল, ২০২৬, 7:31 PM
বাঙালি জাতির গৌরব ও অহংকারের প্রতীক বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করেছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড। মঙ্গলবার (০১ বৈশাখ) সকাল ০৮:০০ টায় শিক্ষা বোর্ড চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ বের করার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে সকাল ০৯:৪৫ মিনিটে বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আড়ম্বরপূর্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেন, “বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির গর্ব এবং একটি ঐতিহাসিক তাৎপর্যময় অধ্যায়। এটি একটি সার্বজনীন উৎসব, তাই বাঙালি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য পহেলা বৈশাখ পালন অত্যন্ত জরুরি।”
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর আ. ন. ম. মোফাখখারুল ইসলাম সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বাংলা নববর্ষের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে সকলকে মিলেমিশে সুষ্ঠুভাবে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন, জনাব মো. ওয়ালিদ হোসেন, উপ-সচিব (প্রশাসন), জনাব লিটন সরকার, উপ-কলেজ পরিদর্শক, জনাব মোহা. দুরুল হোদা, উপ-সচিব (ভাণ্ডার), জনাব মো. ফরিদ হাসান, উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক এছাড়াও তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জনাব সুলতানা শামীমা আক্তার নিজের লেখা কবিতা পাঠ করেন।
পুরো অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত উপস্থাপনার মাধ্যমে আকর্ষণীয় করে তোলেন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (সনদ ও রেকর্ডস) জনাব মো. মুঞ্জুর রহমান খান।
বোর্ডের সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়, যা বাঙালির চিরায়ত লোকজ সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলে।