আ.লীগ নেতা আলম হোসেন এখন গাছা থানার বিএনপির বড় নেতা
গাছা (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
১২ এপ্রিল, ২০২৬, 7:26 PM
আ.লীগ নেতা আলম হোসেন এখন গাছা থানার বিএনপির বড় নেতা
আলম হোসেন ছিলেন মহানগরের ৩২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিস্বস্ত সহকর্মী।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে রয়েছে ২৮ অক্টোবর বিএনপির ডাকে ঢাকার জনসভায় যাওয়া নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও বিচারপতির বাসভবনের প্রধান ফটক ভাঙচুরের অভিযোগ। তিনি ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই উত্তরার হাউজ বিল্ডিং এলাকায় সহিংসতার সময় ছিলেন জাহাঙ্গীর আলমের সফরসঙ্গী। আলোচিত এই ব্যক্তির নাম হাজী আলম হোসেন মন্ডল। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে সমালোচনার ঝড়। অভিযোগ উঠেছে, জাহাঙ্গীর আলমের অন্যতম সহযোগী জুলাই আন্দোলনে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি হাজী আলম হোসেন মন্ডল এখন গাছা থানার বিএনপির বড় নেতা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরের গাছা থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা যখন জীবন-মরণ বাজি রেখে সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে ছিলেন রাজপথে, তখন আওয়ামী লীগ নেতা হাজী আলম হোসেন মন্ডল ব্যস্ত ছিলেন আন্দোলনকে দমাতে। এখন তিনি বিএনপিতে যোগদান করে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাথায় ছড়ি ঘুরাচ্ছেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় সরকার হটাও আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হতাহতের ঘটনাও ঘটে।
তখন গাজীপুরে সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটে গাছা থানার বিভিন্ন এলাকায়। আর এসব সহিংসতায় যারা রসত জুগিয়েছিল এখন তাদের বিএনপিতে ছড়ি ঘুরানোর ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না তৃণমূলের কর্মীরা।
গাছা থানার ৩২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তুহীন গাজী, স্থানীয় যুবদল নেতা নাঈম হোসেনসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপিতে যোগদেন আলম হোসেন মন্ডল।
তারা আরও জানান, যেখানে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ সংশোধন করে কোনো সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পাশাপাশি তাদের ‘যাবতীয় কার্যক্রম’ নিষিদ্ধ করার স্পষ্ট বিধান রেখে ‘সন্ত্রাস বিরোধী সংশোধন বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সেখানে কি করে আওয়ামীলীগের সুবিধাভোগী হাজী আলম হোসেন মন্ডলকে বিএনপিতে পুনর্বাসন করে।
তারা বলেন, আমরা যখন সরকার পতনের আন্দোলনে ছিলাম রাজপথে তখন ওই আন্দোলন দমাতে ব্যস্ত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা হাজী আলম হোসেন। সেই তিনিই এখন কিছু দিন যেতে না যেতেই হয়েছেন বিএনপির বড় নেতা। তিনি বিএনপি নেতাদের ছবি টাঙিয়ে অফিস খুলেছেন। এতে বিএনপি নেতারা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। এ নিয়ে গাজীপুর মহানগরের রাজনৈতিক অঙ্গণে ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।
গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন জানান, আলম হোসেন মন্ডল আগে বিএনপিতে ছিলেন; পরে কিছু দিন তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘুরেছেন। এখন আবার বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তার বিষয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু তিনি জানেন না বলে জানান। তবে এ বিষয়ে হাজী আলম হোসেন মন্ডলের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার পর তাকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
গাছা (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
১২ এপ্রিল, ২০২৬, 7:26 PM
আলম হোসেন ছিলেন মহানগরের ৩২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিস্বস্ত সহকর্মী।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে রয়েছে ২৮ অক্টোবর বিএনপির ডাকে ঢাকার জনসভায় যাওয়া নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও বিচারপতির বাসভবনের প্রধান ফটক ভাঙচুরের অভিযোগ। তিনি ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই উত্তরার হাউজ বিল্ডিং এলাকায় সহিংসতার সময় ছিলেন জাহাঙ্গীর আলমের সফরসঙ্গী। আলোচিত এই ব্যক্তির নাম হাজী আলম হোসেন মন্ডল। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে সমালোচনার ঝড়। অভিযোগ উঠেছে, জাহাঙ্গীর আলমের অন্যতম সহযোগী জুলাই আন্দোলনে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি হাজী আলম হোসেন মন্ডল এখন গাছা থানার বিএনপির বড় নেতা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরের গাছা থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা যখন জীবন-মরণ বাজি রেখে সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে ছিলেন রাজপথে, তখন আওয়ামী লীগ নেতা হাজী আলম হোসেন মন্ডল ব্যস্ত ছিলেন আন্দোলনকে দমাতে। এখন তিনি বিএনপিতে যোগদান করে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাথায় ছড়ি ঘুরাচ্ছেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় সরকার হটাও আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হতাহতের ঘটনাও ঘটে।
তখন গাজীপুরে সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটে গাছা থানার বিভিন্ন এলাকায়। আর এসব সহিংসতায় যারা রসত জুগিয়েছিল এখন তাদের বিএনপিতে ছড়ি ঘুরানোর ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না তৃণমূলের কর্মীরা।
গাছা থানার ৩২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তুহীন গাজী, স্থানীয় যুবদল নেতা নাঈম হোসেনসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপিতে যোগদেন আলম হোসেন মন্ডল।
তারা আরও জানান, যেখানে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ সংশোধন করে কোনো সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পাশাপাশি তাদের ‘যাবতীয় কার্যক্রম’ নিষিদ্ধ করার স্পষ্ট বিধান রেখে ‘সন্ত্রাস বিরোধী সংশোধন বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সেখানে কি করে আওয়ামীলীগের সুবিধাভোগী হাজী আলম হোসেন মন্ডলকে বিএনপিতে পুনর্বাসন করে।
তারা বলেন, আমরা যখন সরকার পতনের আন্দোলনে ছিলাম রাজপথে তখন ওই আন্দোলন দমাতে ব্যস্ত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা হাজী আলম হোসেন। সেই তিনিই এখন কিছু দিন যেতে না যেতেই হয়েছেন বিএনপির বড় নেতা। তিনি বিএনপি নেতাদের ছবি টাঙিয়ে অফিস খুলেছেন। এতে বিএনপি নেতারা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। এ নিয়ে গাজীপুর মহানগরের রাজনৈতিক অঙ্গণে ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।
গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন জানান, আলম হোসেন মন্ডল আগে বিএনপিতে ছিলেন; পরে কিছু দিন তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘুরেছেন। এখন আবার বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তার বিষয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু তিনি জানেন না বলে জানান। তবে এ বিষয়ে হাজী আলম হোসেন মন্ডলের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার পর তাকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।