ঢাকা ০৮ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় নিসচা'র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মুন্সিগঞ্জে কবরস্থানে হাড়-মাটি ও প্রজাপতি গাছের শিকড় আনতে গিয়ে খুন হন কবিরাজ রেখা রানী সরকার সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে রণক্ষেত্র: গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ, মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ দৈনিক আমাদের সংবাদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান পিরোজপুর সদর উপজেলার চুঙ্গাপাশা বাজার মসজিদ উদ্ভোধন টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩০হাজার পিচ ইয়াবা জব্দ  বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে মাদক কারবারিদের গুলিতে কৃষকের স্ত্রী আহত: এলাকায় উত্তেজনা

মুন্সিগঞ্জে কবরস্থানে হাড়-মাটি ও প্রজাপতি গাছের শিকড় আনতে গিয়ে খুন হন কবিরাজ রেখা রানী

#
news image

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে কবিরাজ রেখা রানী রায় (৬৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। কবরস্থান থেকে হাড় ও মাটি সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি হত্যার শিকার হন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মীর হোসেন (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পিবিআই জানায়, গত সোমবার (২ মার্চ) মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের বারিগাঁও এলাকা থেকে প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর বিকেলে সিরাজদিখান উপজেলার চাইনপাড়া এলাকার একটি পারিবারিক কবরস্থানের জঙ্গল পরিষ্কার করতে কাঁচি নিয়ে সেখানে যান মীর হোসেন। মাগরিবের নামাজের প্রায় ১০ মিনিট আগে রেখা রানী রায় ওই কবরস্থানে প্রবেশের চেষ্টা করেন। সে সময় মীর হোসেন তাকে কবরস্থানে ঢুকতে নিষেধ করেন। তবে তিনি বাধা উপেক্ষা করে ভেতরে ঢুকে পুরোনো ও ভাঙা কবর থেকে মানুষের হাড়, মাটি ও প্রজাপতি গাছের শিকড় সংগ্রহের চেষ্টা করলে দুজনের মধ্যে কথা–কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মীর হোসেন রেখা রানীর পরা শাড়ির আঁচল দিয়ে তার গলায় প্যাঁচ দিয়ে ধরেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে শ্বাস-প্রশ্বাস না থাকায় তিনি মারা গেছেন বুঝতে পেরে মীর হোসেন হতভম্ব হয়ে পড়েন।
পরে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে নিজের কোমরে থাকা গামছা ছিঁড়ে রেখা রানীর হাত-পা বেঁধে পাশের আবুল হোসেনের আলুর গোলার পেছনে ধানক্ষেতের পানিতে ফেলে রেখে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পরদিন ১৬ অক্টোবর সিরাজদিখান উপজেলার চাইনপাড়া এলাকার আবুল তালুকদারের ধানক্ষেত থেকে রেখা রানীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পিবিআই জানায়, দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে মীর হোসেনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন মুন্সিগঞ্জ পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহান।
তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার মীর হোসেন আদালতে হাজির হয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।

আবুল কাশেম, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি :

০৭ মার্চ, ২০২৬,  5:55 PM

news image

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে কবিরাজ রেখা রানী রায় (৬৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। কবরস্থান থেকে হাড় ও মাটি সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি হত্যার শিকার হন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মীর হোসেন (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পিবিআই জানায়, গত সোমবার (২ মার্চ) মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের বারিগাঁও এলাকা থেকে প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর বিকেলে সিরাজদিখান উপজেলার চাইনপাড়া এলাকার একটি পারিবারিক কবরস্থানের জঙ্গল পরিষ্কার করতে কাঁচি নিয়ে সেখানে যান মীর হোসেন। মাগরিবের নামাজের প্রায় ১০ মিনিট আগে রেখা রানী রায় ওই কবরস্থানে প্রবেশের চেষ্টা করেন। সে সময় মীর হোসেন তাকে কবরস্থানে ঢুকতে নিষেধ করেন। তবে তিনি বাধা উপেক্ষা করে ভেতরে ঢুকে পুরোনো ও ভাঙা কবর থেকে মানুষের হাড়, মাটি ও প্রজাপতি গাছের শিকড় সংগ্রহের চেষ্টা করলে দুজনের মধ্যে কথা–কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মীর হোসেন রেখা রানীর পরা শাড়ির আঁচল দিয়ে তার গলায় প্যাঁচ দিয়ে ধরেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে শ্বাস-প্রশ্বাস না থাকায় তিনি মারা গেছেন বুঝতে পেরে মীর হোসেন হতভম্ব হয়ে পড়েন।
পরে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে নিজের কোমরে থাকা গামছা ছিঁড়ে রেখা রানীর হাত-পা বেঁধে পাশের আবুল হোসেনের আলুর গোলার পেছনে ধানক্ষেতের পানিতে ফেলে রেখে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পরদিন ১৬ অক্টোবর সিরাজদিখান উপজেলার চাইনপাড়া এলাকার আবুল তালুকদারের ধানক্ষেত থেকে রেখা রানীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পিবিআই জানায়, দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে মীর হোসেনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন মুন্সিগঞ্জ পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহান।
তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার মীর হোসেন আদালতে হাজির হয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।