নেত্রকোনায় ঝুলন্ত অবস্থায় ৯ বছরের শিশু উদ্বার
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
০৭ মার্চ, ২০২৬, 5:01 AM
নেত্রকোনায় ঝুলন্ত অবস্থায় ৯ বছরের শিশু উদ্বার
নেত্রকোনার বারহাট্টায় খালি ঘরে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় নয় বছরের শিশু উদ্ধার। পরিবারের সন্দেহ ধর্ষণের পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিক্রমশ্রী গ্রামে (৬ মার্চ) শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। শিশুটির মা মাঠ থেকে ছাগল নিয়ে এসে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে দ্রুত উদ্বার করে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার শিশুটিকে ইসিজির পর মৃত ঘোষণা করে। শিশুটি বিক্রমশ্রী গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের মেয়ে।
শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, শিশুটি দুপুর ২ টার দিকে ঘরে একা ভাত খাচ্ছিল। তখন তার মা চিনি আক্তার মাঠে ছাগল আনতে যায়। ছাগল নিয়ে বাড়িতে ফিরে এসে দেখে শিশুটি তাদের ঘরের ধর্নায় সাথে ওড়না দিয়ে ঝোলানো অবস্থায় আছে। তখন শিশুটির মা দ্রুত শিশুটিকে ঝোলানো অবস্থা থেকে নামিয়ে মাথায় পানি দেয়। কিন্তু অবস্থায় কোন পরিবর্তন না হওয়ায় বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে।
শিশুটির মা চিনি আক্তার জানান, আমার মেয়ে বাড়িতে ভাত খাচ্ছিল। তখন ঘরে কেউ ছিল না। কিছুক্ষণের মধ্যেই কি হয়ে গেল। আমি যখন আমার মেয়রকে ধর্না থেকে নামাই তখন তার পাইজামা খোলা ছিল। আমার ছোট্ট শিশুটার সাথে যে এই কাজ করেছে আমি এই ঘটনার কঠিন বিচার চাই।
বারহাট্টা থানার এস.আই কাদির আলী বলেন, ঘটনাটি শোনার পর পরই বারহাট্টা থানা পুলিশ বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আসে। প্রাথমিক আলামতে শিশুটিকে ধর্নায় ঝোলানোর আগে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে এবং সেই অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
০৭ মার্চ, ২০২৬, 5:01 AM
নেত্রকোনার বারহাট্টায় খালি ঘরে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় নয় বছরের শিশু উদ্ধার। পরিবারের সন্দেহ ধর্ষণের পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিক্রমশ্রী গ্রামে (৬ মার্চ) শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। শিশুটির মা মাঠ থেকে ছাগল নিয়ে এসে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে দ্রুত উদ্বার করে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার শিশুটিকে ইসিজির পর মৃত ঘোষণা করে। শিশুটি বিক্রমশ্রী গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের মেয়ে।
শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, শিশুটি দুপুর ২ টার দিকে ঘরে একা ভাত খাচ্ছিল। তখন তার মা চিনি আক্তার মাঠে ছাগল আনতে যায়। ছাগল নিয়ে বাড়িতে ফিরে এসে দেখে শিশুটি তাদের ঘরের ধর্নায় সাথে ওড়না দিয়ে ঝোলানো অবস্থায় আছে। তখন শিশুটির মা দ্রুত শিশুটিকে ঝোলানো অবস্থা থেকে নামিয়ে মাথায় পানি দেয়। কিন্তু অবস্থায় কোন পরিবর্তন না হওয়ায় বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে।
শিশুটির মা চিনি আক্তার জানান, আমার মেয়ে বাড়িতে ভাত খাচ্ছিল। তখন ঘরে কেউ ছিল না। কিছুক্ষণের মধ্যেই কি হয়ে গেল। আমি যখন আমার মেয়রকে ধর্না থেকে নামাই তখন তার পাইজামা খোলা ছিল। আমার ছোট্ট শিশুটার সাথে যে এই কাজ করেছে আমি এই ঘটনার কঠিন বিচার চাই।
বারহাট্টা থানার এস.আই কাদির আলী বলেন, ঘটনাটি শোনার পর পরই বারহাট্টা থানা পুলিশ বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আসে। প্রাথমিক আলামতে শিশুটিকে ধর্নায় ঝোলানোর আগে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে এবং সেই অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।