ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

বড়লেখা-জুড়ি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে

#
news image

মৌলভীবাজার -১ (বড়লেখা-জুড়ি) সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে ভোটের মাঠে মোট পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও বাস্তব লড়াই সীমাবদ্ধ হয়ে এসেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মধ্যে। 

এ আসনে প্রার্থীরা হলেন, বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দীন আহমদ মিঠু, জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, আল ইসলার স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদ,জাতীয় পার্টির প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ এবং গণফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. শরিফুল ইসলামই।

সব প্রার্থী প্রচার প্রচারণা করলেও মাঠপর্যায়ের প্রচারণা, দলীয় সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোটারদের মনোভাব বিশ্লেষণে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দীন আহমদ মিঠু ও জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম।

স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে শেষ পর্যন্ত এই দুই প্রার্থীর মধ্যেই নির্ধারিত হবে আসনের ভাগ্য।এখানে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের প্রভাব তুলনামূলক বেশি। ফলে এই আসনে ভোটাররা সাধারণত প্রার্থীর ব্যক্তিগত পরিচিতি, গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক শক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এ কারণেই প্রতিটি দল এই আসন ঘিরে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাছির উদ্দীন মিঠু দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তিনি মাঠে নেমে ধারাবাহিক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও নেতাকর্মীদের নিয়ে সমন্বিত প্রচারণা চালাচ্ছেন।

বিভিন্ন সূত্র বলছে, এই আসনে বিএনপির একটি স্থায়ী ভোটব্যাংক রয়েছে, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয়তা। এসব কারণে বিএনপি শিবিরে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামের সংগঠিত অবস্থান ও তিনি দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই আসনে কাজ করে যাওয়ায় তারও জনপ্রিয়তা রয়েছে।

জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তি ও শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রচারণা এই আসনে তাদের বড় ভরসা। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের দিন যদি সংগঠিতভাবে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে জামায়াত প্রার্থী শক্ত অবস্থানে যেতে পারেন।

সূত্র মতে, ভোটের সমীকরণ মূলত বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই আবর্তিত হচ্ছে। অন্য প্রার্থীরা ফলাফলে বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। শেষ মুহূর্তের ভোটার উপস্থিতি ও সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে চূড়ান্ত ফল। 

এদিকে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগ্যতা, সততা ও এলাকার জন্য কাজ করার সক্ষমতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলোও আলোচনায় রয়েছে।

একাধিক ভোটার জানান, এবারের নির্বাচনে তারা পরিচিত ও কাছের মানুষকে গুরুত্ব দিতে চান। সব মিলিয়ে মৌলভীবাজার -১ আসনের নির্বাচন ক্রমেই দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিণত হয়েছে। বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দীন আহমদ মিঠু ও জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামের মধ্যকার লড়াই যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে ভোটারদের রায় যাবে—তা নির্ধারিত হবে ভোটের দিন।অপর দিগে নির্বিঘ্নে ভোট করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  8:26 PM

news image

মৌলভীবাজার -১ (বড়লেখা-জুড়ি) সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে ভোটের মাঠে মোট পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও বাস্তব লড়াই সীমাবদ্ধ হয়ে এসেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মধ্যে। 

এ আসনে প্রার্থীরা হলেন, বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দীন আহমদ মিঠু, জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, আল ইসলার স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদ,জাতীয় পার্টির প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ এবং গণফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. শরিফুল ইসলামই।

সব প্রার্থী প্রচার প্রচারণা করলেও মাঠপর্যায়ের প্রচারণা, দলীয় সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোটারদের মনোভাব বিশ্লেষণে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দীন আহমদ মিঠু ও জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম।

স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে শেষ পর্যন্ত এই দুই প্রার্থীর মধ্যেই নির্ধারিত হবে আসনের ভাগ্য।এখানে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের প্রভাব তুলনামূলক বেশি। ফলে এই আসনে ভোটাররা সাধারণত প্রার্থীর ব্যক্তিগত পরিচিতি, গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক শক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এ কারণেই প্রতিটি দল এই আসন ঘিরে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাছির উদ্দীন মিঠু দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তিনি মাঠে নেমে ধারাবাহিক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও নেতাকর্মীদের নিয়ে সমন্বিত প্রচারণা চালাচ্ছেন।

বিভিন্ন সূত্র বলছে, এই আসনে বিএনপির একটি স্থায়ী ভোটব্যাংক রয়েছে, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয়তা। এসব কারণে বিএনপি শিবিরে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামের সংগঠিত অবস্থান ও তিনি দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই আসনে কাজ করে যাওয়ায় তারও জনপ্রিয়তা রয়েছে।

জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তি ও শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রচারণা এই আসনে তাদের বড় ভরসা। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের দিন যদি সংগঠিতভাবে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে জামায়াত প্রার্থী শক্ত অবস্থানে যেতে পারেন।

সূত্র মতে, ভোটের সমীকরণ মূলত বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই আবর্তিত হচ্ছে। অন্য প্রার্থীরা ফলাফলে বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। শেষ মুহূর্তের ভোটার উপস্থিতি ও সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে চূড়ান্ত ফল। 

এদিকে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগ্যতা, সততা ও এলাকার জন্য কাজ করার সক্ষমতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলোও আলোচনায় রয়েছে।

একাধিক ভোটার জানান, এবারের নির্বাচনে তারা পরিচিত ও কাছের মানুষকে গুরুত্ব দিতে চান। সব মিলিয়ে মৌলভীবাজার -১ আসনের নির্বাচন ক্রমেই দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিণত হয়েছে। বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দীন আহমদ মিঠু ও জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামের মধ্যকার লড়াই যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে ভোটারদের রায় যাবে—তা নির্ধারিত হবে ভোটের দিন।অপর দিগে নির্বিঘ্নে ভোট করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।