৫ বছরের শিশু রাইয়ানকে অপহরণের পর হত্যা: পিরোজপুরে ঘাতক চাচাতো ভাইসহ গ্রেফতার ৪
মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, 11:46 PM
৫ বছরের শিশু রাইয়ানকে অপহরণের পর হত্যা: পিরোজপুরে ঘাতক চাচাতো ভাইসহ গ্রেফতার ৪
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ৫ বছরের শিশু রাইয়ান মল্লিকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের চাচাতো ভাইসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি ভাণ্ডারিয়া উপজেলার উত্তর আতরখালী গ্রামের মো. রাসেল মল্লিকের ছেলে রাইয়ান মল্লিক নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা সাইয়েদা তন্বী ওই দিনই ভাণ্ডারিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অপহরণ মামলা রুজু করে।
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি মো. আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তদন্তে নামে। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে স্থানীয় মসজিদের বারান্দায় একটি রহস্যময় চিরকুট পাওয়া যায়। আধুনিক তদন্ত কৌশল ব্যবহার করে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, চিরকুটটি নিখোঁজ রাইয়ানের আপন চাচাতো ভাই মো. রিয়াদ মল্লিকের (১৯) হাতে লেখা।
আটক হওয়ার পর রিয়াদ মল্লিক পুলিশের কাছে স্বীকার করেন যে, প্রতিবেশী মো. সাইদুল ইসলামের প্ররোচনায় ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি এই কাজ করেছেন। সাইদুলের নির্দেশেই তিনি মসজিদের বারান্দায় চিরকুটটি রেখে আসেন। পরবর্তীতে রিয়াদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তার বসতঘরের সামনের গোয়াল ঘরে তল্লাশি চালায়। সেখানে খড়কুটার ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু রাইয়ানের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. রিয়াদ মল্লিক (১৯) - প্রধান অভিযুক্ত মো. মিজান মল্লিক (৪২) - রিয়াদের বাবা মোসা. পারভীন বেগম (৩৫) - রিয়াদের মা, মো. সাইদুল ইসলাম (৩৬) - পরিকল্পনাকারী ।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনে পিরোজপুর জেলা পুলিশ সুপার জানায়, অপহরণকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল মুক্তিপণ বা অন্য কোনো আক্রোশ মেটানো। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, 11:46 PM
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ৫ বছরের শিশু রাইয়ান মল্লিকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের চাচাতো ভাইসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি ভাণ্ডারিয়া উপজেলার উত্তর আতরখালী গ্রামের মো. রাসেল মল্লিকের ছেলে রাইয়ান মল্লিক নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা সাইয়েদা তন্বী ওই দিনই ভাণ্ডারিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অপহরণ মামলা রুজু করে।
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি মো. আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তদন্তে নামে। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে স্থানীয় মসজিদের বারান্দায় একটি রহস্যময় চিরকুট পাওয়া যায়। আধুনিক তদন্ত কৌশল ব্যবহার করে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, চিরকুটটি নিখোঁজ রাইয়ানের আপন চাচাতো ভাই মো. রিয়াদ মল্লিকের (১৯) হাতে লেখা।
আটক হওয়ার পর রিয়াদ মল্লিক পুলিশের কাছে স্বীকার করেন যে, প্রতিবেশী মো. সাইদুল ইসলামের প্ররোচনায় ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি এই কাজ করেছেন। সাইদুলের নির্দেশেই তিনি মসজিদের বারান্দায় চিরকুটটি রেখে আসেন। পরবর্তীতে রিয়াদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তার বসতঘরের সামনের গোয়াল ঘরে তল্লাশি চালায়। সেখানে খড়কুটার ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু রাইয়ানের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. রিয়াদ মল্লিক (১৯) - প্রধান অভিযুক্ত মো. মিজান মল্লিক (৪২) - রিয়াদের বাবা মোসা. পারভীন বেগম (৩৫) - রিয়াদের মা, মো. সাইদুল ইসলাম (৩৬) - পরিকল্পনাকারী ।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনে পিরোজপুর জেলা পুলিশ সুপার জানায়, অপহরণকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল মুক্তিপণ বা অন্য কোনো আক্রোশ মেটানো। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।