ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
আবারো পেছালো চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর আপিলঃ চুড়ান্ত শুনানি ৫মে নির্ধারণ নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ ! বড়লেখায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত সদস্য নিহত বেলকুচি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ফরিদপুরে মা-মেয়েসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি আকাশ গ্রেপ্তার গাজীপুরে টঙ্গীতে হাজী বস্তিতে অভিযান, মাদক সেবনরত ৩০ জন আটক কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে স্যার ফজলে হাসান আবেদের ৯০তম জন্মদিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

বাগেরহাটে ভুয়া কাগজ পত্রের মাধ্যমে নামজারী করে বসতবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মৎস্য খামার দখলের চেষ্টা

#
news image

বাগেরহাটের চিতলমারিতে ভুয়া কাগজ পত্রের মাধ্যমে নামজারী করে বসতবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মৎস্য খামার দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আশিষ কুমার হালদারের বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে ২ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সংশিষ্ঠ দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁর জমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্ত ভোগী চিতলমারী সন্তোষপুর গ্রামের মঞ্জুর হোসেন শিকদার।
তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, চিতলমারী সন্তোষপুর গ্রামের গনেশ চন্দ্র হালদার ও তার চার ছেলে আশিষ কুমার হালদার, বিকাশ হালদার, সুভাষ হালদার ও দিবস হালদার ওরফে রাজা হালদার দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টা করে আসছে।
আমি গত ২৭ ফেব্রæয়ারী ৯৫ সালে বাগেরহাট সাবজজ ২য় আদালতে চুক্তি প্রবল বাবদ দেওয়ানী- ৪৫/৯৬নং মামলা দায়ের করি। আদালত ৩-৮ বিবাদীপক্ষের বিরুদ্ধে দোতরফাসূত্রে ডিক্রী আদেশ প্রদান করেন। উক্ত মামলার প্রতিপক্ষ গন রায়ের বিপক্ষে জমির মালিকানা দাবি করে উচ্চ আদালতে ৪৬৪/২০০০ দেওয়ানি আপিল দায়ের করে রায় প্রাপ্ত হন।
উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে আমি মহামান্য সুপ্রীম কোর্টে সিভিল পিটিশন- ২০১৮/২০২৪ নং মোকদ্দমা দায়ের করি এবং উক্ত মোকদ্দমা চলামান আছে।
এমতাবস্থায় পক্ষভুক্ত বিবাদী এস্কেন্দার মোড়ল গং উক্ত জমির নামপত্তন এর আবেদন করে। আমি আপত্তি দিলে মিস-২০১/০৯-১০নং নামপত্তন মামলা খারিজ হয়।
পুনরায় জনৈক সুরাইয়া ইয়াসমিন নামপত্তন এর  জন্য মিস- ৪১/১৬-১৭ নং মামলা করিলে আমার আপত্তির কারণে উহাও খারিজ হয়। উক্ত গনেশ চন্দ্র হালদার এর ৪ পুত্র আশিস কুমার হালদার, বিকাশ কুমার হালদার, দেবাশীষ হালদার ও রাজা হালদার সুদীর্ঘকাল এদেশে না থাকায়।
আশিস কুমার হালদার তাহার পিতা প্রদত্ত চুক্তিপত্রে ১নং সাক্ষী হিসাবে স্বাক্ষর করা সহ দখল হস্তান্তরের সময় সরেজমিনে থাকা সত্বেও সহকারী কমিশনার ভূমি চিতলমারী এবং চর বানিয়ারী তহশীল অফিস সন্তোষপুরের তহশীলদারদের সঙ্গে অবৈধ যোগাযোগে কোনরূপ তদন্ত ছাড়া এবং জমি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলার বিষয় জানা সত্বেও গোপনে গনেশ চন্দ্র হালদারের নামীয় বিআরএস ৩২৩নং খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত আমার ২,০৯ একর সম্পত্তি সহ সম্যক ৪.১৮ একর সম্পত্তি একমাত্র আশিস কুমার হালদার নিজ নামে নামপত্তন করাইয়া নেয়, যাহা জাল জালিয়াতির নামান্তর। আমার সুদীর্ঘকালীন ভোগ দখলীয় বাস্তু‘ জমি, ব্যবসাস্থল, মৎস্যঘের সহ দীর্ঘ ৩০ বছরের অধিক ভোগদখলকে উপেক্ষা করিয়া কোনরূপ আইন কানুনের তোয়াক্কা না করিয়া জাল জালিয়াতিপূর্ণ কাগজের দ্বারা নামপত্তন করানোয় আমার অপূরণীয় ক্ষতি হইয়াছে। উক্ত নামপত্তন দ্বারা উল্লেখিত আশিস কুমার হালদার সম্পত্তি বিক্রয় শুরু করিয়াছে, যাহা আইন ও আদালতের প্রতি বৃদ্ধ্ঙ্গুলি প্রদশনের শামিল ।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ প্রতিপক্ষ সুবোল হালদারের চার ছেলে থাকা সত্বেও আশিষ কুমারের নামে এককভাবে নামজারি করে জমি কেনাবেচার মাধ্যমে এলাকায় হিন্দু–মুসলিম বিভেদ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করছে, যা নিয়ে আমি পরিবার পরিজন নিয়ে বেশ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অজিত বালা বলেন, “আমরা জানি, এই জমি গনেশ হালদার বহু আগেই মঞ্জুর শিকদারকে লিখে দিয়েছেন। আমি নিজ চোখে ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে দেখছিওরা এখানে ঘর বাডি করে বসবাস  করে আসছে।
আরেক স্থানীয় শিশির হালদার বলেন,গনেশ হালদারের জমি মঞ্জুর শিকদার বহু আগেই কিনেছেন। সেই সময় থেকেই তারা এখানে ভোগ–দখল করছেন। ঘের করেছেন, গাছ লাগিয়েছেন, তাদের সন্তানরাও এখানে জন্মগ্রহণ করেছে। চিতলমারী উপজেলার ৭ নং সন্তোষ পুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য নিরমল মন্ডল জানান, মঞ্জুর শিকদারকে আমি ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে চিনি। তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ এবং দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে বৈধভাবে বসবাস করছেন। আমার জানা মতে, তিনি সঠিকভাবেই জমির ভোগ–দখল করছেন।

সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :

০৯ ডিসেম্বর, ২০২৫,  6:19 PM

news image

বাগেরহাটের চিতলমারিতে ভুয়া কাগজ পত্রের মাধ্যমে নামজারী করে বসতবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মৎস্য খামার দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আশিষ কুমার হালদারের বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে ২ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সংশিষ্ঠ দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁর জমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্ত ভোগী চিতলমারী সন্তোষপুর গ্রামের মঞ্জুর হোসেন শিকদার।
তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, চিতলমারী সন্তোষপুর গ্রামের গনেশ চন্দ্র হালদার ও তার চার ছেলে আশিষ কুমার হালদার, বিকাশ হালদার, সুভাষ হালদার ও দিবস হালদার ওরফে রাজা হালদার দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টা করে আসছে।
আমি গত ২৭ ফেব্রæয়ারী ৯৫ সালে বাগেরহাট সাবজজ ২য় আদালতে চুক্তি প্রবল বাবদ দেওয়ানী- ৪৫/৯৬নং মামলা দায়ের করি। আদালত ৩-৮ বিবাদীপক্ষের বিরুদ্ধে দোতরফাসূত্রে ডিক্রী আদেশ প্রদান করেন। উক্ত মামলার প্রতিপক্ষ গন রায়ের বিপক্ষে জমির মালিকানা দাবি করে উচ্চ আদালতে ৪৬৪/২০০০ দেওয়ানি আপিল দায়ের করে রায় প্রাপ্ত হন।
উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে আমি মহামান্য সুপ্রীম কোর্টে সিভিল পিটিশন- ২০১৮/২০২৪ নং মোকদ্দমা দায়ের করি এবং উক্ত মোকদ্দমা চলামান আছে।
এমতাবস্থায় পক্ষভুক্ত বিবাদী এস্কেন্দার মোড়ল গং উক্ত জমির নামপত্তন এর আবেদন করে। আমি আপত্তি দিলে মিস-২০১/০৯-১০নং নামপত্তন মামলা খারিজ হয়।
পুনরায় জনৈক সুরাইয়া ইয়াসমিন নামপত্তন এর  জন্য মিস- ৪১/১৬-১৭ নং মামলা করিলে আমার আপত্তির কারণে উহাও খারিজ হয়। উক্ত গনেশ চন্দ্র হালদার এর ৪ পুত্র আশিস কুমার হালদার, বিকাশ কুমার হালদার, দেবাশীষ হালদার ও রাজা হালদার সুদীর্ঘকাল এদেশে না থাকায়।
আশিস কুমার হালদার তাহার পিতা প্রদত্ত চুক্তিপত্রে ১নং সাক্ষী হিসাবে স্বাক্ষর করা সহ দখল হস্তান্তরের সময় সরেজমিনে থাকা সত্বেও সহকারী কমিশনার ভূমি চিতলমারী এবং চর বানিয়ারী তহশীল অফিস সন্তোষপুরের তহশীলদারদের সঙ্গে অবৈধ যোগাযোগে কোনরূপ তদন্ত ছাড়া এবং জমি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলার বিষয় জানা সত্বেও গোপনে গনেশ চন্দ্র হালদারের নামীয় বিআরএস ৩২৩নং খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত আমার ২,০৯ একর সম্পত্তি সহ সম্যক ৪.১৮ একর সম্পত্তি একমাত্র আশিস কুমার হালদার নিজ নামে নামপত্তন করাইয়া নেয়, যাহা জাল জালিয়াতির নামান্তর। আমার সুদীর্ঘকালীন ভোগ দখলীয় বাস্তু‘ জমি, ব্যবসাস্থল, মৎস্যঘের সহ দীর্ঘ ৩০ বছরের অধিক ভোগদখলকে উপেক্ষা করিয়া কোনরূপ আইন কানুনের তোয়াক্কা না করিয়া জাল জালিয়াতিপূর্ণ কাগজের দ্বারা নামপত্তন করানোয় আমার অপূরণীয় ক্ষতি হইয়াছে। উক্ত নামপত্তন দ্বারা উল্লেখিত আশিস কুমার হালদার সম্পত্তি বিক্রয় শুরু করিয়াছে, যাহা আইন ও আদালতের প্রতি বৃদ্ধ্ঙ্গুলি প্রদশনের শামিল ।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ প্রতিপক্ষ সুবোল হালদারের চার ছেলে থাকা সত্বেও আশিষ কুমারের নামে এককভাবে নামজারি করে জমি কেনাবেচার মাধ্যমে এলাকায় হিন্দু–মুসলিম বিভেদ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করছে, যা নিয়ে আমি পরিবার পরিজন নিয়ে বেশ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অজিত বালা বলেন, “আমরা জানি, এই জমি গনেশ হালদার বহু আগেই মঞ্জুর শিকদারকে লিখে দিয়েছেন। আমি নিজ চোখে ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে দেখছিওরা এখানে ঘর বাডি করে বসবাস  করে আসছে।
আরেক স্থানীয় শিশির হালদার বলেন,গনেশ হালদারের জমি মঞ্জুর শিকদার বহু আগেই কিনেছেন। সেই সময় থেকেই তারা এখানে ভোগ–দখল করছেন। ঘের করেছেন, গাছ লাগিয়েছেন, তাদের সন্তানরাও এখানে জন্মগ্রহণ করেছে। চিতলমারী উপজেলার ৭ নং সন্তোষ পুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য নিরমল মন্ডল জানান, মঞ্জুর শিকদারকে আমি ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে চিনি। তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ এবং দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে বৈধভাবে বসবাস করছেন। আমার জানা মতে, তিনি সঠিকভাবেই জমির ভোগ–দখল করছেন।