ঢাকা ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা নেপালে সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, ৯৩৩ শ্রমিক নিখোঁজ ঘরে বসেই মিলবে কোম্পানির নিবন্ধন, শতভাগ অনলাইন হচ্ছে আরজেএসসি প্রাথমিক বৃত্তির নতুন হার নির্ধারণ: ট্যালেন্টপুলে ৩০০ ও সাধারণে ২২৫ টাকা, কার্যকর ৩ বছর রেকর্ড ৪৭ দিনে অনার্সের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৬৫.১০% ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, ভর্তি রেকর্ড ১১৬৩ জন বড়লেখায় ৩৯ বছরের শিক্ষকতা জীবন শেষে অবসরে প্রধান শিক্ষক শিপ্রা রানী সেন আজমিরীগঞ্জে নজরুলবিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ভোটার ১৮ হাজার, রেমিট্যান্স ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ ধরমন্ডল: চিকিৎসা-বিদ্যুৎ-সড়কে চরম অবহেলা পবাকে টাইব্রেকারে হারিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপের ফাইনালে মোহনপুর

স্বর্ণ চোরাচালানের মাধ্যমে অর্জিত ১০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক করেছে সিআইডি

#
news image

স্বর্ণ চোরাচালানের মাধ্যমে অসাধু সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শ্যাম ঘোষ নামে এক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।

সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, স্বর্ণ চোরাকারবারের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শ্যাম ঘোষের বিরুদ্ধে ডিএমপি কোতয়ালী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নং ১২। তদন্তে উঠে এসেছে, শ্যাম ঘোষ একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। তার কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ঢাকার সূত্রাপুরে তার পিতার হোটেলে কাজ করতেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন স্বর্ণের দোকানে চাকরির মাধ্যমে তিনি অবৈধভাবেপ্রাপ্ত স্বর্ণ কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় করেছেন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অপরাধলব্ধ আয়ের উৎস গোপন করেছেন। 

তদন্তে আরো উঠে এসেছে, স্বর্ণ চোরাকারবারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে শ্যাম ঘোষ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যমুনা ফিউচার পার্কের ছয়তলার সি ব্লকে তিনটি দোকান (দোকান নং ৫ঈ-০৫৪, ৫ঈ-০৫৫, ৫ঈ-০৫৬) এবং ‘ইন্ডিয়ান ডোমেস্টিক স্পাই’ নামক রেস্টুরেন্ট। 

এছাড়া কোতয়ালী থানাধীন ওয়াইজঘাটে ‘বাবুলী স্টার সিটি’ ভবনের ৫ তলায় একটি ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নং ৪/সি) এবং স্বামীবাগের ‘স্বর্ণচাপা’ ভবনের ৬ তলায় নিজ ও তার ভাই যৌথ মালিকানাধীন ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নং এ-৬) রয়েছে। বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ব্লক-বি, লেভেল-৫-এ ‘নন্দন জুয়েলার্স’ নামক স্বর্ণের দোকানও তার যৌথ মালিকানাধীন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র মহানগর স্পেশাল জজ আদালত গত ২৫ সেপ্টেম্বর সম্পত্তির উপর ক্রোকাদেশ প্রদান করেন। ক্রোককৃত সম্পত্তি রক্ষণের জন্য পুলিশ কমিশনার ডিএমপি ঢাকাকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

সিআইডি ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট এ সংক্রান্ত মানিলন্ডারিং মামলার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০২ অক্টোবর, ২০২৫,  12:34 AM

news image

স্বর্ণ চোরাচালানের মাধ্যমে অসাধু সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শ্যাম ঘোষ নামে এক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।

সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, স্বর্ণ চোরাকারবারের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শ্যাম ঘোষের বিরুদ্ধে ডিএমপি কোতয়ালী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নং ১২। তদন্তে উঠে এসেছে, শ্যাম ঘোষ একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। তার কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ঢাকার সূত্রাপুরে তার পিতার হোটেলে কাজ করতেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন স্বর্ণের দোকানে চাকরির মাধ্যমে তিনি অবৈধভাবেপ্রাপ্ত স্বর্ণ কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় করেছেন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অপরাধলব্ধ আয়ের উৎস গোপন করেছেন। 

তদন্তে আরো উঠে এসেছে, স্বর্ণ চোরাকারবারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে শ্যাম ঘোষ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যমুনা ফিউচার পার্কের ছয়তলার সি ব্লকে তিনটি দোকান (দোকান নং ৫ঈ-০৫৪, ৫ঈ-০৫৫, ৫ঈ-০৫৬) এবং ‘ইন্ডিয়ান ডোমেস্টিক স্পাই’ নামক রেস্টুরেন্ট। 

এছাড়া কোতয়ালী থানাধীন ওয়াইজঘাটে ‘বাবুলী স্টার সিটি’ ভবনের ৫ তলায় একটি ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নং ৪/সি) এবং স্বামীবাগের ‘স্বর্ণচাপা’ ভবনের ৬ তলায় নিজ ও তার ভাই যৌথ মালিকানাধীন ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নং এ-৬) রয়েছে। বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ব্লক-বি, লেভেল-৫-এ ‘নন্দন জুয়েলার্স’ নামক স্বর্ণের দোকানও তার যৌথ মালিকানাধীন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র মহানগর স্পেশাল জজ আদালত গত ২৫ সেপ্টেম্বর সম্পত্তির উপর ক্রোকাদেশ প্রদান করেন। ক্রোককৃত সম্পত্তি রক্ষণের জন্য পুলিশ কমিশনার ডিএমপি ঢাকাকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

সিআইডি ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট এ সংক্রান্ত মানিলন্ডারিং মামলার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।