ঢাকা ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতি সরঞ্জামসহ ৭ জন আটক ষাট গম্বুজ মসজিদসহ পুরাকীর্তি রক্ষায় উদ্যোগ চাইলেন এমপি রাহাদ সেই উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানের নোটিশ ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, গেজেট কাল বসুরহাটে ফয়জুন্নেছা আহমেদ ফাউন্ডেশনের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কোনাবাড়িতে মরহুম অধ্যাপক এম এ মান্নান স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত  বর্তমানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই : সালাহউদ্দিন আহমদ হেপাটাইটিস নির্মূলে বিশ্ব খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে: ডব্লিউএইচও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির অডিটে ৭২ হাজার ৩৪১ আয়কর রিটার্ন

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৮ জুলাই

#
news image

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে।

আজ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই দিন ধার্য করেন।

মামলার ৩০ আসামির মধ্যে গ্রেফতার ৬ জন আজ ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির হন। পলাতক ২৪ আসামির জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত ৬ জন আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম শুনানি করেন। এসময় অন্য প্রসিকিউটররাও তার সঙ্গে ছিলেন।

আজকের বিচারিক কার্যক্রম শুরুর আগে উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এর আগে, গত জুনে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) সংলগ্ন পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ।

২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেরোবি’র ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

দুই হাত মেলে বুক পেতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা নিরস্ত্র আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদেই সোচ্চার হন বহু মানুষ, তাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।

ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলে আওয়ামী লীগ সরকার, তার দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসন সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করে বলে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। জাজ্বল্যমান এসব অপরাধের বিচার এখন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২ এ।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২২ জুলাই, ২০২৫,  8:57 PM

news image

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে।

আজ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই দিন ধার্য করেন।

মামলার ৩০ আসামির মধ্যে গ্রেফতার ৬ জন আজ ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির হন। পলাতক ২৪ আসামির জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত ৬ জন আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম শুনানি করেন। এসময় অন্য প্রসিকিউটররাও তার সঙ্গে ছিলেন।

আজকের বিচারিক কার্যক্রম শুরুর আগে উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এর আগে, গত জুনে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) সংলগ্ন পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ।

২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেরোবি’র ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

দুই হাত মেলে বুক পেতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা নিরস্ত্র আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদেই সোচ্চার হন বহু মানুষ, তাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।

ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলে আওয়ামী লীগ সরকার, তার দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসন সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করে বলে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। জাজ্বল্যমান এসব অপরাধের বিচার এখন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২ এ।