ঢাকা ২৮ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
স্বাধীন গণমাধ্যমের নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী ‘গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজকে আয়নার মতো সঠিক পথ দেখায়’: তথ্যমন্ত্রী ‘জুলাই ব্যর্থ হলে দেশে শেখরাজ্য প্রতিষ্ঠিত হতো’: এবি পার্টির সভায় বক্তারা টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট সামাজিক সেবা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের অঙ্গীকার বার্নহ্যামের আগস্টে ঢাকায় শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী ‘রিহ্যাব সামার ফেয়ার-২০২৬’ ১৫ টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজের দ্বিতীয় শিফট শিক্ষার্থীশূন্য, কারণ দর্শানোর নির্দেশ রাজবাড়ীর অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা চীন যাচ্ছে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার আজমিরীগঞ্জে নদীভাঙন রোধে ৩২০ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শন করলেন এমপি

ফরিদপুরে দেড় লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া সেই শিশু উদ্ধার

#
news image

ফরিদপুরে জোর করে মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে দেড় লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়া আট মাসের সেই শিশু তানহা আক্তারকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১০,ফরিদপুর ক্যাম্পের সদস্যরা।
 
সোমবার (১২ মে) বেলা ১১টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফরিদপুর র‍্যাব ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শামীম হাসান সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে রোববার (১১ মে) সন্ধ্যায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
 সহকারী পরিচালক  শামীম হাসান সরদার জানান, রোববার শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশু তানহাকে উদ্ধার করা হয়। পরে শিশুটিকে নগরকান্দা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
 
বাদীর আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, আজ বিকেলে ফরিদপুর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশুটির অভিভাবকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নগরকান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইরানুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, র‍্যাবের মাধ্যমে শিশুটি উদ্ধার হয়েছে, তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 
আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে মা পপি বেগম জানান, আমি আমার বাচ্চাকে ফিরে পেতে চাই। যারা আমার মেয়েকে বিক্রি করেছে তাদের বিচার চাই। আমার কাছে সব কাগজপত্র আছে। আমি ন্যায্যভাবে আমার সন্তানকে চাই। 
এর আগে ভুক্তভোগী পপি বেগম অভিযোগ করে বলেন, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে আমার বাড়ি। তিন বছর আগে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামপাশা গ্রামের কাইয়ুম বিশ্বাসের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল। এ সময় কোলজুড়ে আসে একটি কন্যাসন্তান। কিন্তু সুখ বেশিদিন টিকেনি। পাঁচ মাস আগে কলহের জেরে মৌখিকভাবে তালাক দেন কাইয়ুম।
 
তিনি আরও বলেন, তালাকের সময় আট মাস বয়সী কন্যাশিশু তানহাকে জোর করে রেখে দেন তিনি। কিছুদিন পর জানতে পারি, আমার সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে দেড় লাখ টাকায়। শিশুটি বিক্রি করা হয় একই উপজেলার শাখরাইল গ্রামের কুবাদ শেখের মেয়ে কোহিনুর বেগমের কাছে। আর এ বিক্রির মধ্যস্থতা করেন নগরকান্দা উপজেলার দলিল লেখক আলমগীর তালুকদার। পরবর্তীতে তানহাকে আনতে গেলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। কন্যা শিশুকে উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করি।

 এস.এম আকাশ, ফরিদপুর

১২ মে, ২০২৫,  6:35 PM

news image

ফরিদপুরে জোর করে মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে দেড় লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়া আট মাসের সেই শিশু তানহা আক্তারকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১০,ফরিদপুর ক্যাম্পের সদস্যরা।
 
সোমবার (১২ মে) বেলা ১১টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফরিদপুর র‍্যাব ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শামীম হাসান সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে রোববার (১১ মে) সন্ধ্যায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
 সহকারী পরিচালক  শামীম হাসান সরদার জানান, রোববার শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশু তানহাকে উদ্ধার করা হয়। পরে শিশুটিকে নগরকান্দা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
 
বাদীর আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, আজ বিকেলে ফরিদপুর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশুটির অভিভাবকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নগরকান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইরানুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, র‍্যাবের মাধ্যমে শিশুটি উদ্ধার হয়েছে, তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 
আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে মা পপি বেগম জানান, আমি আমার বাচ্চাকে ফিরে পেতে চাই। যারা আমার মেয়েকে বিক্রি করেছে তাদের বিচার চাই। আমার কাছে সব কাগজপত্র আছে। আমি ন্যায্যভাবে আমার সন্তানকে চাই। 
এর আগে ভুক্তভোগী পপি বেগম অভিযোগ করে বলেন, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে আমার বাড়ি। তিন বছর আগে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামপাশা গ্রামের কাইয়ুম বিশ্বাসের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল। এ সময় কোলজুড়ে আসে একটি কন্যাসন্তান। কিন্তু সুখ বেশিদিন টিকেনি। পাঁচ মাস আগে কলহের জেরে মৌখিকভাবে তালাক দেন কাইয়ুম।
 
তিনি আরও বলেন, তালাকের সময় আট মাস বয়সী কন্যাশিশু তানহাকে জোর করে রেখে দেন তিনি। কিছুদিন পর জানতে পারি, আমার সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে দেড় লাখ টাকায়। শিশুটি বিক্রি করা হয় একই উপজেলার শাখরাইল গ্রামের কুবাদ শেখের মেয়ে কোহিনুর বেগমের কাছে। আর এ বিক্রির মধ্যস্থতা করেন নগরকান্দা উপজেলার দলিল লেখক আলমগীর তালুকদার। পরবর্তীতে তানহাকে আনতে গেলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। কন্যা শিশুকে উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করি।