ঢাকা ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতি সরঞ্জামসহ ৭ জন আটক ষাট গম্বুজ মসজিদসহ পুরাকীর্তি রক্ষায় উদ্যোগ চাইলেন এমপি রাহাদ সেই উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানের নোটিশ ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, গেজেট কাল বসুরহাটে ফয়জুন্নেছা আহমেদ ফাউন্ডেশনের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কোনাবাড়িতে মরহুম অধ্যাপক এম এ মান্নান স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত  বর্তমানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই : সালাহউদ্দিন আহমদ হেপাটাইটিস নির্মূলে বিশ্ব খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে: ডব্লিউএইচও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির অডিটে ৭২ হাজার ৩৪১ আয়কর রিটার্ন

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিলেটে ৭ বন্দি কারামুক্ত

#
news image

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাত কারাবন্দি।

মুক্তিপ্রাপ্তরা সবাই পুরুষ। তাদের বেশিরভাগই শারীরিকভাবে অসুস্থ।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার শারমিন তানিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার তিন, সিলেটের দুই ও মৌলভীবাজারের আরও দুই জন রয়েছেন।

শারমিন তানিয়া জানান, মুক্তিপ্রাপ্তরা সিলেট কারাগারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা খেটেছেন। তাদের বেশিরভাগই বৃদ্ধ ও সবাই পুরুষ। তাদের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকারি সিদ্ধান্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের হাড়গ্রামের হাজি আব্দুল মজিদের ছেলে খোরশিদ আলী, একই জেলার রায়পুর গ্রামের হাজী আনোয়ার পাশার ছেলে শাহীনুর আলম, জগন্নাথপুর পাড়ারগাও গ্রামের মৃত সৈয়দ উল্লাহর ছেলে সুফি মিয়া, সিলেটের বিয়ানীবাজারেরর দত্তগ্রামের সাজ্জাদ আলীর ছেলে তেরা মিয়া, সিলেটের বিশ্বনাথের মৃত শমসের আলীর ছেলে বাদশা মিয়া, মৌলভীবাজার বড়লেখার মুরারপুল গ্রামের খোরশেদ আলির ছেলে হবিব আলী ও একই জেলার শ্রীমঙ্গলের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে শফিক মিয়া।

কারা সূত্র জানায়, হত্যার অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দণ্ডিত ছিলেন খোরশিদ আলী (৮১)। এর মধ্যে সাজা খেটেছেন সাড়ে ১১ বছর। তার সাজার বাকি আছে আরও প্রায় ১৮ বছর। তিনি শ্বাসকষ্ট, দৃষ্টিশক্তি সমস্যাসহ নানা রোগে অচল ও অক্ষম।

এ ছাড়া চাচাতো বোনকে হত্যার দায়ে ৩০ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দি ছিলেন শাহীনুর আলম (৫০)। তিনি ইতোমধ্য ২৮ বছর এক মাস ১৪ দিন সাজা খেটেছেন। স্ট্রোকের কারণে তিনি পক্ষাগ্রস্তসহ বার্ধক্যজনিত কারণে প্রায় অচল।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৬ মার্চ, ২০২৫,  8:22 PM

news image

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাত কারাবন্দি।

মুক্তিপ্রাপ্তরা সবাই পুরুষ। তাদের বেশিরভাগই শারীরিকভাবে অসুস্থ।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার শারমিন তানিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার তিন, সিলেটের দুই ও মৌলভীবাজারের আরও দুই জন রয়েছেন।

শারমিন তানিয়া জানান, মুক্তিপ্রাপ্তরা সিলেট কারাগারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা খেটেছেন। তাদের বেশিরভাগই বৃদ্ধ ও সবাই পুরুষ। তাদের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকারি সিদ্ধান্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের হাড়গ্রামের হাজি আব্দুল মজিদের ছেলে খোরশিদ আলী, একই জেলার রায়পুর গ্রামের হাজী আনোয়ার পাশার ছেলে শাহীনুর আলম, জগন্নাথপুর পাড়ারগাও গ্রামের মৃত সৈয়দ উল্লাহর ছেলে সুফি মিয়া, সিলেটের বিয়ানীবাজারেরর দত্তগ্রামের সাজ্জাদ আলীর ছেলে তেরা মিয়া, সিলেটের বিশ্বনাথের মৃত শমসের আলীর ছেলে বাদশা মিয়া, মৌলভীবাজার বড়লেখার মুরারপুল গ্রামের খোরশেদ আলির ছেলে হবিব আলী ও একই জেলার শ্রীমঙ্গলের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে শফিক মিয়া।

কারা সূত্র জানায়, হত্যার অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দণ্ডিত ছিলেন খোরশিদ আলী (৮১)। এর মধ্যে সাজা খেটেছেন সাড়ে ১১ বছর। তার সাজার বাকি আছে আরও প্রায় ১৮ বছর। তিনি শ্বাসকষ্ট, দৃষ্টিশক্তি সমস্যাসহ নানা রোগে অচল ও অক্ষম।

এ ছাড়া চাচাতো বোনকে হত্যার দায়ে ৩০ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দি ছিলেন শাহীনুর আলম (৫০)। তিনি ইতোমধ্য ২৮ বছর এক মাস ১৪ দিন সাজা খেটেছেন। স্ট্রোকের কারণে তিনি পক্ষাগ্রস্তসহ বার্ধক্যজনিত কারণে প্রায় অচল।