ঢাকা ১৩ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় সহনশীল নগর পরিকল্পনা ও জলপথ পুনরুদ্ধারের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগের সার্বিক বিষয়ে নিজেই মনিটরিং করছেন : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের জানাজা অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে জেলে যেতে হবে : চিফ প্রসিকিউটর শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ইইউ চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য ১০ বোর্ডে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা যথারীতি চলবে : আন্তঃশিক্ষা বোর্ড প্রথমবার বিশ্বকাপে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালে ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৫০ পিরোজপুরে সিও অফিস সংলগ্ন দোকানে দুঃসাহসিক চুরি, ৩ লাখ টাকা লুট গলায় কাঁচি ধরে শিশুকে ধর্ষণ, ভিডিও করল সহযোগী: গ্রেপ্তার ১

প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগের সার্বিক বিষয়ে নিজেই মনিটরিং করছেন : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

#
news image

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেছেন, দুর্যোগের সার্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই মনিটরিং করছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্যসহ ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড় ধস এবং বন্যা কবলিত এলাকার অসহায় মানুষের যতদিন সহযোগিতা লাগে, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিন মাস লাগলে তিন মাস ধরেই সহায়তা দেবে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।

গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) রাতে রাঙামাটি শহরের ভেদভেদীস্থ লোকনাথ ব্রক্ষচারী আশ্রমের হলরুম সংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এম ইকবাল হোসেইন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সবাই কাজ করছি। তিনি আমাদের সবাইকে দৌড়ের উপরে রেখেছেন। কোথায় কী করলে ভালো হবে তিনি সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করছেন। প্রধানমন্ত্রী সব মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম অবহিত আছেন।  

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা পরিস্থিতি দেখভাল করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে সেখানে পাঠিয়েছেন। তিনি চট্টগ্রামে আগামী ৬-৭ দিন থাকবেন। যতদিন লাগে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার সার্বিক বিষয় মনিটরিং করবেন। 

তিনি বলেন, তিন পার্বত্য জেলাসহ পাঁচটি জেলার পরিস্থিতি দেখা এবং এ বিষয়ে রিপোর্ট প্রদানের জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছে। এখানে এসে দেখলাম টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে অনেক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি মোটামুটি সামাল দিতে পেরেছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনে আরো ত্রাণ সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, পানি কমলে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে কী করা যায় তা আমরা স্থানীয় প্রশাসনসহ সবার সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা করবো।

রাঙামাটি ২৯৯ নং সংসদীয় আসনের সাংসদ দীপেন দেওয়ান এমপি, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভুঁইয়া এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হোসেইন আরও বলেন, দুর্যোগ এবং বন্যার প্রকোপটা এখন যে আমরা দেখছি, এটাতো একদিনে হয়নি। হ্রদের নাব্যতাতো একদিনে কমেনা। এটা নিয়ে আমরা আগে চিন্তা করি নাই। এটা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, প্রকৃতির উপর হাত দিয়ে মানুষ প্রকৃতি ধ্বংস করেছে। তাই এই সংকট মোকাবেলা করা আমাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই সংকট মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।  

প্রতিমন্ত্রী আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। পরে সবার মধ্যে খাবার বিতরণ করেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়ি জেলা পরিদর্শন করে শনিবার রাতে রাঙামাটির আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১২ জুলাই, ২০২৬,  9:22 PM

news image

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেছেন, দুর্যোগের সার্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই মনিটরিং করছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্যসহ ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড় ধস এবং বন্যা কবলিত এলাকার অসহায় মানুষের যতদিন সহযোগিতা লাগে, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিন মাস লাগলে তিন মাস ধরেই সহায়তা দেবে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।

গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) রাতে রাঙামাটি শহরের ভেদভেদীস্থ লোকনাথ ব্রক্ষচারী আশ্রমের হলরুম সংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এম ইকবাল হোসেইন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সবাই কাজ করছি। তিনি আমাদের সবাইকে দৌড়ের উপরে রেখেছেন। কোথায় কী করলে ভালো হবে তিনি সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করছেন। প্রধানমন্ত্রী সব মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম অবহিত আছেন।  

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা পরিস্থিতি দেখভাল করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে সেখানে পাঠিয়েছেন। তিনি চট্টগ্রামে আগামী ৬-৭ দিন থাকবেন। যতদিন লাগে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার সার্বিক বিষয় মনিটরিং করবেন। 

তিনি বলেন, তিন পার্বত্য জেলাসহ পাঁচটি জেলার পরিস্থিতি দেখা এবং এ বিষয়ে রিপোর্ট প্রদানের জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছে। এখানে এসে দেখলাম টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে অনেক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি মোটামুটি সামাল দিতে পেরেছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনে আরো ত্রাণ সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, পানি কমলে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে কী করা যায় তা আমরা স্থানীয় প্রশাসনসহ সবার সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা করবো।

রাঙামাটি ২৯৯ নং সংসদীয় আসনের সাংসদ দীপেন দেওয়ান এমপি, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভুঁইয়া এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হোসেইন আরও বলেন, দুর্যোগ এবং বন্যার প্রকোপটা এখন যে আমরা দেখছি, এটাতো একদিনে হয়নি। হ্রদের নাব্যতাতো একদিনে কমেনা। এটা নিয়ে আমরা আগে চিন্তা করি নাই। এটা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, প্রকৃতির উপর হাত দিয়ে মানুষ প্রকৃতি ধ্বংস করেছে। তাই এই সংকট মোকাবেলা করা আমাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই সংকট মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।  

প্রতিমন্ত্রী আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। পরে সবার মধ্যে খাবার বিতরণ করেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়ি জেলা পরিদর্শন করে শনিবার রাতে রাঙামাটির আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।