ঢাকা ০৭ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণায় টঙ্গীতে নাজমুল হোসেন মন্ডলের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল ফটিকছড়িতে হরিণ শিকার করতে গিয়ে গুলি'বিদ্ধ হয়ে ১ জন নি'হত "হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় প্রশাসনের অভিযানে মায়াবী হরিণ উদ্ধার" শাল্লায় ৩ গরু জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ গাজীপুরের রাজবাড়ির দেয়ালে গ্রিল কেটে তৈরি ‘পাখির কুঠরি’ কচুয়ায় বসতঘর ভাঙচুর করে জমি দখলের অভিযোগ, আহত ১ ফটিকছড়িতে সাবেক এমপি সনি ও সাবেক মেয়র মঞ্জুরসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা বিলুপ্তির পথে গরু মহিষ দিয়ে হাল চাষ ও ধান মাড়াই হবিগঞ্জের সিলিকা বালু পাচার কালে ট্রাকচালক কে ২ মাসের কারাদন্ড, মুল হোতারা অধরা বিষে হারানো নীরব প্রাণের  শোক মিছিল ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

ফটিকছড়িতে সাবেক এমপি সনি ও সাবেক মেয়র মঞ্জুরসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

#
news image

ফটিকছড়িতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সমর্থনে মিছিল, সভা, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) খাদিজাতুল আনোয়ার সনি ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলম মনজুসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় আরও ৮০ থেকে ৯০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
 
৫জুন শুক্রবার রাতে ফটিকছড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো: জামাল হোসেন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নাজিরহাট পৌরসভার পূর্ব সুয়াবিল এলাকার শামসুল আলমের ছেলে মো: জামান বাবু (২৩) এবং একই এলাকার তৌহিদুল আলম মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম সজিব (২৫)।
 
মামলার এজাহারে সাবেক মেয়র মনজুর আলম মনজু (৬২) ও সাবেক এমপি খাদিজাতুল আনোয়ার সনিকে ঘটনার প্রধান হুকুমদাতা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, বখতিয়ার সাঈদ ইরান, সাবরিনা চৌধুরী, জসিম উদ্দিন মুহুরী, ফোরকান উদ্দিন বাচ্চু ও মো: জসিমসহ আরও অনেকে।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪জুন বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফটিকছড়ি থানার একটি টহল দল খবর পায় যে উপজেলার রোসাংগিরী ইউনিয়নের আজিমনগর এলাকায় নাজিরহাট-মাইজভান্ডার সড়কে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল বের করেছেন।
 
অভিযোগ রয়েছে, মিছিল থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয় এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়।
 
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অংশগ্রহণকারীরা হাতে থাকা বাঁশের তৈরি মশাল ফেলে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। তবে অন্যরা পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে চারটি বাঁশের তৈরি মশাল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
 
এজাহারে আরো বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কয়েকজন শীর্ষ নেতার নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে তারা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে সেখানে সমবেত হয়েছিলেন।
 
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম বলেন, “নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভা ও মিছিলের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
 
এর আগে উপজেলার রোসাংগিরী ইউনিয়নের মাইজভান্ডার-নাজিরহাট সড়কের পাশে একটি ভবনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের একটি গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই বৈঠকের ছবি ও তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপরতা বাড়ায়।
আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

০৬ জুন, ২০২৬,  10:57 PM

news image

ফটিকছড়িতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সমর্থনে মিছিল, সভা, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) খাদিজাতুল আনোয়ার সনি ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলম মনজুসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় আরও ৮০ থেকে ৯০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
 
৫জুন শুক্রবার রাতে ফটিকছড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো: জামাল হোসেন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নাজিরহাট পৌরসভার পূর্ব সুয়াবিল এলাকার শামসুল আলমের ছেলে মো: জামান বাবু (২৩) এবং একই এলাকার তৌহিদুল আলম মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম সজিব (২৫)।
 
মামলার এজাহারে সাবেক মেয়র মনজুর আলম মনজু (৬২) ও সাবেক এমপি খাদিজাতুল আনোয়ার সনিকে ঘটনার প্রধান হুকুমদাতা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, বখতিয়ার সাঈদ ইরান, সাবরিনা চৌধুরী, জসিম উদ্দিন মুহুরী, ফোরকান উদ্দিন বাচ্চু ও মো: জসিমসহ আরও অনেকে।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪জুন বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফটিকছড়ি থানার একটি টহল দল খবর পায় যে উপজেলার রোসাংগিরী ইউনিয়নের আজিমনগর এলাকায় নাজিরহাট-মাইজভান্ডার সড়কে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল বের করেছেন।
 
অভিযোগ রয়েছে, মিছিল থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয় এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়।
 
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অংশগ্রহণকারীরা হাতে থাকা বাঁশের তৈরি মশাল ফেলে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। তবে অন্যরা পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে চারটি বাঁশের তৈরি মশাল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
 
এজাহারে আরো বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কয়েকজন শীর্ষ নেতার নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে তারা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে সেখানে সমবেত হয়েছিলেন।
 
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম বলেন, “নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভা ও মিছিলের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
 
এর আগে উপজেলার রোসাংগিরী ইউনিয়নের মাইজভান্ডার-নাজিরহাট সড়কের পাশে একটি ভবনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের একটি গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই বৈঠকের ছবি ও তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপরতা বাড়ায়।
আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।