বড়লেখায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
০২ জুন, ২০২৬, 8:28 PM
বড়লেখায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় গত কয়েক দিন ধরে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপদাহের মাত্রা বাড়তে থাকে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে মানুষের জীবন যাত্রা। বিশেষ করে শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে এমন গরমে। প্রচন্ড গরমের হাত থেকে একটু স্বস্তি পেতে অনেকেই ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছে। মানুষের পাশাপাশি অনান্য প্রাণিকূলও নাকাল তীব্র তাপপ্রবাহে।
উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে প্রচন্ড তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় মানুষে জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রোধের প্রখর তাপে মানুষের জনজীবনে দুর্ভোগের নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে। প্রচন্ড রোদের গরমে সাধারণ হতদরিদ্র মানুষরা জীবিকা নির্বাহের জন্য রাস্তায় বের হতে পারেনা। দুপুর হলে রাস্তাঘাটে লোকজনের সংখ্যা একেবারে কমে যায়।
বড়লেখা পৌর শহরের এক রিকশাচালক বলেন, প্রচন্ড গরম পড়েছে। গরমের কারণে ঠিকমতো রিকশাও চালানো যাচ্ছে না। চোখ জলছে, পানি পিপাসা লাগে, শরীর দুর্বল হয়ে যায়। এই কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে রাস্তার ধুলাবালি। একই সড়কের এক অটোচালক বলেন, গরমে অশান্তি লাগে। গাড়ি চালালে ঘেমে যাই। রোদের তাপে মাথা যন্ত্রণা করে। বেশিক্ষণ রিকশা চালানোও যায় না। বিশেষ করে দুপুরে খুব বেশি গরম লাগে। রোদে পুড়ে যাই। তাই ভাড়া টানার পর ছায়ায় কিছু সময় জিরিয়ে নিতে হয়।
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
০২ জুন, ২০২৬, 8:28 PM
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় গত কয়েক দিন ধরে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপদাহের মাত্রা বাড়তে থাকে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে মানুষের জীবন যাত্রা। বিশেষ করে শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে এমন গরমে। প্রচন্ড গরমের হাত থেকে একটু স্বস্তি পেতে অনেকেই ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছে। মানুষের পাশাপাশি অনান্য প্রাণিকূলও নাকাল তীব্র তাপপ্রবাহে।
উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে প্রচন্ড তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় মানুষে জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রোধের প্রখর তাপে মানুষের জনজীবনে দুর্ভোগের নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে। প্রচন্ড রোদের গরমে সাধারণ হতদরিদ্র মানুষরা জীবিকা নির্বাহের জন্য রাস্তায় বের হতে পারেনা। দুপুর হলে রাস্তাঘাটে লোকজনের সংখ্যা একেবারে কমে যায়।
বড়লেখা পৌর শহরের এক রিকশাচালক বলেন, প্রচন্ড গরম পড়েছে। গরমের কারণে ঠিকমতো রিকশাও চালানো যাচ্ছে না। চোখ জলছে, পানি পিপাসা লাগে, শরীর দুর্বল হয়ে যায়। এই কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে রাস্তার ধুলাবালি। একই সড়কের এক অটোচালক বলেন, গরমে অশান্তি লাগে। গাড়ি চালালে ঘেমে যাই। রোদের তাপে মাথা যন্ত্রণা করে। বেশিক্ষণ রিকশা চালানোও যায় না। বিশেষ করে দুপুরে খুব বেশি গরম লাগে। রোদে পুড়ে যাই। তাই ভাড়া টানার পর ছায়ায় কিছু সময় জিরিয়ে নিতে হয়।
সম্পর্কিত