গাজীপুর ডিসির দ্রুত পদক্ষেপে হত্যাকাণ্ডের শিকার ৫ জনের মরদেহ গোপালগঞ্জে দাফন সম্পন্ন
শেখ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি :
১০ মে, ২০২৬, 8:27 PM
গাজীপুর ডিসির দ্রুত পদক্ষেপে হত্যাকাণ্ডের শিকার ৫ জনের মরদেহ গোপালগঞ্জে দাফন সম্পন্ন
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. নুরুল করিম ভূঁইয়ার দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপে গত শুক্রবার কাপাসিয়ায় নিহত একই পরিবারের পাঁচজনের মরদেহ আজ সকালে তাদের নিজ জেলা গোপালগঞ্জে দাফন করা হয়েছে।
আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৬টায় নিহতদের মরদেহ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইক্কান্দি গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বেলা ১১টায় জানাজা শেষে স্থানীয় উত্তর চরপাড়া কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। এতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন। নিহতরা হলেন— শারমিন খানম (৩৫), তার ভাই রসুল (২২), এবং তিন শিশু কন্যা মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২)।
সাধারণত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেলা ২টার পর ময়নাতদন্ত বন্ধ থাকলেও, মরদেহের জখম ও পচনের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেন। তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় শনিবার রাতেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করান এবং আবহাওয়ার কথা চিন্তা করে ফ্রিজিং ভ্যানে মরদেহ পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। দাফন ও পরিবহনের যাবতীয় খরচও জেলা প্রশাসন বহন করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া তার স্ত্রী, সন্তান ও শ্যালককে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে চিরকুট, মাদক ও মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুর আলম জানান, পারিবারিক কলহই প্রাথমিক কারণ বলে মনে হচ্ছে। গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানিয়েছেন, ডিবি, সিআইডি ও পিবিআই সমন্বিতভাবে তদন্ত করছে এবং দ্রুতই মূল আসামীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যেই দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
শেখ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি :
১০ মে, ২০২৬, 8:27 PM
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. নুরুল করিম ভূঁইয়ার দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপে গত শুক্রবার কাপাসিয়ায় নিহত একই পরিবারের পাঁচজনের মরদেহ আজ সকালে তাদের নিজ জেলা গোপালগঞ্জে দাফন করা হয়েছে।
আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৬টায় নিহতদের মরদেহ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইক্কান্দি গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বেলা ১১টায় জানাজা শেষে স্থানীয় উত্তর চরপাড়া কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। এতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন। নিহতরা হলেন— শারমিন খানম (৩৫), তার ভাই রসুল (২২), এবং তিন শিশু কন্যা মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২)।
সাধারণত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেলা ২টার পর ময়নাতদন্ত বন্ধ থাকলেও, মরদেহের জখম ও পচনের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেন। তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় শনিবার রাতেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করান এবং আবহাওয়ার কথা চিন্তা করে ফ্রিজিং ভ্যানে মরদেহ পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। দাফন ও পরিবহনের যাবতীয় খরচও জেলা প্রশাসন বহন করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া তার স্ত্রী, সন্তান ও শ্যালককে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে চিরকুট, মাদক ও মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুর আলম জানান, পারিবারিক কলহই প্রাথমিক কারণ বলে মনে হচ্ছে। গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানিয়েছেন, ডিবি, সিআইডি ও পিবিআই সমন্বিতভাবে তদন্ত করছে এবং দ্রুতই মূল আসামীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যেই দুইজনকে আটক করা হয়েছে।