ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

বড়লেখায় বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে পাকা ধান, শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষক

#
news image

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের খালে বিলে হাওরে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জমে থাকা পানিতে বিপুল পরিমাণ পাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে। সময়মতো কাটতে না পারায় মাঠেই পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা। তার ওপর তীব্র শ্রমিক সংকট পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করেছে। পানির নিচে সোনার ফসল, উঠানে তুলেও শান্তি নেই।
 
সকালে হাকালুকি হাওরে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠের কাটার উপযোগী ধান হাঁটুপানির নিচে ডুবে আছে। কৃষকরা বাধ্য হয়ে কোমরপানিতে নেমে কাঁচি দিয়ে ধান কাটছেন। নৌকায় করে সেই ভেজা ধান উঁচু জায়গায় তুলে ট্রাকে বোঝাই করা হচ্ছে। কিন্তু পানিতে ভিজে ধানের শীষ থেকে চাল ঝরে পড়ছে, আবার কাটা ধান শুকানোর জায়গাও মিলছে না।কুটাউড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল মতলিব বলেন,আমার দুই বিঘা জমির ধান একদম পাকা। দুই দিন আগে কাটতে চাইছিলাম। এর মধ্যে টানা বৃষ্টিতে পুরা হাওর ডুইবা গেছে। এখন পানি কমার অপেক্ষা ছাড়া উপায় নাই। কিন্তু পানি না কমলে সব ধান পচে শেষ।
 
ধান কাটার ভরা মৌসুম হলেও এলাকায় কামলা পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষকরা বলছেন, পানির মধ্যে নেমে কাজ করতে শ্রমিকরা দ্বিগুণ মজুরি চাচ্ছে। তাও মিলছে না।

কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, ধান কাটার সময় পার হইয়া যাইতেছে, কিন্তু কামলা পাই না। পানির মধ্যে কেউ কাম করতে চায় না। ৮০০ টাকার কামলা এখন ২০০০ টাকা চায়। আমরা গরিব মানুষ, এত টাকা কই পাবো। কৃষক রহিম উদ্দিনের অভিযোগ, পানি থেকে ধান কষ্ট করে কাটছি এবং নৌকা যোগে উঠানে আনছি। বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতার কারণে শুকাতে পারতেছি না। একদিকে ফলন নষ্ট, অন্যদিকে দাম নাই। গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
 
দ্রুত পানি না নামলে ও ধান কাটার ব্যবস্থা না হলে এ বছর হাকালুকি হাওর পারের কৃষকরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

০২ মে, ২০২৬,  9:12 PM

news image

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের খালে বিলে হাওরে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জমে থাকা পানিতে বিপুল পরিমাণ পাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে। সময়মতো কাটতে না পারায় মাঠেই পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা। তার ওপর তীব্র শ্রমিক সংকট পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করেছে। পানির নিচে সোনার ফসল, উঠানে তুলেও শান্তি নেই।
 
সকালে হাকালুকি হাওরে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠের কাটার উপযোগী ধান হাঁটুপানির নিচে ডুবে আছে। কৃষকরা বাধ্য হয়ে কোমরপানিতে নেমে কাঁচি দিয়ে ধান কাটছেন। নৌকায় করে সেই ভেজা ধান উঁচু জায়গায় তুলে ট্রাকে বোঝাই করা হচ্ছে। কিন্তু পানিতে ভিজে ধানের শীষ থেকে চাল ঝরে পড়ছে, আবার কাটা ধান শুকানোর জায়গাও মিলছে না।কুটাউড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল মতলিব বলেন,আমার দুই বিঘা জমির ধান একদম পাকা। দুই দিন আগে কাটতে চাইছিলাম। এর মধ্যে টানা বৃষ্টিতে পুরা হাওর ডুইবা গেছে। এখন পানি কমার অপেক্ষা ছাড়া উপায় নাই। কিন্তু পানি না কমলে সব ধান পচে শেষ।
 
ধান কাটার ভরা মৌসুম হলেও এলাকায় কামলা পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষকরা বলছেন, পানির মধ্যে নেমে কাজ করতে শ্রমিকরা দ্বিগুণ মজুরি চাচ্ছে। তাও মিলছে না।

কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, ধান কাটার সময় পার হইয়া যাইতেছে, কিন্তু কামলা পাই না। পানির মধ্যে কেউ কাম করতে চায় না। ৮০০ টাকার কামলা এখন ২০০০ টাকা চায়। আমরা গরিব মানুষ, এত টাকা কই পাবো। কৃষক রহিম উদ্দিনের অভিযোগ, পানি থেকে ধান কষ্ট করে কাটছি এবং নৌকা যোগে উঠানে আনছি। বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতার কারণে শুকাতে পারতেছি না। একদিকে ফলন নষ্ট, অন্যদিকে দাম নাই। গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
 
দ্রুত পানি না নামলে ও ধান কাটার ব্যবস্থা না হলে এ বছর হাকালুকি হাওর পারের কৃষকরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।