উৎসবের রঙে রাঙানো মেরুল বাড্ডা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বর্ণিল বৈশাখী উৎসব শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৫ এপ্রিল, ২০২৬, 11:39 PM
উৎসবের রঙে রাঙানো মেরুল বাড্ডা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বর্ণিল বৈশাখী উৎসব শুরু
জমকালো আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘বৈশাখী উৎসব ২০২৬’। বুধবার সকালে আনন্দঘন পরিবেশে সংগীত, ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা ও গ্রামীণ মেজাজে এই উৎসবের সূচনা হয়।
উৎসবের প্রথম দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর শুরু হয় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ডেভিড ডাউল্যান্ডসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অফিস অব কমিউনিকেশন্সের ডিরেক্টর খায়রুল বাশার।
এরপর রমনার বটমূলের আদলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে “বটতলার বৈশাখী বরণ” অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। দুপুরে অডিটোরিয়াম লবিতে অনুষ্ঠিত হয় ফ্ল্যাশ মব। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় গ্রামীণ খেলাধুলা। একই সঙ্গে মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেই সাথে ছিল দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা, যা রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে।
আগামীকাল (১৬ এপ্রিল) উৎসবের দ্বিতীয় দিনে অডিটোরিয়ামে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র “আয়নাবাজি” প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর থাকবে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ‘ধামাইল’ নৃত্য, মঞ্চনাটক “সৎ পাত্রের সন্ধানে”, রম্য বিতর্ক এবং “কথোপকথন: বনলতা এক্সপ্রেস” শীর্ষক অনুষ্ঠান, যেখানে চলচ্চিত্রটির কলাকুশলীরা অংশ নেবেন। এছাড়া দিনশেষে থাকবে মূকাভিনয় ও পুতুল নাচ। একই সঙ্গে দিনব্যাপী চলবে বৈশাখী মেলা।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন ক্লাব (ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ফোরাম, কালচারাল ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব প্রভৃতি) এবং অফিস অব কমিউনিকেশন্সের যৌথ প্রচেষ্টায় এই আয়োজন সম্পন্ন হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এই ধরনের উৎসব কেবল বিনোদন নয়, বরং এসডিজি ৪ (মানসম্মত শিক্ষা), এসডিজি ১০ (বৈষম্য হ্রাস) এবং এসডিজি ১১ (টেকসই শহর ও কমিউনিটি) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৫ এপ্রিল, ২০২৬, 11:39 PM
জমকালো আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘বৈশাখী উৎসব ২০২৬’। বুধবার সকালে আনন্দঘন পরিবেশে সংগীত, ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা ও গ্রামীণ মেজাজে এই উৎসবের সূচনা হয়।
উৎসবের প্রথম দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর শুরু হয় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ডেভিড ডাউল্যান্ডসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অফিস অব কমিউনিকেশন্সের ডিরেক্টর খায়রুল বাশার।
এরপর রমনার বটমূলের আদলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে “বটতলার বৈশাখী বরণ” অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। দুপুরে অডিটোরিয়াম লবিতে অনুষ্ঠিত হয় ফ্ল্যাশ মব। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় গ্রামীণ খেলাধুলা। একই সঙ্গে মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেই সাথে ছিল দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা, যা রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে।
আগামীকাল (১৬ এপ্রিল) উৎসবের দ্বিতীয় দিনে অডিটোরিয়ামে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র “আয়নাবাজি” প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর থাকবে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ‘ধামাইল’ নৃত্য, মঞ্চনাটক “সৎ পাত্রের সন্ধানে”, রম্য বিতর্ক এবং “কথোপকথন: বনলতা এক্সপ্রেস” শীর্ষক অনুষ্ঠান, যেখানে চলচ্চিত্রটির কলাকুশলীরা অংশ নেবেন। এছাড়া দিনশেষে থাকবে মূকাভিনয় ও পুতুল নাচ। একই সঙ্গে দিনব্যাপী চলবে বৈশাখী মেলা।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন ক্লাব (ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ফোরাম, কালচারাল ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব প্রভৃতি) এবং অফিস অব কমিউনিকেশন্সের যৌথ প্রচেষ্টায় এই আয়োজন সম্পন্ন হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এই ধরনের উৎসব কেবল বিনোদন নয়, বরং এসডিজি ৪ (মানসম্মত শিক্ষা), এসডিজি ১০ (বৈষম্য হ্রাস) এবং এসডিজি ১১ (টেকসই শহর ও কমিউনিটি) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।