ফকিরহাটে জলাবদ্ধতা নিরসনে জাল-পাটা উচ্ছেদ
বাগেরহাট প্রতিনিধি :
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬, 4:24 PM
ফকিরহাটে জলাবদ্ধতা নিরসনে জাল-পাটা উচ্ছেদ
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী অবৈধ নেট-পাটা ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণে বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফকিরহাট উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) বেলা ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার লালচন্দ্রপুর খালে অবৈধ ভাবে স্থাপন করা জাল ও নেট-পাটা অপসারনের জন্য অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে প্রাপ্ত অবৈধ জাল, নেটপাটা, উচ্ছেদ করে তা কেটে নষ্ট করা হয়। উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আছাদুল্লাহ। থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, নদী-খালে জাল-পাটা দেওয়ার ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাদে বাধাগ্রস্থ হওয়ায় বিভিন্ন বাড়ি-ঘর, ক্ষেত-খামার জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এটি উচ্ছেদের ফলে খুব দ্রæত পানি নিস্কাশ হবে। এতে এলাকায় জলবদ্ধতার অনেক কম হবে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আছাদুল্লাহ বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে অবৈধ জাল ও নেট-পাটা অপসারণ অত্যন্ত জরুরী। এগুলো শুধু পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না, বরং মাছের প্রজনন ব্যাহত করে। পাশাপাশি পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ মৎস্য আহরণ ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাগেরহাট প্রতিনিধি :
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬, 4:24 PM
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী অবৈধ নেট-পাটা ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণে বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফকিরহাট উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) বেলা ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার লালচন্দ্রপুর খালে অবৈধ ভাবে স্থাপন করা জাল ও নেট-পাটা অপসারনের জন্য অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে প্রাপ্ত অবৈধ জাল, নেটপাটা, উচ্ছেদ করে তা কেটে নষ্ট করা হয়। উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আছাদুল্লাহ। থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, নদী-খালে জাল-পাটা দেওয়ার ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাদে বাধাগ্রস্থ হওয়ায় বিভিন্ন বাড়ি-ঘর, ক্ষেত-খামার জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এটি উচ্ছেদের ফলে খুব দ্রæত পানি নিস্কাশ হবে। এতে এলাকায় জলবদ্ধতার অনেক কম হবে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আছাদুল্লাহ বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে অবৈধ জাল ও নেট-পাটা অপসারণ অত্যন্ত জরুরী। এগুলো শুধু পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না, বরং মাছের প্রজনন ব্যাহত করে। পাশাপাশি পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ মৎস্য আহরণ ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।