তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত, চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ
ব্রাক্ষণবাড়ীয়া প্রতিনিধি :
২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, 2:23 PM
তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত, চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ
ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলার বিজয়নগর, আখাউড়া, কসবা, নবীনগর, আশুগঞ্জ, সরাইল, নাসিরনগর বাঞ্ছারামপুর সহ তীব্র শীতের প্রকোপে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সকাল থেক সন্ধ্যা পর্যন্ত কুয়াশা থাকায় যানবাহন চলাচল হয়ে উঠছে ঝুঁকিপূর্ণ। এতে করে অফিসগামী মানুষসহ বিভিন্ন পেশাজীবী চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। শীতের এই প্রকোপে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ, দিনমজুর, রিক্সাচালক, ভ্যানচালক, জেলে শিশু ও বয়স্করা। কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় অনেক দিনমজুর ঠিকমতো আয় করতে পারছেন না। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে অনেক গরীব অসহায় মানুষ খোলা আকাশের নিচে কিংবা ছেঁড়া কাঁথা গায়ে দিয়ে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।
এদিকে শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সর্দি-কাশি, জ্বরসহ নানা রোগে ভুগছেন বলে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন।
তীব্র শীতের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলা গুলোর বিভিন্ন হাট-বাজারে সকাল বেলায় লোকসমাগম কমে গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, শীতের কারণে ক্রেতা কম হওয়ায় বেচাকেনা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। কৃষকরাও তিব্র শীতের প্রভাবে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। শীতকালীন সবজি ও বীজতলার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা শীতার্ত গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দ্রুত শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এই তীব্র শীতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েকদিন শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ব্রাক্ষণবাড়ীয়া প্রতিনিধি :
২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, 2:23 PM
ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলার বিজয়নগর, আখাউড়া, কসবা, নবীনগর, আশুগঞ্জ, সরাইল, নাসিরনগর বাঞ্ছারামপুর সহ তীব্র শীতের প্রকোপে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সকাল থেক সন্ধ্যা পর্যন্ত কুয়াশা থাকায় যানবাহন চলাচল হয়ে উঠছে ঝুঁকিপূর্ণ। এতে করে অফিসগামী মানুষসহ বিভিন্ন পেশাজীবী চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। শীতের এই প্রকোপে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ, দিনমজুর, রিক্সাচালক, ভ্যানচালক, জেলে শিশু ও বয়স্করা। কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় অনেক দিনমজুর ঠিকমতো আয় করতে পারছেন না। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে অনেক গরীব অসহায় মানুষ খোলা আকাশের নিচে কিংবা ছেঁড়া কাঁথা গায়ে দিয়ে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।
এদিকে শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সর্দি-কাশি, জ্বরসহ নানা রোগে ভুগছেন বলে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন।
তীব্র শীতের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলা গুলোর বিভিন্ন হাট-বাজারে সকাল বেলায় লোকসমাগম কমে গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, শীতের কারণে ক্রেতা কম হওয়ায় বেচাকেনা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। কৃষকরাও তিব্র শীতের প্রভাবে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। শীতকালীন সবজি ও বীজতলার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা শীতার্ত গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দ্রুত শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এই তীব্র শীতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েকদিন শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সম্পর্কিত