বিবেকনীতি নিঃস্তব্ধ – রাজনীতি উত্তপ্ত, পথভ্রষ্ট অধিকাংশ মানুষ
খন্দকার মোহাম্মাদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
২৬ অক্টোবর, ২০২৫, 7:11 PM
বিবেকনীতি নিঃস্তব্ধ – রাজনীতি উত্তপ্ত, পথভ্রষ্ট অধিকাংশ মানুষ
রাজনীতি উত্তপ্ত, সমাজে নৈতিকতার অবক্ষয় প্রকট — এমন বাস্তবতায় আজ বিবেকনীতি যেন নিঃস্তব্ধ। মানবজাতির এক বৃহৎ অংশ পথভ্রষ্টতার গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।
প্রকৃতির জাগতিক স্বত্তায় দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ মানুষ আজ জীবন্ত সৃষ্টির মধ্যেও হারিয়ে ফেলেছে সঠিক পথের দিশা। বিবেকের ছায়াবাণীতে প্রতিফলিত হচ্ছে সেই পাপের প্রতিচ্ছবি, যা আত্মার গভীরে আঘাত করছে এক অজানা শিকলে বন্দি দানবের মতো।
এই পাপ এমন — যা পানিতে ধোয়া যায় না, অগ্নিতে পোড়ানো যায় না, এমনকি কোনো কিছুর মাঝে আবদ্ধ রাখাও যায় না। পাপের প্রায়শ্চিত্ত কত ভয়াবহ হতে পারে, তার নিরূপণও যেন অসম্ভব। অনেকে ভাবেন, তওবা করে ফিরে আসলে পাপমুক্ত জীবন গড়া সম্ভব; কিন্তু বিবেক অন্ধ সমাজে সেই সুযোগও ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে।
জীবনের চারপাশে প্রয়োজনীয় সবকিছু আজ পাপের ছায়ায় বেষ্টিত। মনুষ্যত্বহীন, শিক্ষিত পথভ্রষ্ট ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড মানবজাতিকে বিভ্রান্ত করছে প্রতিনিয়ত।
এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে দরকার পবিত্র চোখের বিবেকজ্যোতি — যে জ্যোতি সত্যকে দেখবে, অশুদ্ধতাকে পরিত্যাগ করবে।
কিন্তু আজকের প্রজন্ম সেই জ্যোতির পরিবর্তে অন্ধকারকে বেছে নিয়েছে। তারা নিজেরাই হয়ে উঠেছে পাপের ধারক ও বাহক।
বিবেকহীন শিক্ষা ব্যবস্থায় মানুষ এখন আর দেখতে পায় না প্রকৃতির আয়নায় প্রতিফলিত নিজের ভুল ও পাপ।
অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা — এই মৌলিক চাহিদাগুলোর প্রতিটিতেই নৈতিকতার অভাব স্পষ্ট। খাদ্যে নেই শুকরিয়া, বস্ত্রে নেই পরিছন্নতার পবিত্রতা, বাসস্থানে নেই শান্তির রহমত, চিকিৎসায় নেই স্বস্তির প্রশান্তি।
ফলে সৃষ্টি হয়েছে এক বিভ্রান্ত সমাজ — যেখানে কোটি কোটি মানুষ দিকহীনভাবে ছুটছে এক উদ্দেশ্যহীন গন্তব্যের দিকে। তাদের জীবনে নেই লক্ষ্য, নেই মন্তব্য, নেই সৃষ্টির উদ্দেশ্য উপলব্ধি।
এই নিঃসঙ্গ, নিরব, নিস্তব্ধ পথিকরা যেন এক অজানা রহস্যের সন্ধান করছে — বুঝে উঠতে পারছে না স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে দূরত্ব কতটা, নাকি কতটা নিকটের স্পর্শ অনুভব সম্ভব।
মানবচিন্তার এই পতন আজ প্রকৃতির জাগতিক স্বত্তাকেও হতবাক করে দিয়েছে।
চিন্তা ও চেতনায় অন্ধ ভূমিকা নিয়ে মানুষ আজ অমানবিক শিক্ষা ব্যবস্থার শিকার। সেই শিক্ষা শিশুকে শিশু থাকতে দেয় না, যুবককে পথ দেখায় না, বৃদ্ধকে জ্ঞান দেয় না — বরং ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয় পুরো জাতিকে।
জ্ঞান প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা বোঝে কেবল জ্ঞানী; কিন্তু অজ্ঞরা নিমজ্জিত অন্ধকারে।
ইবলিশ রচিত পাণ্ডিত্যপূর্ণ ভণ্ড জ্ঞানের ধারকরা আজ মহাপণ্ডিতের দাবিদার, আর স্রষ্টার নির্দেশিত পথে চলা পবিত্র মানুষরা আজ উপেক্ষিত।
এ যেন আকাশ-জমিনের ব্যবধানের মতো — স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে থাকা অদৃশ্য দূরত্বের প্রতিচ্ছবি।
তাই এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেয়ার — আমরা কি বিবেকের সৈনিক হয়ে মানবিক জীবন গড়ব, নাকি ইবলিশের রচিত পাপের সাম্রাজ্যে সুখ ও বিলাসের মোহে ডুবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ধ্বংসের মহাযজ্ঞ ছড়িয়ে দেব?
খন্দকার মোহাম্মাদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
২৬ অক্টোবর, ২০২৫, 7:11 PM
রাজনীতি উত্তপ্ত, সমাজে নৈতিকতার অবক্ষয় প্রকট — এমন বাস্তবতায় আজ বিবেকনীতি যেন নিঃস্তব্ধ। মানবজাতির এক বৃহৎ অংশ পথভ্রষ্টতার গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।
প্রকৃতির জাগতিক স্বত্তায় দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ মানুষ আজ জীবন্ত সৃষ্টির মধ্যেও হারিয়ে ফেলেছে সঠিক পথের দিশা। বিবেকের ছায়াবাণীতে প্রতিফলিত হচ্ছে সেই পাপের প্রতিচ্ছবি, যা আত্মার গভীরে আঘাত করছে এক অজানা শিকলে বন্দি দানবের মতো।
এই পাপ এমন — যা পানিতে ধোয়া যায় না, অগ্নিতে পোড়ানো যায় না, এমনকি কোনো কিছুর মাঝে আবদ্ধ রাখাও যায় না। পাপের প্রায়শ্চিত্ত কত ভয়াবহ হতে পারে, তার নিরূপণও যেন অসম্ভব। অনেকে ভাবেন, তওবা করে ফিরে আসলে পাপমুক্ত জীবন গড়া সম্ভব; কিন্তু বিবেক অন্ধ সমাজে সেই সুযোগও ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে।
জীবনের চারপাশে প্রয়োজনীয় সবকিছু আজ পাপের ছায়ায় বেষ্টিত। মনুষ্যত্বহীন, শিক্ষিত পথভ্রষ্ট ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড মানবজাতিকে বিভ্রান্ত করছে প্রতিনিয়ত।
এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে দরকার পবিত্র চোখের বিবেকজ্যোতি — যে জ্যোতি সত্যকে দেখবে, অশুদ্ধতাকে পরিত্যাগ করবে।
কিন্তু আজকের প্রজন্ম সেই জ্যোতির পরিবর্তে অন্ধকারকে বেছে নিয়েছে। তারা নিজেরাই হয়ে উঠেছে পাপের ধারক ও বাহক।
বিবেকহীন শিক্ষা ব্যবস্থায় মানুষ এখন আর দেখতে পায় না প্রকৃতির আয়নায় প্রতিফলিত নিজের ভুল ও পাপ।
অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা — এই মৌলিক চাহিদাগুলোর প্রতিটিতেই নৈতিকতার অভাব স্পষ্ট। খাদ্যে নেই শুকরিয়া, বস্ত্রে নেই পরিছন্নতার পবিত্রতা, বাসস্থানে নেই শান্তির রহমত, চিকিৎসায় নেই স্বস্তির প্রশান্তি।
ফলে সৃষ্টি হয়েছে এক বিভ্রান্ত সমাজ — যেখানে কোটি কোটি মানুষ দিকহীনভাবে ছুটছে এক উদ্দেশ্যহীন গন্তব্যের দিকে। তাদের জীবনে নেই লক্ষ্য, নেই মন্তব্য, নেই সৃষ্টির উদ্দেশ্য উপলব্ধি।
এই নিঃসঙ্গ, নিরব, নিস্তব্ধ পথিকরা যেন এক অজানা রহস্যের সন্ধান করছে — বুঝে উঠতে পারছে না স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে দূরত্ব কতটা, নাকি কতটা নিকটের স্পর্শ অনুভব সম্ভব।
মানবচিন্তার এই পতন আজ প্রকৃতির জাগতিক স্বত্তাকেও হতবাক করে দিয়েছে।
চিন্তা ও চেতনায় অন্ধ ভূমিকা নিয়ে মানুষ আজ অমানবিক শিক্ষা ব্যবস্থার শিকার। সেই শিক্ষা শিশুকে শিশু থাকতে দেয় না, যুবককে পথ দেখায় না, বৃদ্ধকে জ্ঞান দেয় না — বরং ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয় পুরো জাতিকে।
জ্ঞান প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা বোঝে কেবল জ্ঞানী; কিন্তু অজ্ঞরা নিমজ্জিত অন্ধকারে।
ইবলিশ রচিত পাণ্ডিত্যপূর্ণ ভণ্ড জ্ঞানের ধারকরা আজ মহাপণ্ডিতের দাবিদার, আর স্রষ্টার নির্দেশিত পথে চলা পবিত্র মানুষরা আজ উপেক্ষিত।
এ যেন আকাশ-জমিনের ব্যবধানের মতো — স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে থাকা অদৃশ্য দূরত্বের প্রতিচ্ছবি।
তাই এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেয়ার — আমরা কি বিবেকের সৈনিক হয়ে মানবিক জীবন গড়ব, নাকি ইবলিশের রচিত পাপের সাম্রাজ্যে সুখ ও বিলাসের মোহে ডুবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ধ্বংসের মহাযজ্ঞ ছড়িয়ে দেব?