ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ফরিদপুর কাদিরদী বাজারে অগ্নিকাণ্ড,  ১৭টি দোকান পুড়ে ছাই, প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতি

#
news image

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ১৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে মোল্ল্যা ফার্মেসী, সেলিম মেম্বারের টেইলার্স, আজিজ  মোহাম্মদের  পেঁয়াজ বীজের দোকান, নাছির টেইলার্স, আর এফ এল ফার্নিচার, সুমন স্টোর, স্টিলের আসবাবপত্র দোকান, রেস্টুরেন্ট, হাই মৃধার চায়ের দোকান,  ঔষধের দোকান, কাচামালের দোকান, বইখাতার দোকান ও মিলি সুজ সহ মোট ১১ টা দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। 

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদী মাছ বাজার সংলগ্ন বাচ্চু মোল্যার মার্কেটের নাসির দর্জির দোকান হতে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটেছে। আগুনে বাচ্চু মোল্যার মার্কেট, আজিজ মোল্যার মার্কেটসহ ৪টি মার্কেটের মনোহরি দোকান, ওষুধ, টেইলার্স, বীজ ভাণ্ডার, জুতার দোকান, রেস্টুরেন্টসহ অন্তত ১৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। 
খবর পেয়ে এলাকাবাসী, মধুখালী ও বোয়ালমারীর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।
তবে বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আগুন লাগার এক ঘণ্টা পর প্রথমে মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও পরে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মনির হোসেন জানান, বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে চলে যাওয়ায় বাজারে পাহারাদার ছাড়া বেশি লোকজন ছিল না। আগুনের শোরগোল শুনে বাড়ি থেকে দৌড়ে গিয়ে দেখি কয়েকটি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। পাশে আমারও কয়েকটি দোকান রয়েছে। তবে আমার দোকানের ক্ষয়ক্ষতি হতে আল্লাহ রক্ষা করেছেন।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বুলবুল হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে নাসির দর্জির দোকান হতে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনে সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খবর পাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে আসে। তারপরও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন না আসলে বাজারের অনেকাংশই পুড়ে যেত।
বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের লিডার খালেক শেখ জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছিল। আমরা আসার পরে একসঙ্গে দুই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় এক ঘণ্টা চেষ্টার ফলে আগুন নেভাতে সক্ষম হই।  শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ রাশেদুল আলম বলেন, আগুনে ১৩টি দোকান একেবারে পুড়ে গেছে। এক ঘণ্টার আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়, তবে অভিযান সম্পূর্ণ করতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো পরে জানাতে পারবেন বলে জানান তিনি।

ফরিদপুর প্রতিনিধি :

১৯ অক্টোবর, ২০২৫,  6:48 PM

news image

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ১৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে মোল্ল্যা ফার্মেসী, সেলিম মেম্বারের টেইলার্স, আজিজ  মোহাম্মদের  পেঁয়াজ বীজের দোকান, নাছির টেইলার্স, আর এফ এল ফার্নিচার, সুমন স্টোর, স্টিলের আসবাবপত্র দোকান, রেস্টুরেন্ট, হাই মৃধার চায়ের দোকান,  ঔষধের দোকান, কাচামালের দোকান, বইখাতার দোকান ও মিলি সুজ সহ মোট ১১ টা দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। 

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদী মাছ বাজার সংলগ্ন বাচ্চু মোল্যার মার্কেটের নাসির দর্জির দোকান হতে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটেছে। আগুনে বাচ্চু মোল্যার মার্কেট, আজিজ মোল্যার মার্কেটসহ ৪টি মার্কেটের মনোহরি দোকান, ওষুধ, টেইলার্স, বীজ ভাণ্ডার, জুতার দোকান, রেস্টুরেন্টসহ অন্তত ১৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। 
খবর পেয়ে এলাকাবাসী, মধুখালী ও বোয়ালমারীর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।
তবে বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আগুন লাগার এক ঘণ্টা পর প্রথমে মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও পরে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মনির হোসেন জানান, বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে চলে যাওয়ায় বাজারে পাহারাদার ছাড়া বেশি লোকজন ছিল না। আগুনের শোরগোল শুনে বাড়ি থেকে দৌড়ে গিয়ে দেখি কয়েকটি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। পাশে আমারও কয়েকটি দোকান রয়েছে। তবে আমার দোকানের ক্ষয়ক্ষতি হতে আল্লাহ রক্ষা করেছেন।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বুলবুল হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে নাসির দর্জির দোকান হতে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনে সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খবর পাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে আসে। তারপরও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন না আসলে বাজারের অনেকাংশই পুড়ে যেত।
বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের লিডার খালেক শেখ জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছিল। আমরা আসার পরে একসঙ্গে দুই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় এক ঘণ্টা চেষ্টার ফলে আগুন নেভাতে সক্ষম হই।  শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ রাশেদুল আলম বলেন, আগুনে ১৩টি দোকান একেবারে পুড়ে গেছে। এক ঘণ্টার আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়, তবে অভিযান সম্পূর্ণ করতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো পরে জানাতে পারবেন বলে জানান তিনি।