ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

খোলা আকাঁশের নিচে নরসুন্দর (নাপিত) কাজ করে সংসার চলায়

#
news image

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত পাড়ার বাসিন্দার মৃত্যু নকুল চন্দ্র শীলের ছেলে ধীরেন চন্দ্র শীল (৪২) তিনি ২৫ বছর ধরে গ্রাম গঞ্জে নরসুন্দর (নাপিত) এর কাজ করেন। তিনি শত কষ্টকে বুকে ধারন করে দীর্ঘ দিন ধরে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।


বর্তমানে তিনি টেংগনমারীহাটে ভূমি অফিসের মাঠে চুল দাঁড়ি কাটেন। বর্তমানে সে খোলা আকাঁশের নিচে জীবন চলার জন্য এ কাজ করছেন।


সোমবার দুপুরে তার সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি ২৫ বছর ধরে এই কাজ করি। আর আমার কোন স্থায়ী দোকান ঘর নেই। তবে গ্রামের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় কাজ করি। শুধু তাই নয় আমি টেংগনমারী ভুমি অফিসের মাঠে খোলা আকাঁশের নিচে টুলে ও পিরেতে বসে মানুষের চুল দাঁড়ি কেটে দেই। এ কাজ করে আমি দিনে ২ শত থেকে ৩ শত টাকা পাই। এ দিয়ে কোন রকম আমার সংসার চলে।


তার পরিবারের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার পরিবারের আমি ও আমার স্ত্রীসহ ৬ জন রয়েছি। আমার বড় মেয়ে ১০ ম শ্রেনীতে আর একজন ৫ ম শ্রেনীতে পড়ালেখা করে ও দুই ছেলে রয়েছে তারা ছোট। তবে সন্তানদের পড়ালেখা খরচ যোগাতে আমার খুবেই কষ্ট হয়। তার পড়েও আমি তাদের পড়াচ্ছি। আমার কোন আবাদি জমি জায়গা নেই। তবে আমার ৩ শতক জমি রয়েছে এতে ঘর বাড়ি করে রয়েছি।
তিনি অশ্রুশিক্ত কন্ঠে বলেন, আমি দেখেছি অনেকে দান অনুদানসহ অনেক কিছু পায়। তবে আমি কোন দিন কারও কাছ থেকে কোন কিছু পাইনি। যদি পেতাম তাহলে কিছুটা হলেও উপকৃত হতাম।

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী :

১০ ডিসেম্বর, ২০২৪,  1:44 AM

news image

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত পাড়ার বাসিন্দার মৃত্যু নকুল চন্দ্র শীলের ছেলে ধীরেন চন্দ্র শীল (৪২) তিনি ২৫ বছর ধরে গ্রাম গঞ্জে নরসুন্দর (নাপিত) এর কাজ করেন। তিনি শত কষ্টকে বুকে ধারন করে দীর্ঘ দিন ধরে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।


বর্তমানে তিনি টেংগনমারীহাটে ভূমি অফিসের মাঠে চুল দাঁড়ি কাটেন। বর্তমানে সে খোলা আকাঁশের নিচে জীবন চলার জন্য এ কাজ করছেন।


সোমবার দুপুরে তার সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি ২৫ বছর ধরে এই কাজ করি। আর আমার কোন স্থায়ী দোকান ঘর নেই। তবে গ্রামের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় কাজ করি। শুধু তাই নয় আমি টেংগনমারী ভুমি অফিসের মাঠে খোলা আকাঁশের নিচে টুলে ও পিরেতে বসে মানুষের চুল দাঁড়ি কেটে দেই। এ কাজ করে আমি দিনে ২ শত থেকে ৩ শত টাকা পাই। এ দিয়ে কোন রকম আমার সংসার চলে।


তার পরিবারের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার পরিবারের আমি ও আমার স্ত্রীসহ ৬ জন রয়েছি। আমার বড় মেয়ে ১০ ম শ্রেনীতে আর একজন ৫ ম শ্রেনীতে পড়ালেখা করে ও দুই ছেলে রয়েছে তারা ছোট। তবে সন্তানদের পড়ালেখা খরচ যোগাতে আমার খুবেই কষ্ট হয়। তার পড়েও আমি তাদের পড়াচ্ছি। আমার কোন আবাদি জমি জায়গা নেই। তবে আমার ৩ শতক জমি রয়েছে এতে ঘর বাড়ি করে রয়েছি।
তিনি অশ্রুশিক্ত কন্ঠে বলেন, আমি দেখেছি অনেকে দান অনুদানসহ অনেক কিছু পায়। তবে আমি কোন দিন কারও কাছ থেকে কোন কিছু পাইনি। যদি পেতাম তাহলে কিছুটা হলেও উপকৃত হতাম।