ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ডিমলায় বন্যাকবলিত মানুষের পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ড: শুরু ভাঙনরোধ কাজ

#
news image

উজানের ঢলে নেমে আসা ভারি বর্ষণে নীলফামারীর উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। ফসলি জমি, গবাদি পশু ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে দুঃখ-কষ্টে দিন কাটাচ্ছিল কয়েক হাজার পরিবার। অবশেষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে শুরু হয়েছে নদীভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজ। এতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।

বিশেষ করে খালিশা চাপানী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সুপরিটারি গ্রাম এবং ডালিয়া বাইশপুকুর এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ছিল ভয়াবহ। স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষ জানান—তাদের বসতভিটা, আবাদি জমি ও গবাদি পশু হারিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্যোগে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় জরুরি বাঁধ নির্মাণ শুরু হওয়ায় তারা সাময়িকভাবে হলেও উপকৃত হচ্ছেন।

খালিশা চাপানী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য তফেল উদ্দিন, সুরাই বেগম ও নাসিমা আক্তার বলেন, “এখন সাময়িক স্বস্তি মিললেও স্থায়ী বাঁধ ছাড়া আমাদের জানমাল রক্ষা সম্ভব নয়। বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আমরা ক্লান্ত।”

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী হাশেম আলী বলেন, “উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে জরুরি কাজ শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।”

স্থানীয়রা আশা করছেন—এ উদ্যোগ সাময়িক স্বস্তি দিলেও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবন ও জীবিকা টিকিয়ে রাখতে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

নীলফামারী প্রতিনিধি :

১৯ আগস্ট, ২০২৫,  12:18 AM

news image

উজানের ঢলে নেমে আসা ভারি বর্ষণে নীলফামারীর উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। ফসলি জমি, গবাদি পশু ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে দুঃখ-কষ্টে দিন কাটাচ্ছিল কয়েক হাজার পরিবার। অবশেষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে শুরু হয়েছে নদীভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজ। এতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।

বিশেষ করে খালিশা চাপানী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সুপরিটারি গ্রাম এবং ডালিয়া বাইশপুকুর এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ছিল ভয়াবহ। স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষ জানান—তাদের বসতভিটা, আবাদি জমি ও গবাদি পশু হারিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্যোগে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় জরুরি বাঁধ নির্মাণ শুরু হওয়ায় তারা সাময়িকভাবে হলেও উপকৃত হচ্ছেন।

খালিশা চাপানী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য তফেল উদ্দিন, সুরাই বেগম ও নাসিমা আক্তার বলেন, “এখন সাময়িক স্বস্তি মিললেও স্থায়ী বাঁধ ছাড়া আমাদের জানমাল রক্ষা সম্ভব নয়। বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আমরা ক্লান্ত।”

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী হাশেম আলী বলেন, “উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে জরুরি কাজ শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।”

স্থানীয়রা আশা করছেন—এ উদ্যোগ সাময়িক স্বস্তি দিলেও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবন ও জীবিকা টিকিয়ে রাখতে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।