ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ফটিকছড়ির মাইজভান্ডারে পুকুরে ডুবে কিশোরগঞ্জের বাবলার মৃত্যু

#
news image

বাবার সঙ্গে জিয়ারত করতে মাইজভান্ডারে এসে চির বিদায় নিলো জাহিদ হাসান বাবলা নামে এক কিশোর। 
 
১৭ আগস্ট দুপুরে মাইজভান্ডার দরবার শরীফের বড় রওজার সামনের পুকুরে গোসল করতে গিয়ে সে, প্রাণ হারায়। নিহত বাবলা কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানার আড়ালিয়া গ্রামের তুহিন মিয়ার ছোট ছেলে।
 
নিহতের বাবা তুহিন মিয়া জানান, আমি আর বাবলা একসাথে পুকুরে গোসল করছিলাম। তাকে বলেছিলাম তার মাকে ডাকতে। ভেবেছিলাম মা’কে ডাকতে গেছে। আমাদের চারপাশে অনেক মানুষ ছিল, কিন্তু কেউ কিছু টের পায়নি। অনেক খোঁজা-খুঁজির পর হঠাৎ তাকে পুকুরেই পাওয়া যায়। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলেও ডাক্তার জানিয়ে দেন, আমার বাবলা আর বেঁচে নেই।
 
ক্ষণিকের ভুল ও অসাবধানতার কারণেই নিভে গেল তেরো বছরের এক কিশোরের প্রাণ। বাবা-মায়ের চোখের সামনে সন্তান হারানোর শোক যে কতটা গভীর তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
 
এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানার ওসি নুর আহমেদ বলেন, বাবলা তার পরিবারের সঙ্গে মাইজভান্ডারে ওরশ শরীফে এসেছিল। সে সাঁতার জানত না। কীভাবে পানিতে পড়েছে, পরিবারের কেউই বুঝতে পারেনি। পরিবার এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ করেনি এবং তারা মরদেহ নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে গেছেন।

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

১৮ আগস্ট, ২০২৫,  9:33 PM

news image

বাবার সঙ্গে জিয়ারত করতে মাইজভান্ডারে এসে চির বিদায় নিলো জাহিদ হাসান বাবলা নামে এক কিশোর। 
 
১৭ আগস্ট দুপুরে মাইজভান্ডার দরবার শরীফের বড় রওজার সামনের পুকুরে গোসল করতে গিয়ে সে, প্রাণ হারায়। নিহত বাবলা কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানার আড়ালিয়া গ্রামের তুহিন মিয়ার ছোট ছেলে।
 
নিহতের বাবা তুহিন মিয়া জানান, আমি আর বাবলা একসাথে পুকুরে গোসল করছিলাম। তাকে বলেছিলাম তার মাকে ডাকতে। ভেবেছিলাম মা’কে ডাকতে গেছে। আমাদের চারপাশে অনেক মানুষ ছিল, কিন্তু কেউ কিছু টের পায়নি। অনেক খোঁজা-খুঁজির পর হঠাৎ তাকে পুকুরেই পাওয়া যায়। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলেও ডাক্তার জানিয়ে দেন, আমার বাবলা আর বেঁচে নেই।
 
ক্ষণিকের ভুল ও অসাবধানতার কারণেই নিভে গেল তেরো বছরের এক কিশোরের প্রাণ। বাবা-মায়ের চোখের সামনে সন্তান হারানোর শোক যে কতটা গভীর তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
 
এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানার ওসি নুর আহমেদ বলেন, বাবলা তার পরিবারের সঙ্গে মাইজভান্ডারে ওরশ শরীফে এসেছিল। সে সাঁতার জানত না। কীভাবে পানিতে পড়েছে, পরিবারের কেউই বুঝতে পারেনি। পরিবার এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ করেনি এবং তারা মরদেহ নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে গেছেন।