ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কক্সবাজারে জুলাই শহীদদের কবর সংরক্ষণের উদ্যোগ

#
news image

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের কবর সংরক্ষণ ও বাঁধাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে কক্সবাজার জেলা পরিষদ।

শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে সংরক্ষণ এবং তা আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থানে কক্সবাজার জেলায় শহীদ হয়েছেন চারজন। তারা হলেন, জেলার পেকুয়া উপজেলায় মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরাম, চকরিয়া উপজেলায় আহসান হাবিব, মহেশখালী উপজেলায় তানভির সিদ্দিকী ও ঈদগাহ উপজেলায় নুরুল আমিন।

এ চার শহীদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে সংরক্ষণ ও আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে তাদের পারিবারিক গোরস্থানে কবর সংরক্ষণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে জেলা পরিষদ। 

ইতোমধ্যে শহীদদের কবর বাঁধাই, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিচর্যার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি কবরস্থানে সংরক্ষিত তথ্য ফলকও স্থাপন করা হচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা শহীদদের নাম, অবদান ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট জানতে পারেন।

কক্সবাজার জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন বলেন, সারা দেশের মতো কক্সবাজারেও চারজন শহীদের কবর একই নকশায় নির্মাণ করা হচ্ছে। কবরের উপরে ব্যবহার করা হচ্ছে সিরামিক ব্রিকস। লাগানো হবে ইতালিয়ান মারবেল স্টোন দিয়ে তৈরি ফলক। শহীদ পরিবারের সাথে কথা বলে এ কবরগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে।  

এছাড়া শহীদের সংশ্লিষ্ট স্কুলে নির্মাণ করা হচ্ছে ফলক। রোপন করা হবে কৃষ্ণচূড়া গাছ। আশাকরি ২/১ দিনের মধ্যে কবর সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন হবে।

প্রকৌশলী সাইফুদ্দিন বলেন, চার শহীদের কবর সংরক্ষণে প্রাথমিকভাবে ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরো টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।

শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা শফিউল আলম বলেন, চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের কবর সংরক্ষণে সরকারের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারের এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখবে।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-মারুফ বলেন, আমাদের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে শহীদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই উদ্যোগ কেবল শ্রদ্ধা জানানো নয়, এই ইতিহাসকে সজীব রাখার একটি প্রয়াস।

এদিকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের একবছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আমার চোখে জুলাই বিপ্লব’ শিরোনামে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে কক্সবাজার জেলা পরিষদ। এর মধ্যে রয়েছে বৃক্ষরোপণ, কাব্যনাট্য মঞ্চায়ন, সৃজনশীল সংক্ষিপ্ত নাটিকা।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৩ আগস্ট, ২০২৫,  7:51 PM

news image

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের কবর সংরক্ষণ ও বাঁধাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে কক্সবাজার জেলা পরিষদ।

শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে সংরক্ষণ এবং তা আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থানে কক্সবাজার জেলায় শহীদ হয়েছেন চারজন। তারা হলেন, জেলার পেকুয়া উপজেলায় মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরাম, চকরিয়া উপজেলায় আহসান হাবিব, মহেশখালী উপজেলায় তানভির সিদ্দিকী ও ঈদগাহ উপজেলায় নুরুল আমিন।

এ চার শহীদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে সংরক্ষণ ও আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে তাদের পারিবারিক গোরস্থানে কবর সংরক্ষণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে জেলা পরিষদ। 

ইতোমধ্যে শহীদদের কবর বাঁধাই, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিচর্যার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি কবরস্থানে সংরক্ষিত তথ্য ফলকও স্থাপন করা হচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা শহীদদের নাম, অবদান ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট জানতে পারেন।

কক্সবাজার জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন বলেন, সারা দেশের মতো কক্সবাজারেও চারজন শহীদের কবর একই নকশায় নির্মাণ করা হচ্ছে। কবরের উপরে ব্যবহার করা হচ্ছে সিরামিক ব্রিকস। লাগানো হবে ইতালিয়ান মারবেল স্টোন দিয়ে তৈরি ফলক। শহীদ পরিবারের সাথে কথা বলে এ কবরগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে।  

এছাড়া শহীদের সংশ্লিষ্ট স্কুলে নির্মাণ করা হচ্ছে ফলক। রোপন করা হবে কৃষ্ণচূড়া গাছ। আশাকরি ২/১ দিনের মধ্যে কবর সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন হবে।

প্রকৌশলী সাইফুদ্দিন বলেন, চার শহীদের কবর সংরক্ষণে প্রাথমিকভাবে ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরো টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।

শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা শফিউল আলম বলেন, চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের কবর সংরক্ষণে সরকারের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারের এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখবে।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-মারুফ বলেন, আমাদের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে শহীদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই উদ্যোগ কেবল শ্রদ্ধা জানানো নয়, এই ইতিহাসকে সজীব রাখার একটি প্রয়াস।

এদিকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের একবছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আমার চোখে জুলাই বিপ্লব’ শিরোনামে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে কক্সবাজার জেলা পরিষদ। এর মধ্যে রয়েছে বৃক্ষরোপণ, কাব্যনাট্য মঞ্চায়ন, সৃজনশীল সংক্ষিপ্ত নাটিকা।