ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ফেসবুকে পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট

#
news image

ফেসবুকে পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, সম্প্রতি মব সৃষ্টি করায় সেনাবাহিনী কর্তৃক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মারধরের দাবিটি মিথ্যা এবং একই দাবিতে ফেসবুকে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার।

বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা মব সৃষ্টি করতে গেলে সেনাবাহিনী তাদের মারধর করেছে দাবিতে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ব্রিজের ওপর সেনাবাহিনীর পোশাক পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি একদল যুবককে শাস্তি দিচ্ছেন।

যাচাই করে বাংলাফ্যাক্ট দেখেছে, ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার। এর সঙ্গে সেনাবাহিনী কর্তৃক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মারধরের কোনো সম্পর্ক নেই। দাবিটি যাচাইয়ে ভিডিওটি থেকে কিছু স্থিরচিত্র নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ABIDUR ISLAM SHAJIB নামের ইউটিউব চ্যানেলে ২০২১ সালের ১ জুলাইয়ে প্রকাশিত একই ভিডিও পাওয়া যায়। 

ভিডিওর শিরোনামে উল্লেখ রয়েছে, এটি ২০২১ সালে কোভিড-১৯ চলাকালীন ঘটনা। সেসময় বাইরে বের হওয়ায় সেনাবাহিনী ওই ব্যক্তিদের শাস্তি দেয়। একই তারিখে প্রকাশিত উক্ত তথ্য সম্বলিত ভিডিও বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেলেও পাওয়া যায়।

অপরদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে। আর জুলাই আন্দোলনের অন্তত তিন বছর আগে থেকেই ভিডিওটি ইন্টারনেটে প্রচার হয়ে আসছে। ফলে সমন্বয়কদের সঙ্গে এই ভিডিওর কোনো সম্পর্ক নেই। তাছাড়া, গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো বিশ্বস্ত সূত্রেও সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনী কর্তৃক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মারধরের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১১ জুলাই, ২০২৫,  8:53 PM

news image

ফেসবুকে পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, সম্প্রতি মব সৃষ্টি করায় সেনাবাহিনী কর্তৃক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মারধরের দাবিটি মিথ্যা এবং একই দাবিতে ফেসবুকে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার।

বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা মব সৃষ্টি করতে গেলে সেনাবাহিনী তাদের মারধর করেছে দাবিতে একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ব্রিজের ওপর সেনাবাহিনীর পোশাক পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি একদল যুবককে শাস্তি দিচ্ছেন।

যাচাই করে বাংলাফ্যাক্ট দেখেছে, ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার। এর সঙ্গে সেনাবাহিনী কর্তৃক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মারধরের কোনো সম্পর্ক নেই। দাবিটি যাচাইয়ে ভিডিওটি থেকে কিছু স্থিরচিত্র নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ABIDUR ISLAM SHAJIB নামের ইউটিউব চ্যানেলে ২০২১ সালের ১ জুলাইয়ে প্রকাশিত একই ভিডিও পাওয়া যায়। 

ভিডিওর শিরোনামে উল্লেখ রয়েছে, এটি ২০২১ সালে কোভিড-১৯ চলাকালীন ঘটনা। সেসময় বাইরে বের হওয়ায় সেনাবাহিনী ওই ব্যক্তিদের শাস্তি দেয়। একই তারিখে প্রকাশিত উক্ত তথ্য সম্বলিত ভিডিও বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেলেও পাওয়া যায়।

অপরদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে। আর জুলাই আন্দোলনের অন্তত তিন বছর আগে থেকেই ভিডিওটি ইন্টারনেটে প্রচার হয়ে আসছে। ফলে সমন্বয়কদের সঙ্গে এই ভিডিওর কোনো সম্পর্ক নেই। তাছাড়া, গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো বিশ্বস্ত সূত্রেও সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনী কর্তৃক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মারধরের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।