ঢাকা ১১ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

বিদ্যুৎ বিভাগে অন্ধকার অধ্যায়: সাবেক নেসকো এমডির দুর্নীতি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে দুদক

#
news image

নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির অভিযোগে আবারও আলোচনায়। সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী জাকিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার সঙ্গে জড়িত আরও তিনজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কার্যক্রমও তদন্তের আওতায় এসেছে।
 
দুদকের উপপরিচালক মো. সোহানুর রহমানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি টিম ইতিমধ্যে নেসকোর কাছে বিপুলসংখ্যক নথিপত্র চেয়ে পাঠিয়েছে চিঠি। এতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়ম এবং বিভিন্ন খাতে অর্থ অপচয়ের বিষয়গুলোতে।
 
নেসকোর একাধিক সূত্র জানায়, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত জাকিউল ইসলাম তার মেয়াদে "সেটআপ" নিয়োগের নামে বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায় করেন। এসব প্রক্রিয়ায় মেধা ও নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রভাবশালী প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
 
দুদকের চিঠি অনুযায়ী, জাকিউল ইসলামের আমলে প্রকৌশলী নিয়োগের সব নথি, তদন্ত প্রতিবেদন, ডিপিসি কমিটির সুপারিশ, নিয়োগ নীতিমালা ও পরিচালনা পর্ষদের সভার কার্যবিবরণী জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া তার সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ সফরের খরচ, টিএ-ডিএ, সিএসআর খাতে সোলার প্যানেল স্থাপন, বিজ্ঞাপন ও সভা-সমাবেশ সংক্রান্ত খরচ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিশন।
 
তবে এ পর্যন্ত কোনো নথি দুদকে জমা দিতে পারেনি নেসকো কর্তৃপক্ষ। দায়িত্বপ্রাপ্ত এমডি অঞ্জনা খান মজলিশকে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নির্বাহী পরিচালক (মানবসম্পদ) মো. সাইফুর রহমান জানান, “১০ বছরের পুরনো নথি খুঁজে বের করতে সময় লাগছে। আগামী সপ্তাহে সব জমা দেওয়া হবে।”
 
নেসকোর ভেতরের কর্মকর্তারা জানান, সাবেক এমডির সময়ের অনিয়মের দায় এখনও প্রতিষ্ঠানকে বইতে হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, উচ্চপর্যায়ের ছত্রছায়ায় জাকিউল ইসলাম প্রতিষ্ঠানটিকে ‘দুর্নীতির অভয়ারণ্যে’ পরিণত করেছিলেন।
 
সাবেক এমডি জাকিউল ইসলামের মন্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
দুদকের এক সূত্র জানিয়েছে, নথি ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খন্দকার মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ : 

১০ জুলাই, ২০২৫,  9:02 PM

news image

নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির অভিযোগে আবারও আলোচনায়। সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী জাকিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার সঙ্গে জড়িত আরও তিনজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কার্যক্রমও তদন্তের আওতায় এসেছে।
 
দুদকের উপপরিচালক মো. সোহানুর রহমানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি টিম ইতিমধ্যে নেসকোর কাছে বিপুলসংখ্যক নথিপত্র চেয়ে পাঠিয়েছে চিঠি। এতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়ম এবং বিভিন্ন খাতে অর্থ অপচয়ের বিষয়গুলোতে।
 
নেসকোর একাধিক সূত্র জানায়, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত জাকিউল ইসলাম তার মেয়াদে "সেটআপ" নিয়োগের নামে বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায় করেন। এসব প্রক্রিয়ায় মেধা ও নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রভাবশালী প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
 
দুদকের চিঠি অনুযায়ী, জাকিউল ইসলামের আমলে প্রকৌশলী নিয়োগের সব নথি, তদন্ত প্রতিবেদন, ডিপিসি কমিটির সুপারিশ, নিয়োগ নীতিমালা ও পরিচালনা পর্ষদের সভার কার্যবিবরণী জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া তার সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ সফরের খরচ, টিএ-ডিএ, সিএসআর খাতে সোলার প্যানেল স্থাপন, বিজ্ঞাপন ও সভা-সমাবেশ সংক্রান্ত খরচ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিশন।
 
তবে এ পর্যন্ত কোনো নথি দুদকে জমা দিতে পারেনি নেসকো কর্তৃপক্ষ। দায়িত্বপ্রাপ্ত এমডি অঞ্জনা খান মজলিশকে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নির্বাহী পরিচালক (মানবসম্পদ) মো. সাইফুর রহমান জানান, “১০ বছরের পুরনো নথি খুঁজে বের করতে সময় লাগছে। আগামী সপ্তাহে সব জমা দেওয়া হবে।”
 
নেসকোর ভেতরের কর্মকর্তারা জানান, সাবেক এমডির সময়ের অনিয়মের দায় এখনও প্রতিষ্ঠানকে বইতে হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, উচ্চপর্যায়ের ছত্রছায়ায় জাকিউল ইসলাম প্রতিষ্ঠানটিকে ‘দুর্নীতির অভয়ারণ্যে’ পরিণত করেছিলেন।
 
সাবেক এমডি জাকিউল ইসলামের মন্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
দুদকের এক সূত্র জানিয়েছে, নথি ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।