ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

সাংবাদিকদের সর্বদা সত্যের পক্ষে কথা বলতে হবে : ডা. জাহিদ

#
news image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, সাংবাদিকদের কেউ কেউ শুধু প্রশংসা করতেই আগ্রহী হন, কিন্তু সমালোচনা করার সাহস দেখান না। পছন্দের সরকারের কেবল প্রশংসা করা, তাদের ভুল-ত্রুটি উপেক্ষা করে যাওয়া গণমাধ্যমের জন্য সঠিক কাজ নয়।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলতে হবে। সত্য ও জনগণের পাশে থাকলে মানুষ আপনাদের সব সময় মনে রাখবে।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ডিইউজে সভাপতি শহীদুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে ডা. জাহিদ বলেন, আলোচনার মাধ্যমে ১০টি চুক্তি সই হয়েছে, কিন্তু একজন সাংবাদিকও প্রশ্ন করতে সাহস করেননি- এই চুক্তিগুলো আসলে কী নিয়ে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে অনেক সাংবাদিক দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন, অনেকে চাকরি হারিয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। কিন্তু  তা সত্ত্বেও আপনারা এখনও টিকে আছেন, এটাই আপনাদের অর্জন। আজকের দিনে অঙ্গীকার হোক, সর্বদা সত্যের পক্ষে কথা বলার, ন্যায়ের পক্ষে থাকার।

বিএফইউজে’র মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সংবাদপত্র বন্ধ করে শেখ মুজিব গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছিলেন। তিনি জাতিকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শুধু দুটি সরকারি ও দুটি বেসরকারি দৈনিক ছাড়া দেশের সব পত্রিকা বন্ধ করে দেয়। যদিও পরে দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক অবজারভার— এই দুটি বেসরকারি পত্রিকার মালিকানাও সরকার নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এতে শত শত সাংবাদিক বেকার হয়ে পড়েন।

আলোচনায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন- জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক কালের কণ্ঠ সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, দ্য নিউ নেশনের সাবেক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, বিএফইউজে’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সহ-সভাপতি এ কে এম মহসিন ও খায়রুল বাশার, সহকারী মহাসচিব বাসির জামাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খন্দকার হাসনাত করিম পিন্টু, রাশেদুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১৬ জুন, ২০২৫,  7:32 PM

news image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, সাংবাদিকদের কেউ কেউ শুধু প্রশংসা করতেই আগ্রহী হন, কিন্তু সমালোচনা করার সাহস দেখান না। পছন্দের সরকারের কেবল প্রশংসা করা, তাদের ভুল-ত্রুটি উপেক্ষা করে যাওয়া গণমাধ্যমের জন্য সঠিক কাজ নয়।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলতে হবে। সত্য ও জনগণের পাশে থাকলে মানুষ আপনাদের সব সময় মনে রাখবে।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ডিইউজে সভাপতি শহীদুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে ডা. জাহিদ বলেন, আলোচনার মাধ্যমে ১০টি চুক্তি সই হয়েছে, কিন্তু একজন সাংবাদিকও প্রশ্ন করতে সাহস করেননি- এই চুক্তিগুলো আসলে কী নিয়ে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে অনেক সাংবাদিক দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন, অনেকে চাকরি হারিয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। কিন্তু  তা সত্ত্বেও আপনারা এখনও টিকে আছেন, এটাই আপনাদের অর্জন। আজকের দিনে অঙ্গীকার হোক, সর্বদা সত্যের পক্ষে কথা বলার, ন্যায়ের পক্ষে থাকার।

বিএফইউজে’র মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সংবাদপত্র বন্ধ করে শেখ মুজিব গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছিলেন। তিনি জাতিকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শুধু দুটি সরকারি ও দুটি বেসরকারি দৈনিক ছাড়া দেশের সব পত্রিকা বন্ধ করে দেয়। যদিও পরে দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক অবজারভার— এই দুটি বেসরকারি পত্রিকার মালিকানাও সরকার নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এতে শত শত সাংবাদিক বেকার হয়ে পড়েন।

আলোচনায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন- জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক কালের কণ্ঠ সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, দ্য নিউ নেশনের সাবেক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, বিএফইউজে’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সহ-সভাপতি এ কে এম মহসিন ও খায়রুল বাশার, সহকারী মহাসচিব বাসির জামাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খন্দকার হাসনাত করিম পিন্টু, রাশেদুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান।