ঢাকা ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতি সরঞ্জামসহ ৭ জন আটক ষাট গম্বুজ মসজিদসহ পুরাকীর্তি রক্ষায় উদ্যোগ চাইলেন এমপি রাহাদ সেই উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানের নোটিশ ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, গেজেট কাল বসুরহাটে ফয়জুন্নেছা আহমেদ ফাউন্ডেশনের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কোনাবাড়িতে মরহুম অধ্যাপক এম এ মান্নান স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত  বর্তমানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই : সালাহউদ্দিন আহমদ হেপাটাইটিস নির্মূলে বিশ্ব খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে: ডব্লিউএইচও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির অডিটে ৭২ হাজার ৩৪১ আয়কর রিটার্ন

পাহাড়ী কন্যা রাঙ্গামাটিতে বেড়েছে পর্যটকের আগমন

#
news image

প্রাকৃতিক সৌর্ন্দযের লীলাভূমি পাহাড়ী কন্যা পর্যটন শহর রাঙ্গামাটি এখন পর্যটকদের পদভারে মুখরিত।

মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলার পর্যটন কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে রাঙ্গামাটির প্রত্যেকটি বিনোদন কেন্দ্রে এখন পর্যটকের অনেক সমাগম ঘটেছে।

এছাড়া বর্ষা মৌসুমে রাঙ্গামাটির সুভলং ঝর্ণাও সেজেছে নতুনরুপে, চির যৌবনারুপে ফিরেছে সুভলংসহ অন্যান্য ছোট ছোট ঝর্ণাগুলো। সেখানেও দলবেধে পরিবার-পরিজন নিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পর্যটকরা।

ঈদ-উল-আযহা পরবর্তী লম্বা ছুটিতে ঈদ শেষে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পরিবার পরিজন পাহাড়ে আসতে শুরু করেছে পর্যটক। বর্তমানে হোটেল মোটেলসহ বিভিন্ন রিসোর্টে ৭০-৮০ ভাগই বর্তমানে বুকিং রয়েছে বলে জানিয়েছেন হোটেল মোটেল মালিকরা।

পাহাড়ের বিভিন্ন উপজেলাসহ জেলা সদরের প্রতিটি পর্যটন স্পটগুলোতে এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর।পরিবার পরিজন নিয়ে দেশী বিদেশী পর্যটকরা এখন পাহাড়ের নির্মল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন মনের আনন্দে। ঈদ পরবর্তী পাহাড়ে মানুষের আগমনে চাঙ্গা হয়ে উঠায় পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকলেই খুশি।

রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স ঘাটের বোট মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ রমজান আলী জানান, ঈদের পরদিন থেকে রাঙ্গামাটিতে আশানুরুপ পর্যটক আসতে শুরু করেছে। পর্যটক বেড়ে যাওয়ায়  পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকলেই খুশি বলে জানান তিনি।

রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ম্যানেজার আলোক বিকাশ চাকমা জানান, ঈদের পর থেকেই রাঙ্গামাটিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যটকরা পরিবার নিয়ে আসা শুরু করেছেন। বর্তমানে রাঙ্গামাটিতে আশানুরুপ পর্যটকরা অবস্থান করছেন। তিনি জানান, গত কয়েকদিনেই রাঙ্গামাটি পর্যটনের ঝুলন্ত সেতুতে কয়েক হাজার পর্যটক এসেছেন। বর্তমানে পর্যটন কমপ্লেক্সে আশানুরুপ রুমই বুকিং রয়েছে বলে জানান তিনি।

এছাড়া শহরের অন্যান্য হোটেল মোটেলে খবর নিয়ে দেখা গেছে সেখানেও পর্যটকদের ৭০ থেকে ৮০ভাগ রুমই  বুকিং রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে পর্যটকের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

স্থানীয় হোটেল হিল অ্যাম্বাসেডরের স্বত্তাধিকারী মোঃ সাইফুল ইসলাম নিকেল জানান, ঈদ পরবর্তী রাঙ্গামাটিতে পর্যটকদের আগমন অনেক বেড়েছে।বর্তমানে আমাদের হোটেলের বেশিরভাগ রুমই বুকিং রয়েছে। আশা করছি এবারে ঈদ পরবর্তী হোটেল-মোটেল ব্যবসা আমাদের অনেক ভালো যাবে।

জেলার পাশাপাশি অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন কটেজ ও রিসোর্টও রয়েছে পর্যটকের পদচারণায় মুখর। এদিকে জেলার কাপ্তাই উপজেলার রিসোর্ট নিসর্গ রিভার ভ্যালি অ্যান্ড পড হাউসের পরিচালক মোঃ নাছির উদ্দিন জানান, ঈদের টানা ছুটিতে নিসর্গ রিভার ভ্যালিতে পর্যটকে পরিপূর্ণ রয়েছে। এখানে ১৭টি কটেজ রয়েছে প্রত্যেকটি কটেজ ঈদের আগে থেকেই আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত পুরোপুরিভাবেই বুকিং আছে।

রাঙ্গামাটি ট্যুরিস্ট পুলিশ পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ান জানান, পাহাড়ে আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

তিনি জানান, রাঙ্গামাটির পর্যটন স্পট ছাড়াও কাপ্তাই লেকে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের নিরাপত্তায়ও রাঙ্গামাটি ট্যুরিস্ট পুলিশ সবসময় তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করছেন। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলাগুলোতেও বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের জন্য সার্বক্ষণিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।

রাঙ্গামাটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের বিনোদনের জন্য রয়েছে পর্যটনের ঝুলন্ত ব্রীজ, পুলিশ বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত সুখী নীলগঞ্জ ও পলওয়েল পার্ক , ডিসি বাংলো, নানিয়ার উপজেলার বুড়িঘাটের বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের স্মৃতিসৌধ, রাজবন বিহার, কাপ্তাই লেক, কাপ্তাই নৌবাহিনীর শহীদ মোয়াজ্জেম ঘাঁটি পরিচালিত লেক প্যারাডাইস, কাপ্তাই শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি অ্যান্ড পড হাউস, সুভলং ঝর্ণা, পেদাটিংটিং, টুকটুক ইকো ভিলেজ, বার্গী লেক, ডি-ভাইন রিসোর্ট, বেড়াইন্ন্যা, কাপ্তাই ৪১ বিজিবি পরিচালিত প্যানোরোমা জুম রেস্তোরাঁ, কাপ্তাই রিভার ভিউ পার্ক, সেনাবাহিনী পরিচালিত জীবতলি লেকশোর ও লেকভিউ আইল্যান্ড, ফ্লোটিং প্যারাডাইস, বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্র, সহ কাপ্তাই লেকের পাড়ে গড়ে উঠা বিভিন্ন পর্যটন স্পট। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে অভিভূত।

এছাড়া পর্যটকদের জন্য নতুন সংযুক্ত হয়েছে রাঙ্গামাটির সীমান্ত সড়ক এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত বিশাল পাহাড়ী এলাকা। জেলার রাজস্থলী উপজেলা হয়ে এই সীমান্ত সড়ক এলাকা যেতে হয়।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা রাঙ্গামাটি জেলার পর্যটন শিল্পের বিকাশে পরিকল্পিতভাবে সরকারীভাবে আরো নতুন নতুন পর্যটন স্পট গড়ে তোলাসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া গেলে পর্যটন খাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকেই অনেক রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি পার্বত্য জেলা দেশের একমাত্র পর্যটনের কেন্দ্র স্থল বলে মনে করেন ঘুরতে আসা পর্যটকরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১০ জুন, ২০২৫,  3:33 PM

news image

প্রাকৃতিক সৌর্ন্দযের লীলাভূমি পাহাড়ী কন্যা পর্যটন শহর রাঙ্গামাটি এখন পর্যটকদের পদভারে মুখরিত।

মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলার পর্যটন কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে রাঙ্গামাটির প্রত্যেকটি বিনোদন কেন্দ্রে এখন পর্যটকের অনেক সমাগম ঘটেছে।

এছাড়া বর্ষা মৌসুমে রাঙ্গামাটির সুভলং ঝর্ণাও সেজেছে নতুনরুপে, চির যৌবনারুপে ফিরেছে সুভলংসহ অন্যান্য ছোট ছোট ঝর্ণাগুলো। সেখানেও দলবেধে পরিবার-পরিজন নিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পর্যটকরা।

ঈদ-উল-আযহা পরবর্তী লম্বা ছুটিতে ঈদ শেষে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পরিবার পরিজন পাহাড়ে আসতে শুরু করেছে পর্যটক। বর্তমানে হোটেল মোটেলসহ বিভিন্ন রিসোর্টে ৭০-৮০ ভাগই বর্তমানে বুকিং রয়েছে বলে জানিয়েছেন হোটেল মোটেল মালিকরা।

পাহাড়ের বিভিন্ন উপজেলাসহ জেলা সদরের প্রতিটি পর্যটন স্পটগুলোতে এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর।পরিবার পরিজন নিয়ে দেশী বিদেশী পর্যটকরা এখন পাহাড়ের নির্মল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন মনের আনন্দে। ঈদ পরবর্তী পাহাড়ে মানুষের আগমনে চাঙ্গা হয়ে উঠায় পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকলেই খুশি।

রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স ঘাটের বোট মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ রমজান আলী জানান, ঈদের পরদিন থেকে রাঙ্গামাটিতে আশানুরুপ পর্যটক আসতে শুরু করেছে। পর্যটক বেড়ে যাওয়ায়  পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকলেই খুশি বলে জানান তিনি।

রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ম্যানেজার আলোক বিকাশ চাকমা জানান, ঈদের পর থেকেই রাঙ্গামাটিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যটকরা পরিবার নিয়ে আসা শুরু করেছেন। বর্তমানে রাঙ্গামাটিতে আশানুরুপ পর্যটকরা অবস্থান করছেন। তিনি জানান, গত কয়েকদিনেই রাঙ্গামাটি পর্যটনের ঝুলন্ত সেতুতে কয়েক হাজার পর্যটক এসেছেন। বর্তমানে পর্যটন কমপ্লেক্সে আশানুরুপ রুমই বুকিং রয়েছে বলে জানান তিনি।

এছাড়া শহরের অন্যান্য হোটেল মোটেলে খবর নিয়ে দেখা গেছে সেখানেও পর্যটকদের ৭০ থেকে ৮০ভাগ রুমই  বুকিং রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে পর্যটকের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

স্থানীয় হোটেল হিল অ্যাম্বাসেডরের স্বত্তাধিকারী মোঃ সাইফুল ইসলাম নিকেল জানান, ঈদ পরবর্তী রাঙ্গামাটিতে পর্যটকদের আগমন অনেক বেড়েছে।বর্তমানে আমাদের হোটেলের বেশিরভাগ রুমই বুকিং রয়েছে। আশা করছি এবারে ঈদ পরবর্তী হোটেল-মোটেল ব্যবসা আমাদের অনেক ভালো যাবে।

জেলার পাশাপাশি অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন কটেজ ও রিসোর্টও রয়েছে পর্যটকের পদচারণায় মুখর। এদিকে জেলার কাপ্তাই উপজেলার রিসোর্ট নিসর্গ রিভার ভ্যালি অ্যান্ড পড হাউসের পরিচালক মোঃ নাছির উদ্দিন জানান, ঈদের টানা ছুটিতে নিসর্গ রিভার ভ্যালিতে পর্যটকে পরিপূর্ণ রয়েছে। এখানে ১৭টি কটেজ রয়েছে প্রত্যেকটি কটেজ ঈদের আগে থেকেই আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত পুরোপুরিভাবেই বুকিং আছে।

রাঙ্গামাটি ট্যুরিস্ট পুলিশ পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ান জানান, পাহাড়ে আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

তিনি জানান, রাঙ্গামাটির পর্যটন স্পট ছাড়াও কাপ্তাই লেকে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের নিরাপত্তায়ও রাঙ্গামাটি ট্যুরিস্ট পুলিশ সবসময় তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করছেন। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলাগুলোতেও বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের জন্য সার্বক্ষণিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।

রাঙ্গামাটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের বিনোদনের জন্য রয়েছে পর্যটনের ঝুলন্ত ব্রীজ, পুলিশ বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত সুখী নীলগঞ্জ ও পলওয়েল পার্ক , ডিসি বাংলো, নানিয়ার উপজেলার বুড়িঘাটের বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের স্মৃতিসৌধ, রাজবন বিহার, কাপ্তাই লেক, কাপ্তাই নৌবাহিনীর শহীদ মোয়াজ্জেম ঘাঁটি পরিচালিত লেক প্যারাডাইস, কাপ্তাই শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি অ্যান্ড পড হাউস, সুভলং ঝর্ণা, পেদাটিংটিং, টুকটুক ইকো ভিলেজ, বার্গী লেক, ডি-ভাইন রিসোর্ট, বেড়াইন্ন্যা, কাপ্তাই ৪১ বিজিবি পরিচালিত প্যানোরোমা জুম রেস্তোরাঁ, কাপ্তাই রিভার ভিউ পার্ক, সেনাবাহিনী পরিচালিত জীবতলি লেকশোর ও লেকভিউ আইল্যান্ড, ফ্লোটিং প্যারাডাইস, বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্র, সহ কাপ্তাই লেকের পাড়ে গড়ে উঠা বিভিন্ন পর্যটন স্পট। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে অভিভূত।

এছাড়া পর্যটকদের জন্য নতুন সংযুক্ত হয়েছে রাঙ্গামাটির সীমান্ত সড়ক এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত বিশাল পাহাড়ী এলাকা। জেলার রাজস্থলী উপজেলা হয়ে এই সীমান্ত সড়ক এলাকা যেতে হয়।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা রাঙ্গামাটি জেলার পর্যটন শিল্পের বিকাশে পরিকল্পিতভাবে সরকারীভাবে আরো নতুন নতুন পর্যটন স্পট গড়ে তোলাসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া গেলে পর্যটন খাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকেই অনেক রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি পার্বত্য জেলা দেশের একমাত্র পর্যটনের কেন্দ্র স্থল বলে মনে করেন ঘুরতে আসা পর্যটকরা।