ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ফকিরহাটে টানা তীব্র তাপদাহে জীবন ওষ্ঠাগত

#
news image

বাগেরহাটের ফকিরহাটে চলমান তীব্র তাপদাহে মানুষের জীবনযাপন চরম দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছে খেটে খাওয়া মুটে মজুর শ্রেণির দরিদ্র মানুষ। রোববার দুপুরে এই উপজেলার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা শ্রমজীবী মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।

স্থানীয় কৃষক, ধান খেতে কাজ করা মজুর ও নির্মাণ শ্রমিকরা জানান, প্রচণ্ড গরমে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে, তবুও জীবিকার তাগিদে তারা বাধ্য হচ্ছেন মাঠে নামতে।  নির্মাণ শ্রমিক শাহ আলম বলেন, “গরমে মাথা ঘোরে, শরীর দুর্বল লাগে, কিন্তু কাজ না করলে খাব কী?”

তাপদাহের কারণে উপজেলার কৃষিকাজেও প্রভাব পড়েছে। বোরো মৌসুমে ধানের ফলন ভালো হলেও, মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেক কৃষক হিটস্ট্রোকের আশঙ্কায় ভুগছেন। বেশিরভাগ ধান কাটা হয়ে গেলেও চলছে মাড়াইয়ের কাজ। উপজেলার বাহিরদিয়া এলাকায় দিন চুক্তিতে ধান মাড়াইয়ের কাজ করছেন রাজশাহী থেকে আগত বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এদের একজন সরদার আলী বলেন, “পাঁচ দশ মিনিট রোদে থাকলেই চোখে অন্ধকার দেখি। মাথার উপর তীব্র রোদ, কোথাও কোন বাতাস নেই। তবু চুক্তি অনুযায়ী কাজ করতে হয়।”

পাগলা শ্যামনগর এলাকার মোস্তফা হাসানসহ একাধিক কৃষক জানান, তীব্র তাপদাহে কাজের জন্য শ্রমিকদের বেশি মজুরী দিতে হচ্ছে। এতে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

উপজেলার একাধিক ভ্যান চালকও একই পরিস্থিতির কথা বলেন। তবে অনেকেই জানান, কাজ না করলে উপার্জন বন্ধ হয়ে যাবে, তাই তারা বাধ্য হচ্ছেন ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন।  হাসপাতালেও তীব্র গরমে ডায়েরিয়ার রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে।  

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এই গরম আরো কিছুদিন থাকবে। ফলে চলমান তাপদাহে সকলকে পর্যাপ্ত পানি পান ও বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।”

মোঃ হাফিজুর রহমান, বাগেরহাট প্রতিনিধি :

১২ মে, ২০২৫,  7:09 AM

news image

বাগেরহাটের ফকিরহাটে চলমান তীব্র তাপদাহে মানুষের জীবনযাপন চরম দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছে খেটে খাওয়া মুটে মজুর শ্রেণির দরিদ্র মানুষ। রোববার দুপুরে এই উপজেলার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা শ্রমজীবী মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।

স্থানীয় কৃষক, ধান খেতে কাজ করা মজুর ও নির্মাণ শ্রমিকরা জানান, প্রচণ্ড গরমে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে, তবুও জীবিকার তাগিদে তারা বাধ্য হচ্ছেন মাঠে নামতে।  নির্মাণ শ্রমিক শাহ আলম বলেন, “গরমে মাথা ঘোরে, শরীর দুর্বল লাগে, কিন্তু কাজ না করলে খাব কী?”

তাপদাহের কারণে উপজেলার কৃষিকাজেও প্রভাব পড়েছে। বোরো মৌসুমে ধানের ফলন ভালো হলেও, মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেক কৃষক হিটস্ট্রোকের আশঙ্কায় ভুগছেন। বেশিরভাগ ধান কাটা হয়ে গেলেও চলছে মাড়াইয়ের কাজ। উপজেলার বাহিরদিয়া এলাকায় দিন চুক্তিতে ধান মাড়াইয়ের কাজ করছেন রাজশাহী থেকে আগত বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এদের একজন সরদার আলী বলেন, “পাঁচ দশ মিনিট রোদে থাকলেই চোখে অন্ধকার দেখি। মাথার উপর তীব্র রোদ, কোথাও কোন বাতাস নেই। তবু চুক্তি অনুযায়ী কাজ করতে হয়।”

পাগলা শ্যামনগর এলাকার মোস্তফা হাসানসহ একাধিক কৃষক জানান, তীব্র তাপদাহে কাজের জন্য শ্রমিকদের বেশি মজুরী দিতে হচ্ছে। এতে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

উপজেলার একাধিক ভ্যান চালকও একই পরিস্থিতির কথা বলেন। তবে অনেকেই জানান, কাজ না করলে উপার্জন বন্ধ হয়ে যাবে, তাই তারা বাধ্য হচ্ছেন ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন।  হাসপাতালেও তীব্র গরমে ডায়েরিয়ার রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে।  

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এই গরম আরো কিছুদিন থাকবে। ফলে চলমান তাপদাহে সকলকে পর্যাপ্ত পানি পান ও বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।”