ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

মেরিন ড্রাইভে আবারও জোয়ারের ঢেউয়ের ধাক্কা, ভাঙনের আশঙ্কা

#
news image

কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কের আড়াই কিলোমিটার অংশে আবারও জোয়ারের ঢেউয়ের ধাক্কা লাগতে শুরু করেছে। এতে করে নতুন করে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ঝুঁকিতে পড়েছেন প্রায় ২ হাজার পরিবার।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের বাহারছড়া ঘাট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে উঁচু ঢেউয়ের ধাক্কা লক্ষ্য করা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সেলিম।

তিনি জানান, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে পূর্ণিমার জোয়ারে এই সড়কের একটি অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছিল। সে সময় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর একটি বিশেষ ইউনিট দিয়ে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করে। তবে দুই বছর না যেতেই আবারও জোয়ারের পানির উচ্চতা বেড়েছে এবং ঢেউয়ের ধাক্কা শুরু হয়েছে। ফলে পূর্বের মতো বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

জোয়ারের পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে কক্সবাজার আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক থাকলেও অমাবস্যার কারণে সোমবার থেকে সাগরের পানি কিছুটা বেশি। স্বাভাবিক সময়ে সাগরে ঢেউয়ের উচ্চতা যেখানে প্রায় ৩ মিটার, সেখানে বুধবার তা ৪ মিটার ছাড়িয়ে গেছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করে জানান, বৃহস্পতিবার থেকে পানি কমে আসবে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মেরিন ড্রাইভ সড়কের পূর্ব পাশে প্রভাবশালী অনেকে জমি কিনে তা ভরাট করতে সড়কের পাশের সমুদ্রসৈকত থেকে বালু তুলছেন। এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং সড়ক আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাছাড়া, পূর্বে স্থাপন করা জিও ব্যাগগুলোর অনেকগুলোতেই ফাটল দেখা দিয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এহসান উদ্দিন বলেন, মেরিন ড্রাইভ সড়কটি সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। ঢেউয়ের ধাক্কায় বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে—বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে জেনেছি। আমি বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।

টেকনাফ প্রতিনিধি :

৩০ এপ্রিল, ২০২৫,  11:30 PM

news image

কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কের আড়াই কিলোমিটার অংশে আবারও জোয়ারের ঢেউয়ের ধাক্কা লাগতে শুরু করেছে। এতে করে নতুন করে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ঝুঁকিতে পড়েছেন প্রায় ২ হাজার পরিবার।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের বাহারছড়া ঘাট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে উঁচু ঢেউয়ের ধাক্কা লক্ষ্য করা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সেলিম।

তিনি জানান, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে পূর্ণিমার জোয়ারে এই সড়কের একটি অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছিল। সে সময় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর একটি বিশেষ ইউনিট দিয়ে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করে। তবে দুই বছর না যেতেই আবারও জোয়ারের পানির উচ্চতা বেড়েছে এবং ঢেউয়ের ধাক্কা শুরু হয়েছে। ফলে পূর্বের মতো বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

জোয়ারের পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে কক্সবাজার আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক থাকলেও অমাবস্যার কারণে সোমবার থেকে সাগরের পানি কিছুটা বেশি। স্বাভাবিক সময়ে সাগরে ঢেউয়ের উচ্চতা যেখানে প্রায় ৩ মিটার, সেখানে বুধবার তা ৪ মিটার ছাড়িয়ে গেছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করে জানান, বৃহস্পতিবার থেকে পানি কমে আসবে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মেরিন ড্রাইভ সড়কের পূর্ব পাশে প্রভাবশালী অনেকে জমি কিনে তা ভরাট করতে সড়কের পাশের সমুদ্রসৈকত থেকে বালু তুলছেন। এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং সড়ক আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাছাড়া, পূর্বে স্থাপন করা জিও ব্যাগগুলোর অনেকগুলোতেই ফাটল দেখা দিয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এহসান উদ্দিন বলেন, মেরিন ড্রাইভ সড়কটি সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। ঢেউয়ের ধাক্কায় বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে—বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে জেনেছি। আমি বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।