ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

গাজীপুরে জুতার মালা পড়িয়ে নির্যাতন করা ইমাম হাজতে মৃত্যু

#
news image

গাজীপুরের পূবাইলের হায়দরাবাদ এলাকায় একাধিক শিশু-কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে গাছের সাথে বেঁধে জুতার মালা পরিয়ে মারধর (নির্যাতন) করা ইমাম রহিজ উদ্দিনের কারাগারে মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৭এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
ইমাম রহিজ উদ্দিন চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ আখলাদুল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে সাইনবোর্ড ভূষির মিল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন মৃত রহিজ উদ্দিন।
 
এর আগে রবিবার (২৭এপ্রিল) সকালে গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে ইমাম রহিজ উদ্দিনকে জনতার হাত থেকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে তুলকালাম সৃষ্টি করলে রবিবার এলাকার লোকজন রহিজ উদ্দিনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এসময় তারা ইমামকে জুতার মালা পড়িয়ে লাঞ্ছিতের পাশাপাশি মারধর করে।
 
ঘটনার পর রবিবার থানায় মামলা রুজু হলে ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। নির্যাতিত এক কিশোরের বাবা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ইমাম রহিজ উদ্দিনকে এলাকাবাসীর কাছ থেকে উদ্ধার করে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের নির্দেশে রাতেই গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠায়। 
 
কারাগারে থাকাকালীন রাত ৩টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ওই হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
 
এদিকে মৃত রহিজ উদ্দিনের স্বজনরা বলেন, সকালে ঈমামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় মসজিদ কমিটির লোকজন পরে কয়েক মাস পূর্বের এক বলাৎকারের অভিযোগ দিয়ে তাকে বেধম মারপিট করেন মসজিদ কমিটি ও সংশ্লীষ্টরা। পরে তাকে গাছের সাথে বেঁধে জুতার মালা পরিয়েও বেধম মারপিট করা হয়। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে রহিজ উদ্দিনকে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে  জেলে পাঠানো হয়। রবিবার দিনগত রাত তিনটার দিকে রহিজ উদ্দিনের মৃত্যুর সংবাদ পায় স্বজনরা।  
 
সত্যতা নিশ্চিত করে জেল সুপার বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের  জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি, আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি রহিজ উদ্দিনের মৃত্যুর কারণ সনাক্তে ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কে নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

গাজীপুর প্রতিনিধি :

২৮ এপ্রিল, ২০২৫,  11:20 PM

news image

গাজীপুরের পূবাইলের হায়দরাবাদ এলাকায় একাধিক শিশু-কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে গাছের সাথে বেঁধে জুতার মালা পরিয়ে মারধর (নির্যাতন) করা ইমাম রহিজ উদ্দিনের কারাগারে মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৭এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
ইমাম রহিজ উদ্দিন চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ আখলাদুল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে সাইনবোর্ড ভূষির মিল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন মৃত রহিজ উদ্দিন।
 
এর আগে রবিবার (২৭এপ্রিল) সকালে গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে ইমাম রহিজ উদ্দিনকে জনতার হাত থেকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে তুলকালাম সৃষ্টি করলে রবিবার এলাকার লোকজন রহিজ উদ্দিনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এসময় তারা ইমামকে জুতার মালা পড়িয়ে লাঞ্ছিতের পাশাপাশি মারধর করে।
 
ঘটনার পর রবিবার থানায় মামলা রুজু হলে ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। নির্যাতিত এক কিশোরের বাবা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ইমাম রহিজ উদ্দিনকে এলাকাবাসীর কাছ থেকে উদ্ধার করে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের নির্দেশে রাতেই গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠায়। 
 
কারাগারে থাকাকালীন রাত ৩টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ওই হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
 
এদিকে মৃত রহিজ উদ্দিনের স্বজনরা বলেন, সকালে ঈমামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় মসজিদ কমিটির লোকজন পরে কয়েক মাস পূর্বের এক বলাৎকারের অভিযোগ দিয়ে তাকে বেধম মারপিট করেন মসজিদ কমিটি ও সংশ্লীষ্টরা। পরে তাকে গাছের সাথে বেঁধে জুতার মালা পরিয়েও বেধম মারপিট করা হয়। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে রহিজ উদ্দিনকে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে  জেলে পাঠানো হয়। রবিবার দিনগত রাত তিনটার দিকে রহিজ উদ্দিনের মৃত্যুর সংবাদ পায় স্বজনরা।  
 
সত্যতা নিশ্চিত করে জেল সুপার বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের  জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি, আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি রহিজ উদ্দিনের মৃত্যুর কারণ সনাক্তে ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কে নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।