ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ঈদকে সামনে রেখে হবিগঞ্জে জমে উঠেছে কেনাকাটা

#
news image

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে হবিগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিভিন্ন দোকানগুলোতে চলছে বেচাবিক্রি। দোকানগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। এবার ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে কাপড়ের দোকানগুলোতে বাহারি ডিজাইনের পোশাক দিয়ে সাজানো হয়েছে। অনেক দোকানে ঈদ উপলক্ষে দেয়া হয়েছে বিশেষ ছাড়। ১৫ রমজান থেকে হবিগঞ্জের বিভিন্ন দোকানে ভীড় করছেন নানা বয়সী ক্রেতা। বিক্রি চলবে ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত। এবারের ঈদে তরুণীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাকিস্তানী, সারারা, শায়রা আর ইন্ডিয়ান কেটালক জামা। আর তরুণরা ক্রয় করছেন কটন, কাঁতান এবং আড়ং পাঞ্জাবী। নারী

ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ঢাকাইয়া জামদানী, টাংগাইল তাঁতের শাড়ি, সিল্ক ও বালুছড়ি শাড়ি। পছন্দের পোশাকটি ক্রয় করতে ক্রেতারা ঘুরছেন এক দোকান থেকে আরেক দোকানে। বিক্রেতারা জানান, এবারের ঈদ কালেকশনে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন পোষাক তুলেছেন তারা। ইতিমধ্যে বেচাকেনা জমে উঠেছে। ঈদের আগ মুহূর্তে বেচা-কেনা বাড়বে বলে আশাবাদি তারা। বাজারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। অপতৎপরতা রোধে পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দারাও রয়েছেন মাঠে। পোশাকের পাশাপাশি ক্রেতাদের ভীড় বাড়ছে জুতা, কসমেটিকসের গুলোতেও। ডেইজি নামের ক্রেতা জানান, অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার কাপড়ের দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। তারপরও আমাদেরকে সাধ্যের মাঝে জামা-কাপড় ক্রয় করতে হচ্ছে। রুনা আক্তার নামে এক ক্রেতা জানান, ঈদ মানে আনন্দ। ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য পরিবারের সবার জন্য জামা-কাপড় ক্রয় করতে হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা তাদের মনমতো দাম কাপড়গুলোতে লিখে রাখায় আমরা ক্রেতা আর দাম করে কাপড় নিতে পারছি না। অনেকটা বাড়তি দামেই আমাদের কাপড় ক্রয় করতে হচ্ছে। জনৈক এক ব্যবসায়ী জানান, ঈদকে সামনে রেখে আমাদের এখন অনেকটা ভালো বিক্রি হচ্ছে। আমরা ক্রেতাদের কাছ থেকে কাপড়ের সঠিক মূল্যই নিচ্ছি। তিনি জানান, ঈদের আগের দিন গভীর রাত পর্যন্ত কাপড় বিক্রি চলবে।

মোঃ রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

২৮ মার্চ, ২০২৫,  12:10 AM

news image

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে হবিগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিভিন্ন দোকানগুলোতে চলছে বেচাবিক্রি। দোকানগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। এবার ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে কাপড়ের দোকানগুলোতে বাহারি ডিজাইনের পোশাক দিয়ে সাজানো হয়েছে। অনেক দোকানে ঈদ উপলক্ষে দেয়া হয়েছে বিশেষ ছাড়। ১৫ রমজান থেকে হবিগঞ্জের বিভিন্ন দোকানে ভীড় করছেন নানা বয়সী ক্রেতা। বিক্রি চলবে ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত। এবারের ঈদে তরুণীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাকিস্তানী, সারারা, শায়রা আর ইন্ডিয়ান কেটালক জামা। আর তরুণরা ক্রয় করছেন কটন, কাঁতান এবং আড়ং পাঞ্জাবী। নারী

ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ঢাকাইয়া জামদানী, টাংগাইল তাঁতের শাড়ি, সিল্ক ও বালুছড়ি শাড়ি। পছন্দের পোশাকটি ক্রয় করতে ক্রেতারা ঘুরছেন এক দোকান থেকে আরেক দোকানে। বিক্রেতারা জানান, এবারের ঈদ কালেকশনে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন পোষাক তুলেছেন তারা। ইতিমধ্যে বেচাকেনা জমে উঠেছে। ঈদের আগ মুহূর্তে বেচা-কেনা বাড়বে বলে আশাবাদি তারা। বাজারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। অপতৎপরতা রোধে পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দারাও রয়েছেন মাঠে। পোশাকের পাশাপাশি ক্রেতাদের ভীড় বাড়ছে জুতা, কসমেটিকসের গুলোতেও। ডেইজি নামের ক্রেতা জানান, অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার কাপড়ের দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। তারপরও আমাদেরকে সাধ্যের মাঝে জামা-কাপড় ক্রয় করতে হচ্ছে। রুনা আক্তার নামে এক ক্রেতা জানান, ঈদ মানে আনন্দ। ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য পরিবারের সবার জন্য জামা-কাপড় ক্রয় করতে হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা তাদের মনমতো দাম কাপড়গুলোতে লিখে রাখায় আমরা ক্রেতা আর দাম করে কাপড় নিতে পারছি না। অনেকটা বাড়তি দামেই আমাদের কাপড় ক্রয় করতে হচ্ছে। জনৈক এক ব্যবসায়ী জানান, ঈদকে সামনে রেখে আমাদের এখন অনেকটা ভালো বিক্রি হচ্ছে। আমরা ক্রেতাদের কাছ থেকে কাপড়ের সঠিক মূল্যই নিচ্ছি। তিনি জানান, ঈদের আগের দিন গভীর রাত পর্যন্ত কাপড় বিক্রি চলবে।