ঢাকা ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
শিরোনামঃ
ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে : প্রধান উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী শুল্ক হার কমাতে সংস্কার প্রতিশ্রুতির সদিচ্ছাকে কাজে লাগাতে হবে: ড. জাহিদ হোসেন পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব সময় আন্তরিক সরকার : সুপ্রদীপ চাকমা জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর জয়দীপের লেখায় ধর্মীয় সহিংসতার উস্কানি থাকায় প্রতিবাদ জানিয়েছে এবি পার্টি অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে : সুলতান সালাউদ্দিন টুকু গণ-অভ্যুত্থানের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত না হলে নতুন প্রজন্ম আবারও লড়াইয়ে নামবে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ ১৯৭২ থেকে ২০২৫ সাল : সত্য, সততা ও নির্ভীক সাংবাদিকতার প্রতীক জাবিসাস

তামিমের অসুস্থতার দিন মিরাজের সেঞ্চুরিতে জিতল মোহামেডান

#
news image

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ম্যাচের আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হন মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এরপর হাসপাতালে ভর্তি হন এবং হার্টে রিংও পরানো হয়েছে । তবে তামিমকে ছাড়াই মেহেদি হাসান মিরাজের সেঞ্চুরিতে শাইনপুকুরকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে মোহামেডান। মিরাজ ১০৩ রান ও ২ উইকেট নেন। 

এই জয়ে ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে উঠল মোহামেডান। সমানসংখ্যক ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে আবাহনী লিমিটেড। ৮ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে আছে শাইনপুকুর। 

সাভারে বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে শাইনপুকুরের অধিনায়ক রায়হান রহমানের সাথে টস করতে নামেন তামিম। টস-এর পর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তামিমকে। 

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে শাইনপুকুর। ১০৭ রানে সপ্তম উইকেট পতনে দ্রুত গুটিয়ে যাবার মুখে পড়ে তারা। 

অষ্টম উইকেটে ৭৭ রানের জুটিতে শাইনপুকুরকে লজ্জার হাত থেকে রক্ষা করেন অধিনায়ক রায়হান রহমান ও শরিফুল ইসলাম। দলীয় ১৮৪ রানে সাজঘরে ফিরেন রায়হান। ৪টি চারে ৭৭ রান করেন তিনি।

রায়হান ফেরার পর শাইনপুরকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন শরিফুল। ইনিংসের শেষ ওভারের চতুর্থ বলে আউট হবার আগে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৯ বলে ৫৭ রান করেন তিনি। ১ বল বাকী থাকতে ২২৩ রানে অলআউট হয় শাইনপুকুর। তাইজুল ৩টি, মিরাজ-নাসুম ও সাইফুদ্দিন ২টি করে উইকেট নেন। 

জবাবে রনি তালুকদারকে নিয়ে মোহামেডানকে ১৬৪ বলে ১৬৪ রানের সূচনা এনে দেন তামিমের জায়গায় ওপেনার হিসেবে নামা মিরাজ। রনি ৬১ রানে আউট হলেও, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ। ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৬ বলে ১০৩ রান করেন মিরাজ। 

মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২৭ রানে থামার পর ৪৬ বল বাকী রেখে মোহামেডানের জয় নিশ্চিত করেন সাইফুদ্দিন ও নাসুম।

সাইফুদ্দিন ১৮ ও নাসুম ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচ সেরা হন মিরাজ।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৫ মার্চ, ২০২৫,  4:51 AM

news image

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ম্যাচের আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হন মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এরপর হাসপাতালে ভর্তি হন এবং হার্টে রিংও পরানো হয়েছে । তবে তামিমকে ছাড়াই মেহেদি হাসান মিরাজের সেঞ্চুরিতে শাইনপুকুরকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে মোহামেডান। মিরাজ ১০৩ রান ও ২ উইকেট নেন। 

এই জয়ে ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে উঠল মোহামেডান। সমানসংখ্যক ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে আবাহনী লিমিটেড। ৮ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে আছে শাইনপুকুর। 

সাভারে বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে শাইনপুকুরের অধিনায়ক রায়হান রহমানের সাথে টস করতে নামেন তামিম। টস-এর পর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তামিমকে। 

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে শাইনপুকুর। ১০৭ রানে সপ্তম উইকেট পতনে দ্রুত গুটিয়ে যাবার মুখে পড়ে তারা। 

অষ্টম উইকেটে ৭৭ রানের জুটিতে শাইনপুকুরকে লজ্জার হাত থেকে রক্ষা করেন অধিনায়ক রায়হান রহমান ও শরিফুল ইসলাম। দলীয় ১৮৪ রানে সাজঘরে ফিরেন রায়হান। ৪টি চারে ৭৭ রান করেন তিনি।

রায়হান ফেরার পর শাইনপুরকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন শরিফুল। ইনিংসের শেষ ওভারের চতুর্থ বলে আউট হবার আগে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৯ বলে ৫৭ রান করেন তিনি। ১ বল বাকী থাকতে ২২৩ রানে অলআউট হয় শাইনপুকুর। তাইজুল ৩টি, মিরাজ-নাসুম ও সাইফুদ্দিন ২টি করে উইকেট নেন। 

জবাবে রনি তালুকদারকে নিয়ে মোহামেডানকে ১৬৪ বলে ১৬৪ রানের সূচনা এনে দেন তামিমের জায়গায় ওপেনার হিসেবে নামা মিরাজ। রনি ৬১ রানে আউট হলেও, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ। ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৬ বলে ১০৩ রান করেন মিরাজ। 

মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২৭ রানে থামার পর ৪৬ বল বাকী রেখে মোহামেডানের জয় নিশ্চিত করেন সাইফুদ্দিন ও নাসুম।

সাইফুদ্দিন ১৮ ও নাসুম ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচ সেরা হন মিরাজ।