ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের লড়াই চালিয়ে যাবার দৃঢ় প্রত্যয় ছাত্রনেতাদের

#
news image

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে শুক্রবার রাতে বিভাগীয় নগরী রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।
রাত ৮টার দিকে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বর থেকে মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে ফিরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের লড়াই চালিয়ে যাবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ছাত্রনেতা ও শিক্ষার্থীরা।
সমাবেশে পতিত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন ছাত্রনেতারা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি বলেন, জুলাইয়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ হাজারো মায়ের বুক খালি করেছে। ১৮ হাজারের বেশি ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন। আর কত অপরাধ করলে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে। বাংলাদেশের ভাগ্য রাজপথ থেকে নির্ধারিত হবে।
রংপুর জাতীয় নাগরিক কমিটির সংগঠক আলমগীর নয়ন বলেন, ভারতে বসে শেখ হাসিনা দেশকে অস্থিতিশীল করার নানা রকম ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য যারা কাজ করছেন তাদের রাজপথে রুখে দেয়া হবে। প্রয়োজনে এ দেশের ছাত্র-জনতা জুলাই বিপ্লবের মতো আরও একবার রাজপথে নামবে। জুলাই বিপ্লবকে কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না।
সমাবেশ আরও বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ, সদস্য সচিব ডা. আশফাক আহমেদ জামিল, মহানগর কমিটির সদস্য সচিব রহমত আলী ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাওয়াকিল বিল্লাহ।
বক্তারা বলেন, আমরাতো জুলাইয়ে শহীদ হয়েছি, আমাদের কিসের ভয়? আমাদের দেহে যতক্ষণ পর্যন্ত রক্ত আছে ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। জুলাইয়ে যারা রক্ত দিয়ে দেশকে নতুন করে স্বাধীন করেছে তাদের লাল রক্ত দিয়েই আওয়ামী লীগকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। আমরা জীবন দেব, কিন্তু জুলাইয়ের চেতনাকে পরাজিত হতে দেবনা। আমরা শহীদদের সঙ্গে বেঈমানী করবো না৷ খুনি হাসিনার বিচার ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়বো না। এসময় আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনকারীদের রুখে দিতে দেশের সকল ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।

 

 

রংপুর প্রতিনিধি:

২২ মার্চ, ২০২৫,  5:41 AM

news image

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে শুক্রবার রাতে বিভাগীয় নগরী রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।
রাত ৮টার দিকে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বর থেকে মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে ফিরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের লড়াই চালিয়ে যাবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ছাত্রনেতা ও শিক্ষার্থীরা।
সমাবেশে পতিত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন ছাত্রনেতারা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি বলেন, জুলাইয়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ হাজারো মায়ের বুক খালি করেছে। ১৮ হাজারের বেশি ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন। আর কত অপরাধ করলে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে। বাংলাদেশের ভাগ্য রাজপথ থেকে নির্ধারিত হবে।
রংপুর জাতীয় নাগরিক কমিটির সংগঠক আলমগীর নয়ন বলেন, ভারতে বসে শেখ হাসিনা দেশকে অস্থিতিশীল করার নানা রকম ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য যারা কাজ করছেন তাদের রাজপথে রুখে দেয়া হবে। প্রয়োজনে এ দেশের ছাত্র-জনতা জুলাই বিপ্লবের মতো আরও একবার রাজপথে নামবে। জুলাই বিপ্লবকে কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না।
সমাবেশ আরও বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ, সদস্য সচিব ডা. আশফাক আহমেদ জামিল, মহানগর কমিটির সদস্য সচিব রহমত আলী ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাওয়াকিল বিল্লাহ।
বক্তারা বলেন, আমরাতো জুলাইয়ে শহীদ হয়েছি, আমাদের কিসের ভয়? আমাদের দেহে যতক্ষণ পর্যন্ত রক্ত আছে ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। জুলাইয়ে যারা রক্ত দিয়ে দেশকে নতুন করে স্বাধীন করেছে তাদের লাল রক্ত দিয়েই আওয়ামী লীগকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। আমরা জীবন দেব, কিন্তু জুলাইয়ের চেতনাকে পরাজিত হতে দেবনা। আমরা শহীদদের সঙ্গে বেঈমানী করবো না৷ খুনি হাসিনার বিচার ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়বো না। এসময় আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনকারীদের রুখে দিতে দেশের সকল ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।