ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

আগামী বাজেটে কর অব্যাহতি কমানো হতে পারে: এনবিআর চেয়ারম্যান

#
news image

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, আগামী জাতীয় বাজেটে কর অব্যাহতি ব্যবস্থা কমানো হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘এবার (২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে) আপনি কিছু বড় উদাহরণ দেখতে পাবেন। ইতোমধ্যেই আমরা কিছু উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর অব্যাহতি প্রত্যাহার করেছি, বাকিগুলো আপনি পরবর্তী বাজেটে দেখতে পাবেন।’

আজ বুধবার রাজধানীর এনবিআর’র সম্মেলন কক্ষে বেজা, বিডা, বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড), বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ইন্ডিয়া চেম্বারস অব কমার্স, উইমেনস এন্টারপ্রেনারস নেটওয়ার্ক ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (ওয়েন্ড) এবং আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) এর সাথে প্রাক-বাজেট সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান একথা বলেন।

রহমান বলেন, যেসব ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কম হারে কর দিচ্ছে, তাদের আগামী বাজেট থেকে কিছুটা বেশি দিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সীমিত সময়ের জন্য সহায়তা দিতে পারি, সারা জীবন এটা করা যাবে না, নিয়মিত হারে কর প্রদান করা উচিত।’

রহমান উল্লেখ করেন, এবার এনবিআরের বড় লক্ষ্য হলো যারা দীর্ঘদিন ধরে কর অব্যাহতি ভোগ করছেন তাদের জন্য কর ব্যবস্থাকে সহজীকরণ করা। কর অব্যাহতি ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হবে।

একটি গবেষণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বর্তমানে যে পরিমাণ কর পাচ্ছে, তা কর অব্যাহতির নামে সমপরিমাণ কর হারাচ্ছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, যারা সঠিকভাবে কর এবং ভ্যাট দিচ্ছেন না, তাদের তাড়া করবে তার সংস্থা। এই কর অব্যাহতির একটি বড় অংশ ব্যবসায়ীদের কাছেই রয়ে গেছে, যদিও এটি করা উচিত নয়।

বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, শিল্পায়ন প্রসারিত করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে একাধিক কর অব্যাহতির ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে।

নীতিমালার অধীনে, কৃষি, তথ্য প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের ব্যবসাগুলি উল্লেখযোগ্য কর অব্যাহতির সুবিধা পাবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে উৎসাহিত করার জন্য স্টার্ট-আপ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই) উদ্যোক্তাও কর অব্যাহতি পাবে।

এনবিআর’র মতে, অগ্রাধিকার খাতগুলোতে প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য লক্ষ্যবস্তু কর সুবিধা চালু করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ ব্যবসার উপর আর্থিক চাপ কমাতে এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নীতিমালার অন্যতম প্রধান বিষয় হল নতুন শিল্প উদ্যোগের জন্য কর অব্যাহতির মেয়াদ বৃদ্ধি করা। মনোনীত অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাই-টেক পার্কের ব্যবসাগুলো তাদের বিনিয়োগের আকার ও শিল্পের ধরনের উপর নির্ভর করে ১০ বছর পর্যন্ত কর অব্যাহতি উপভোগ করবে। বিশ্ব বাজারে দেশের প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কর্পোরেট করের হার কমানোর ফলে রপ্তানিমুখী ব্যবসাগুলো উপকৃত হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৬ মার্চ, ২০২৫,  4:49 AM

news image

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, আগামী জাতীয় বাজেটে কর অব্যাহতি ব্যবস্থা কমানো হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘এবার (২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে) আপনি কিছু বড় উদাহরণ দেখতে পাবেন। ইতোমধ্যেই আমরা কিছু উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর অব্যাহতি প্রত্যাহার করেছি, বাকিগুলো আপনি পরবর্তী বাজেটে দেখতে পাবেন।’

আজ বুধবার রাজধানীর এনবিআর’র সম্মেলন কক্ষে বেজা, বিডা, বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড), বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ইন্ডিয়া চেম্বারস অব কমার্স, উইমেনস এন্টারপ্রেনারস নেটওয়ার্ক ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (ওয়েন্ড) এবং আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) এর সাথে প্রাক-বাজেট সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান একথা বলেন।

রহমান বলেন, যেসব ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কম হারে কর দিচ্ছে, তাদের আগামী বাজেট থেকে কিছুটা বেশি দিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সীমিত সময়ের জন্য সহায়তা দিতে পারি, সারা জীবন এটা করা যাবে না, নিয়মিত হারে কর প্রদান করা উচিত।’

রহমান উল্লেখ করেন, এবার এনবিআরের বড় লক্ষ্য হলো যারা দীর্ঘদিন ধরে কর অব্যাহতি ভোগ করছেন তাদের জন্য কর ব্যবস্থাকে সহজীকরণ করা। কর অব্যাহতি ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হবে।

একটি গবেষণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বর্তমানে যে পরিমাণ কর পাচ্ছে, তা কর অব্যাহতির নামে সমপরিমাণ কর হারাচ্ছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, যারা সঠিকভাবে কর এবং ভ্যাট দিচ্ছেন না, তাদের তাড়া করবে তার সংস্থা। এই কর অব্যাহতির একটি বড় অংশ ব্যবসায়ীদের কাছেই রয়ে গেছে, যদিও এটি করা উচিত নয়।

বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, শিল্পায়ন প্রসারিত করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে একাধিক কর অব্যাহতির ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে।

নীতিমালার অধীনে, কৃষি, তথ্য প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের ব্যবসাগুলি উল্লেখযোগ্য কর অব্যাহতির সুবিধা পাবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে উৎসাহিত করার জন্য স্টার্ট-আপ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই) উদ্যোক্তাও কর অব্যাহতি পাবে।

এনবিআর’র মতে, অগ্রাধিকার খাতগুলোতে প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য লক্ষ্যবস্তু কর সুবিধা চালু করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ ব্যবসার উপর আর্থিক চাপ কমাতে এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নীতিমালার অন্যতম প্রধান বিষয় হল নতুন শিল্প উদ্যোগের জন্য কর অব্যাহতির মেয়াদ বৃদ্ধি করা। মনোনীত অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাই-টেক পার্কের ব্যবসাগুলো তাদের বিনিয়োগের আকার ও শিল্পের ধরনের উপর নির্ভর করে ১০ বছর পর্যন্ত কর অব্যাহতি উপভোগ করবে। বিশ্ব বাজারে দেশের প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কর্পোরেট করের হার কমানোর ফলে রপ্তানিমুখী ব্যবসাগুলো উপকৃত হবে।