ঢাকা ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন আজ সরস্বতী পূজা: বিদ্যা দেবীর আরাধনায় মুখর সারাদেশ যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী তারাই ‘না’ ভোট চাচ্ছে : স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই : আসিফ নজরুল দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় রুমা ব্যাটালিয়ন (৯ বিজিবি) কর্তৃক শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ সুন্দরগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই এর ঘটনায় মুল আসামি কে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন বড়লেখা - জুড়ী আসনে জনগণের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনায় জামায়াত প্রার্থী আমিনুল ইসলামের গণসংযোগ শুরু

নৈতিক এআই ও টেকসই প্রতিবেদন নিয়ে ঢাকায় সাফা আন্তর্জাতিক সম্মেলন

#
news image

সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা) আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই প্রতিবেদন যখন ক্রমেই ব্যবসায়িক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা এবং জনআস্থার রূপরেখা নতুনভাবে নির্ধারণ করছে, তখন বৈশ্বিক হিসাব পেশা এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) আয়োজিত সাফা সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘পরবর্তী প্রজন্মের পেশা: নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই প্রতিবেদন একীভূতকরণ।’

আজ অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিএবি’র সাবেক সভাপতি ও রহমান রহমান হক, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস’র সিনিয়র পার্টনার আদীব হোসেন খান।

তিনি বলেন, ‘টেকসই প্রতিবেদন ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আর দূরবর্তী কোনো ধারণা নয়, এটি ইতোমধ্যেই অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টি, পরিমাপ ও প্রকাশের কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন এনেছে।’

সম্মেলনে জাতীয় নেতৃত্ব, হিসাববিদ ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের কৌশলগত সংলাপ এবং জ্ঞানভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেন আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা থেকে আগত প্রতিনিধিরা। সম্মেলনে তিনটি টেকনিক্যাল সেশন ও একটি সমাপনী সেশনে ভবিষ্যৎ পেশা, এআই ও টেকসই প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপার্সন এ এইচ এম আহসান এবং বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া। 

আয়োজকদের মতে, তাদের উপস্থিতি হিসাব ও আর্থিক খাতে পেশাগত উৎকর্ষ, নৈতিক মান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে সরকারের দৃঢ় সমর্থনের প্রতিফলন।

আইসিএবি সভাপতি এন কে এ মোবিন স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন কমিটির চেয়ারম্যান ও আইসিএবি’র সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ ফরহাদ হোসেন বক্তব্য রাখেন।

এই প্রথমবারের মতো বিশ্বের শীর্ষ হিসাব পেশা সংস্থার প্রধান, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (আইএফএসি)-এর সভাপতি জ্যঁ বুকো আইসিএবি’র আমন্ত্রণে ঢাকায় এই সম্মেলনে অংশ নেন। অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাফার উপদেষ্টা আশফাক ইউসুফ তোলা।

জ্যঁ বুকো বলেন, এই সম্মেলনের আলোচনা বৈশ্বিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি টেকসই প্রতিবেদন, নৈতিক এআইও ভবিষ্যৎ পেশাগত অনুশীলনের গতিপথ নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। তিনি আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতার ওপর জোর দেন।

পেশাজীবী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও মান নির্ধারকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে আইএফএসি প্রেসিডেন্ট জ্যঁ বুকো বলেন, ‘সততা ও জনস্বার্থকে কেন্দ্র করে এআই পরিচালনা করতে পারলে হিসাববিদরা অনিশ্চয়তাকে সুযোগে পরিণত করতে পারবেন এবং আরও টেকসই ও সহনশীল একটি অর্থনীতি গঠনে অবদান রাখতে পারবে।

আইসিএবি’র সভাপতি এন কে এ মোবিন বলেন, ‘এটি পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযাত্রা। নৈতিক এআইও টেকসই প্রতিবেদনের পথে এগিয়ে যেতে সততা, নিরপেক্ষতা ও জনসেবার চিরন্তন মূল্যবোধই আমাদের পথ দেখাবে। বিশ্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি নৈতিক, দক্ষ ও দূরদর্শী হিসাববিদের প্রয়োজন অনুভব করছে।’ আইসিএবি বৈশ্বিক সর্বোত্তম  মান বজায় রাখতে বিভিন্ন পেশাগত পরিকল্পনা ও কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

টেকনিক্যাল অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক উল্লেখ করেন যে, আধুনিক টেকসই প্রতিবেদন এখন মূলধন বণ্টন, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং বাজারের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। কারণ জলবায়ু ও সুশাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলো মূল আর্থিক আলোচনার অংশ হয়ে উঠেছে। হিসাব পেশার পরিসর এখন আর কেবল হিসাবরক্ষণে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ঝুঁকি মডেলিং, মূল্যায়ন, নিরীক্ষা, অনুসন্ধান এবং নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এআই স্বচ্ছতা ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিশ্লেষণ জোরদার করতে পারে, কিন্তু এর কোনো নৈতিক দায় বা ফিডিউশিয়ারি দায়িত্ব নেই। এই দায় সব সময়ই মানুষের ওপর বর্তায়, তাই নৈতিক অনুশাসন অপরিহার্য।’

আদীব হোসেন খান জলবায়ু পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, সরবরাহ শৃঙ্খলে কার্বন নিরূপণ এবং রিয়েল-টাইমই এসজি কর্মদক্ষতা পর্যবেক্ষণের মতো উদীয়মান এআই প্রয়োগের কথা উল্লেখ করেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, অ্যালগরিদমের স্বচ্ছতার অভাব, বিচ্ছিন্ন ইএসজি তথ্য এবং পক্ষপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় যথাযথ নৈতিক কাঠামো না থাকলে জনআস্থা ক্ষুণ্ন করতে পারে।

তিনি বলেন, ‘নৈতিক এআইয়ের কাজ কেবল প্রতিবেদন স্বয়ংক্রিয় করা নয়, বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের মান উন্নত করা। উন্নত প্রযুক্তি দায়িত্ব কমায় না, বরং তা আরও বাড়িয়ে দেয়।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, নিরীক্ষা, জনস্বার্থ তদারকি ও মানদণ্ড অনুসরণে দীর্ঘদিনের ভূমিকার কারণে পেশাদার হিসাববিদরাই এই পরিবর্তনকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১৭ জানুয়ারি, ২০২৬,  5:42 PM

news image

সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা) আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই প্রতিবেদন যখন ক্রমেই ব্যবসায়িক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা এবং জনআস্থার রূপরেখা নতুনভাবে নির্ধারণ করছে, তখন বৈশ্বিক হিসাব পেশা এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) আয়োজিত সাফা সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘পরবর্তী প্রজন্মের পেশা: নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই প্রতিবেদন একীভূতকরণ।’

আজ অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিএবি’র সাবেক সভাপতি ও রহমান রহমান হক, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস’র সিনিয়র পার্টনার আদীব হোসেন খান।

তিনি বলেন, ‘টেকসই প্রতিবেদন ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আর দূরবর্তী কোনো ধারণা নয়, এটি ইতোমধ্যেই অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টি, পরিমাপ ও প্রকাশের কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন এনেছে।’

সম্মেলনে জাতীয় নেতৃত্ব, হিসাববিদ ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের কৌশলগত সংলাপ এবং জ্ঞানভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেন আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা থেকে আগত প্রতিনিধিরা। সম্মেলনে তিনটি টেকনিক্যাল সেশন ও একটি সমাপনী সেশনে ভবিষ্যৎ পেশা, এআই ও টেকসই প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপার্সন এ এইচ এম আহসান এবং বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া। 

আয়োজকদের মতে, তাদের উপস্থিতি হিসাব ও আর্থিক খাতে পেশাগত উৎকর্ষ, নৈতিক মান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে সরকারের দৃঢ় সমর্থনের প্রতিফলন।

আইসিএবি সভাপতি এন কে এ মোবিন স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন কমিটির চেয়ারম্যান ও আইসিএবি’র সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ ফরহাদ হোসেন বক্তব্য রাখেন।

এই প্রথমবারের মতো বিশ্বের শীর্ষ হিসাব পেশা সংস্থার প্রধান, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (আইএফএসি)-এর সভাপতি জ্যঁ বুকো আইসিএবি’র আমন্ত্রণে ঢাকায় এই সম্মেলনে অংশ নেন। অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাফার উপদেষ্টা আশফাক ইউসুফ তোলা।

জ্যঁ বুকো বলেন, এই সম্মেলনের আলোচনা বৈশ্বিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি টেকসই প্রতিবেদন, নৈতিক এআইও ভবিষ্যৎ পেশাগত অনুশীলনের গতিপথ নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। তিনি আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতার ওপর জোর দেন।

পেশাজীবী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও মান নির্ধারকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে আইএফএসি প্রেসিডেন্ট জ্যঁ বুকো বলেন, ‘সততা ও জনস্বার্থকে কেন্দ্র করে এআই পরিচালনা করতে পারলে হিসাববিদরা অনিশ্চয়তাকে সুযোগে পরিণত করতে পারবেন এবং আরও টেকসই ও সহনশীল একটি অর্থনীতি গঠনে অবদান রাখতে পারবে।

আইসিএবি’র সভাপতি এন কে এ মোবিন বলেন, ‘এটি পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযাত্রা। নৈতিক এআইও টেকসই প্রতিবেদনের পথে এগিয়ে যেতে সততা, নিরপেক্ষতা ও জনসেবার চিরন্তন মূল্যবোধই আমাদের পথ দেখাবে। বিশ্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি নৈতিক, দক্ষ ও দূরদর্শী হিসাববিদের প্রয়োজন অনুভব করছে।’ আইসিএবি বৈশ্বিক সর্বোত্তম  মান বজায় রাখতে বিভিন্ন পেশাগত পরিকল্পনা ও কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

টেকনিক্যাল অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক উল্লেখ করেন যে, আধুনিক টেকসই প্রতিবেদন এখন মূলধন বণ্টন, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং বাজারের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। কারণ জলবায়ু ও সুশাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলো মূল আর্থিক আলোচনার অংশ হয়ে উঠেছে। হিসাব পেশার পরিসর এখন আর কেবল হিসাবরক্ষণে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ঝুঁকি মডেলিং, মূল্যায়ন, নিরীক্ষা, অনুসন্ধান এবং নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এআই স্বচ্ছতা ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিশ্লেষণ জোরদার করতে পারে, কিন্তু এর কোনো নৈতিক দায় বা ফিডিউশিয়ারি দায়িত্ব নেই। এই দায় সব সময়ই মানুষের ওপর বর্তায়, তাই নৈতিক অনুশাসন অপরিহার্য।’

আদীব হোসেন খান জলবায়ু পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, সরবরাহ শৃঙ্খলে কার্বন নিরূপণ এবং রিয়েল-টাইমই এসজি কর্মদক্ষতা পর্যবেক্ষণের মতো উদীয়মান এআই প্রয়োগের কথা উল্লেখ করেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, অ্যালগরিদমের স্বচ্ছতার অভাব, বিচ্ছিন্ন ইএসজি তথ্য এবং পক্ষপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় যথাযথ নৈতিক কাঠামো না থাকলে জনআস্থা ক্ষুণ্ন করতে পারে।

তিনি বলেন, ‘নৈতিক এআইয়ের কাজ কেবল প্রতিবেদন স্বয়ংক্রিয় করা নয়, বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের মান উন্নত করা। উন্নত প্রযুক্তি দায়িত্ব কমায় না, বরং তা আরও বাড়িয়ে দেয়।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, নিরীক্ষা, জনস্বার্থ তদারকি ও মানদণ্ড অনুসরণে দীর্ঘদিনের ভূমিকার কারণে পেশাদার হিসাববিদরাই এই পরিবর্তনকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।