ঢাকা ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
সরিষাবাড়ীতে দা’র কোপে আঙুল বিচ্ছিন্ন কারীর থানায় আত্মসমর্পণ সরকারি জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ ও স্থানীয়দের জমি বিক্রির চাপ রাজশাহীতে করিডোর নাইট ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ বড়লেখায় পুকুরে ডুবে মারা গেল দুই বছরের শিশু ফরিদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজমিস্ত্রীকে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন, ভাইও জখম বিদেশে পাঠানোর নামে জমি-টাকা আত্মসাৎ, প্রতিবাদ করায় মায়ের ওপর ছেলের বর্বরোচিত হামলা গাজীপুর সদর দলিল লেখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির নির্বাচনে সহ সভাপতি পদে শফিকুল ইসলাম শুকুর এগিয়ে পুলিশের জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

কালিয়াকৈরে সড়কের  সরকারী  গাছ কর্তন

#
news image

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিনা অনুমতিতে একটি আঞ্চলিক সড়কের সরকারী দুটি গাছ কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার সকালে উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের জালশুকা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার বাড়ইপাড়া-মহরাবহ আঞ্চলিক সড়কের দুপাশে বিভিন্ন স্থানে সরকারী গাছ রয়েছে।  উল্লেখ্য ২০২৩ সালে ওই সড়কের পাশে আটাবহ ইউনিয়নের জালশুকা এলাকায় ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন পার্শবর্তী ঢালজোড়া ইউনিয়নের বাসুরা এলাকার মোতালেব হোসেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারী তিনি তার ওই জমিতে এমারত নির্মাণের কথা বলে একটি গাছ কর্তনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি আবেদন করেন। ওই আবেদন করেই তিনি ও তার পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে বিনা অনুমতিতে ওই সড়কের একটি গাছ কর্তন করেন। এরপর পাশের আরেকটি বড় গাছ কর্তনের লক্ষ্যে অধিকাংশ ঢালপালা কেটে ফেলা হয়। ওই দুটি গাছের বাজার মূল্য আনুমানিক প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। বিনা অনুমতিতে সরকারী গাছ কর্তনের বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে  ।
এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মোতালে হোসেনের মেবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।
স্থানীয় আটাবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেনে শাকিল মোল্লা জানান, মোতালেব নামে এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করলে তিনি আমাকে বিষয়টি দেখতে বলেন। কিন্তু আমি সেখানে গিয়ে দেখি তারা আগেই একটি গাছ কেটে ফেলেছেন। অপর গাছটিও কাটার পায়তারা করছেন। বিষয়টি আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়কে অবগত করেছি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ জানান, ওই ব্যক্তি গাছ কাটার আবেদন দিয়েই একটি গাছ কেটে ফেললে ভুমি কর্মকর্তাকে তদন্তে পাঠিয়ে বিষয়টি আমি নিশ্চিত হয়েছি। পরে স্থানীয় বনবিভাগ ও ইউপি চেয়ারম্যানকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

মো: মাসুদুর রহমান, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) :

০৩ মার্চ, ২০২৫,  7:02 PM

news image

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিনা অনুমতিতে একটি আঞ্চলিক সড়কের সরকারী দুটি গাছ কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার সকালে উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের জালশুকা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার বাড়ইপাড়া-মহরাবহ আঞ্চলিক সড়কের দুপাশে বিভিন্ন স্থানে সরকারী গাছ রয়েছে।  উল্লেখ্য ২০২৩ সালে ওই সড়কের পাশে আটাবহ ইউনিয়নের জালশুকা এলাকায় ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন পার্শবর্তী ঢালজোড়া ইউনিয়নের বাসুরা এলাকার মোতালেব হোসেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারী তিনি তার ওই জমিতে এমারত নির্মাণের কথা বলে একটি গাছ কর্তনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি আবেদন করেন। ওই আবেদন করেই তিনি ও তার পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে বিনা অনুমতিতে ওই সড়কের একটি গাছ কর্তন করেন। এরপর পাশের আরেকটি বড় গাছ কর্তনের লক্ষ্যে অধিকাংশ ঢালপালা কেটে ফেলা হয়। ওই দুটি গাছের বাজার মূল্য আনুমানিক প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। বিনা অনুমতিতে সরকারী গাছ কর্তনের বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে  ।
এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মোতালে হোসেনের মেবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।
স্থানীয় আটাবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেনে শাকিল মোল্লা জানান, মোতালেব নামে এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করলে তিনি আমাকে বিষয়টি দেখতে বলেন। কিন্তু আমি সেখানে গিয়ে দেখি তারা আগেই একটি গাছ কেটে ফেলেছেন। অপর গাছটিও কাটার পায়তারা করছেন। বিষয়টি আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়কে অবগত করেছি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ জানান, ওই ব্যক্তি গাছ কাটার আবেদন দিয়েই একটি গাছ কেটে ফেললে ভুমি কর্মকর্তাকে তদন্তে পাঠিয়ে বিষয়টি আমি নিশ্চিত হয়েছি। পরে স্থানীয় বনবিভাগ ও ইউপি চেয়ারম্যানকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।