ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী আদেশের ফলে যুক্তরাষ্ট্রগামী শরণার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে : অস্ট্রেলিয়া

#
news image

অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কঠোর পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রগামী একদল শরণার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্প অভিবাসনবিরোধী এক নির্বাহী আদেশ বা ডিক্রি জারি করেন। যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে সকল শরণার্থীর আগমন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের মার্কিন-অস্ট্রেলিয়া চুক্তির অধীনে, অস্ট্রেলিয়ার অফশোর ডিটেনশন সেন্টার কেন্দ্রগুলোতে আটক থাকা ১,২৫০ জন শরণার্থী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসনের জন্য আবেদন করতে সক্ষম হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান সরকার জানিয়েছে, গত বছরের আগস্টের শেষ নাগাদ ১,১০৬ জন শরণার্থী ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।

স্বরাষ্ট্র বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেন, ৩০ জনেরও কম অস্থায়ীভাবে অবস্থানরত ব্যক্তি মার্কিন পুনর্বাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসনের জন্য আবেদন করেছেন। তাদের মামলাগুলো প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি জানান। 

শুক্রবার এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মুখপাত্র বলেন, ট্রাম্পের এই আদেশ সকল শরণার্থী আবেদনের উপর প্রভাব ফেলবে। যার মধ্যে অস্থায়ীভাবে অবস্থানরত ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত।

বিভাগটি জানিয়েছে, শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচির পরিকল্পনা সম্পর্কে অস্ট্রেলিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরো পরামর্শের অপেক্ষায় রয়েছে। 

২০১২ সালে প্রবর্তিত এক কঠোর নীতির অধীনে,অস্ট্রেলিয়া নৌকায় করে দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হাজার হাজার অভিবাসীকে অফশোর সংশোধনাগার কেন্দ্রগুলোতে পাঠিয়েছে।

তাদের দুটি আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। একটি নাউরুতে এবং অন্যটি পাপুয়া নিউ গিনির মানুস দ্বীপে।  

আন্তর্জাতিক ডেক্স :

০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫,  7:36 AM

news image

অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কঠোর পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রগামী একদল শরণার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্প অভিবাসনবিরোধী এক নির্বাহী আদেশ বা ডিক্রি জারি করেন। যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে সকল শরণার্থীর আগমন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের মার্কিন-অস্ট্রেলিয়া চুক্তির অধীনে, অস্ট্রেলিয়ার অফশোর ডিটেনশন সেন্টার কেন্দ্রগুলোতে আটক থাকা ১,২৫০ জন শরণার্থী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসনের জন্য আবেদন করতে সক্ষম হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান সরকার জানিয়েছে, গত বছরের আগস্টের শেষ নাগাদ ১,১০৬ জন শরণার্থী ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।

স্বরাষ্ট্র বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেন, ৩০ জনেরও কম অস্থায়ীভাবে অবস্থানরত ব্যক্তি মার্কিন পুনর্বাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসনের জন্য আবেদন করেছেন। তাদের মামলাগুলো প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি জানান। 

শুক্রবার এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মুখপাত্র বলেন, ট্রাম্পের এই আদেশ সকল শরণার্থী আবেদনের উপর প্রভাব ফেলবে। যার মধ্যে অস্থায়ীভাবে অবস্থানরত ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত।

বিভাগটি জানিয়েছে, শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচির পরিকল্পনা সম্পর্কে অস্ট্রেলিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরো পরামর্শের অপেক্ষায় রয়েছে। 

২০১২ সালে প্রবর্তিত এক কঠোর নীতির অধীনে,অস্ট্রেলিয়া নৌকায় করে দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হাজার হাজার অভিবাসীকে অফশোর সংশোধনাগার কেন্দ্রগুলোতে পাঠিয়েছে।

তাদের দুটি আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। একটি নাউরুতে এবং অন্যটি পাপুয়া নিউ গিনির মানুস দ্বীপে।