সংবাদ প্রকাশের জের-ফটিকছড়িতে তিনটি অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর
কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়িঃ
৩১ জানুয়ারি, ২০২৫, 1:18 AM
সংবাদ প্রকাশের জের-ফটিকছড়িতে তিনটি অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা তিনটি ইটভাটাকে গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর।একই সঙ্গে দু'টি ইটভাটাকে ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নে অবস্থিত এসব ইটভাটায় অভিযান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের (সদর দপ্তরের) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ান-উল-ইসলাম।
এসময় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা লঙ্ঘন করায় এক ইউনিয়নে অবস্থিত পাঁচটি ইটভাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ইটভাটাগুলোর মধ্যে মেসার্স জনতা ব্রিকস (জেবি), মেসার্স মনির আহমদ (এমএ), মেসার্স মডার্ন ব্রিকস (এমবি) ইত্যাদি চিমনি ও কিলন ধ্বংস করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া মেসার্স মনির আহমদ ব্রিকস এবং মেসার্স বক্কর ব্রিকসকে যথাক্রমে ৩ লাখ ও ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাজী ইফতেকার উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা প্রদান করেন র্যাব-০৭ চট্টগ্রাম, ফটিকছড়ি থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চট্টগ্রাম।
এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রেজওয়ান-উল-ইসলাম জানান, অবৈধ ইটভাটা পরিবেশের জন্য একটি বড় হুমকি। বিশেষ করে, যেগুলো নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করে চালানো হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা পরিবেশের সুরক্ষায় কঠোর, এবং জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও আমাদের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইট ভাটা গুলোতেও অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান পরিবেশ অধিদপ্তর।
কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়িঃ
৩১ জানুয়ারি, ২০২৫, 1:18 AM
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা তিনটি ইটভাটাকে গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর।একই সঙ্গে দু'টি ইটভাটাকে ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নে অবস্থিত এসব ইটভাটায় অভিযান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের (সদর দপ্তরের) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ান-উল-ইসলাম।
এসময় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা লঙ্ঘন করায় এক ইউনিয়নে অবস্থিত পাঁচটি ইটভাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ইটভাটাগুলোর মধ্যে মেসার্স জনতা ব্রিকস (জেবি), মেসার্স মনির আহমদ (এমএ), মেসার্স মডার্ন ব্রিকস (এমবি) ইত্যাদি চিমনি ও কিলন ধ্বংস করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া মেসার্স মনির আহমদ ব্রিকস এবং মেসার্স বক্কর ব্রিকসকে যথাক্রমে ৩ লাখ ও ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাজী ইফতেকার উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা প্রদান করেন র্যাব-০৭ চট্টগ্রাম, ফটিকছড়ি থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চট্টগ্রাম।
এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রেজওয়ান-উল-ইসলাম জানান, অবৈধ ইটভাটা পরিবেশের জন্য একটি বড় হুমকি। বিশেষ করে, যেগুলো নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করে চালানো হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা পরিবেশের সুরক্ষায় কঠোর, এবং জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও আমাদের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইট ভাটা গুলোতেও অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান পরিবেশ অধিদপ্তর।
সম্পর্কিত