ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নেত্রকোনায় স্বামীর লাশ দেখে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন স্ত্রী

#
news image

নেত্রকোনা পৌর শহরের দক্ষিণ সাতপাই এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রফিকুল ইসলাম (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর চার ঘণ্টা পর হার্ট অ্যাটাকে তার স্ত্রী রীনা পারভীনের মৃত্যু হয়েছে। 

গতকাল (২৩ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার রাতে জেলা শহরের দক্ষিণ সাতপাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জানাজা শেষে কবরস্থানে তাঁদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

মারা যাওয়া রফিকুল ইসলাম রফিকুল জেলা শহরের দক্ষিণ সাতপাই এলাকার মৃত নূরুল হক মাষ্টারের ছেলে। তিনি খালিয়াজুরি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের অফিস সহায়ক ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী রিনা বেগম গৃহিণী ছিলেন। এই দম্পতি জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সানি এবং মেয়ে ফাতেমা তুজ জহুরা জেনীর মা-বাবা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রফিকুল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বামীর মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে হার্ট অ্যাটাকে করেন স্ত্রী রীনা পারভীন। পরে তাকে প্রথমে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) প্রেরণ করেন। গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রীনা পারভীন মারা যান।

রফিকুল ইসলামের প্রতিবেশী রুবেল তালুকদার বলেন, গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতাল থেকে রফিকুল ইসলামের মরদেহ বাসায় নিয়ে এলে তাঁর স্ত্রী রিনা বেগম মৃত স্বামীর খাটিয়া ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন ও চিৎকার করে বলেন, 'তুমি লাশের খাটিয়ায় শুইয়া আছো কেন? আমারে রাইখ্যা তুমি কই যাও?' এসব কথা বলেই তাৎক্ষণিক মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর তিনিও মারা যান।

রফিকুলের ছোট ভাই পান্না ইসলাম বলেন, 'ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে ভাবিও স্ট্রোক করে মারা যান। ভাই ও ভাবি পরস্পরকে খুবই ভালোবাসতেন। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে।'

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রফিকুল ইসলামের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর স্ত্রী মারা যাওয়ার বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। রফিকুলের মৃত্যু নিয়ে কোনো অভিযোগ না থাকায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা :

২৫ জানুয়ারি, ২০২৫,  2:42 AM

news image

নেত্রকোনা পৌর শহরের দক্ষিণ সাতপাই এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রফিকুল ইসলাম (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর চার ঘণ্টা পর হার্ট অ্যাটাকে তার স্ত্রী রীনা পারভীনের মৃত্যু হয়েছে। 

গতকাল (২৩ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার রাতে জেলা শহরের দক্ষিণ সাতপাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জানাজা শেষে কবরস্থানে তাঁদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

মারা যাওয়া রফিকুল ইসলাম রফিকুল জেলা শহরের দক্ষিণ সাতপাই এলাকার মৃত নূরুল হক মাষ্টারের ছেলে। তিনি খালিয়াজুরি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের অফিস সহায়ক ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী রিনা বেগম গৃহিণী ছিলেন। এই দম্পতি জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সানি এবং মেয়ে ফাতেমা তুজ জহুরা জেনীর মা-বাবা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রফিকুল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বামীর মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে হার্ট অ্যাটাকে করেন স্ত্রী রীনা পারভীন। পরে তাকে প্রথমে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) প্রেরণ করেন। গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রীনা পারভীন মারা যান।

রফিকুল ইসলামের প্রতিবেশী রুবেল তালুকদার বলেন, গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতাল থেকে রফিকুল ইসলামের মরদেহ বাসায় নিয়ে এলে তাঁর স্ত্রী রিনা বেগম মৃত স্বামীর খাটিয়া ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন ও চিৎকার করে বলেন, 'তুমি লাশের খাটিয়ায় শুইয়া আছো কেন? আমারে রাইখ্যা তুমি কই যাও?' এসব কথা বলেই তাৎক্ষণিক মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর তিনিও মারা যান।

রফিকুলের ছোট ভাই পান্না ইসলাম বলেন, 'ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে ভাবিও স্ট্রোক করে মারা যান। ভাই ও ভাবি পরস্পরকে খুবই ভালোবাসতেন। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে।'

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রফিকুল ইসলামের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর স্ত্রী মারা যাওয়ার বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। রফিকুলের মৃত্যু নিয়ে কোনো অভিযোগ না থাকায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।