ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
ফরিদপুরে তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেফতার শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি সহ ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপি বরাবর অভিযোগ ।  গাজীপুরে অধ্যাপক এম এ মান্নান এর ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী পালিত আবারো পেছালো চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর আপিলঃ চুড়ান্ত শুনানি ৫মে নির্ধারণ নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ ! বড়লেখায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত সদস্য নিহত বেলকুচি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ফরিদপুরে মা-মেয়েসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি আকাশ গ্রেপ্তার গাজীপুরে টঙ্গীতে হাজী বস্তিতে অভিযান, মাদক সেবনরত ৩০ জন আটক কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

গাজীপুরে মোবাইলের দোকানে হামলা করে ভাংচুর ও নগদ টাকা লুটপাট করে সন্ত্রাসীরা 

#
news image

গাজীপুরের গাছা এলাকায় মোবাইলের দোকানে হামলা করে ভাংচুর ও নগদ টাকা লুটপাট করে নিয়ে গেছেন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আলমাস ও তার ছেলে ইয়াসিন এবং সাত্তারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসীরা। হামলায় দোকানের মালিক ফয়সালসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়ে টঙ্গী  সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। হামলায় দোকানে থাকা মামুন নামে এক কাস্টমারের বাম হাত ভেঙ্গে যায়। 
 
জানা যায়, গত ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গাছা থানার ৩৭ নং ওয়ার্ড কুনিয়া বড়বাড়ী চৌধুরী মার্কেট জামে মসজিদের নিচ তলা  মোবাইল জোন নামক দোকানে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। 
 
এ বিষয়ে আহত দোকানের মালিক ফয়সাল  জানান, সন্ত্রাসীরা আতিক ও তার বাবা বাদলকে ধাওয়া করলে সে আমার দোকানের ভিতরে ঢুকে পড়েন। আমার দোকানের ভিতরে বিশৃঙ্খলা না করার নিষেধ করলে আমাকে সহ মারধর করে দোকান ভাংচুর করে বিভিন্ন ব্যান্ডের নতুন ২১ টি মোবাইল (যাহার মূল্য ৫ লক্ষ টাকা) ও ক্যাশে থাকা নগদ এক লক্ষ সাতানব্বই হাজার টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এবং কি থানা পুলিশ করলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। ঘটনাটি ঘটিয়েছেন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আলমাস ও তার ছেলে ইয়াসিন ওরফে চাপাতি ইয়াসিন, সাত্তার সহ একদল সন্ত্রাসী।
 
এ ঘটনায় অভিযোগ কারী বাদল মিয়া জানান, সন্ত্রাসীরা পূর্বে এলাকার ঈদগাহ (ক্রিকেট) মাঠে বিভিন্ন অপকর্ম করার উদ্দেশ্যে দখল করিতে যায়। এতে আমার ছেলে আতিক তাদের বাধা দেয়। বাধা দেওয়া কেন্দ্র করে তারা  আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু গত ১০ জানুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায়  মসজিদ মার্কেট এলাকায় ফয়সালের মোবাইলের দোকানে সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে রামদা, চাপাতি, হকিস্টিক, চায়নিজ কুরাল ও লোহার রড দিয়ে অতর্কিত হামলা করলে তাদের ভয়ে দৌড়দিয়ে ফয়সালের মোবাইলের দোকানে আশ্রয় নিলে দোকানের গ্লাস ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে মাছধর ও ভাংচুর করে  ফয়সালের দোকানে থাকা মোবাইল এবং নগদ টাকা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
 
তিনি আরো বলেন, হামলাকারীরা এর আগেও এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। এবং তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মাদক ব্যবসা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার লাভে তারা এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। 
 
হামলার ঘটনায় কথা হয় আলমাসের সাথে তিনি জানান, আতিক ও তার বাবা বাদল সরকার আমাকে পিছন থেকে হামলা করেন। পরে আমি গিয়ে ফয়সালের দোকানে বসে থাকতে দেখে মারতে গেলে লোকজন আটকায়। এবং মোবাইলের দোকানের গ্লাস ভেঙে যায়। 
এ বিষয়ে গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ আলী মুহাম্মদ রাশেদ বলেন, দু'পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গাজীপুর প্রতিনিধিঃ

১৫ জানুয়ারি, ২০২৫,  1:16 PM

news image

গাজীপুরের গাছা এলাকায় মোবাইলের দোকানে হামলা করে ভাংচুর ও নগদ টাকা লুটপাট করে নিয়ে গেছেন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আলমাস ও তার ছেলে ইয়াসিন এবং সাত্তারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসীরা। হামলায় দোকানের মালিক ফয়সালসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়ে টঙ্গী  সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। হামলায় দোকানে থাকা মামুন নামে এক কাস্টমারের বাম হাত ভেঙ্গে যায়। 
 
জানা যায়, গত ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গাছা থানার ৩৭ নং ওয়ার্ড কুনিয়া বড়বাড়ী চৌধুরী মার্কেট জামে মসজিদের নিচ তলা  মোবাইল জোন নামক দোকানে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। 
 
এ বিষয়ে আহত দোকানের মালিক ফয়সাল  জানান, সন্ত্রাসীরা আতিক ও তার বাবা বাদলকে ধাওয়া করলে সে আমার দোকানের ভিতরে ঢুকে পড়েন। আমার দোকানের ভিতরে বিশৃঙ্খলা না করার নিষেধ করলে আমাকে সহ মারধর করে দোকান ভাংচুর করে বিভিন্ন ব্যান্ডের নতুন ২১ টি মোবাইল (যাহার মূল্য ৫ লক্ষ টাকা) ও ক্যাশে থাকা নগদ এক লক্ষ সাতানব্বই হাজার টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এবং কি থানা পুলিশ করলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। ঘটনাটি ঘটিয়েছেন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আলমাস ও তার ছেলে ইয়াসিন ওরফে চাপাতি ইয়াসিন, সাত্তার সহ একদল সন্ত্রাসী।
 
এ ঘটনায় অভিযোগ কারী বাদল মিয়া জানান, সন্ত্রাসীরা পূর্বে এলাকার ঈদগাহ (ক্রিকেট) মাঠে বিভিন্ন অপকর্ম করার উদ্দেশ্যে দখল করিতে যায়। এতে আমার ছেলে আতিক তাদের বাধা দেয়। বাধা দেওয়া কেন্দ্র করে তারা  আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু গত ১০ জানুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায়  মসজিদ মার্কেট এলাকায় ফয়সালের মোবাইলের দোকানে সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে রামদা, চাপাতি, হকিস্টিক, চায়নিজ কুরাল ও লোহার রড দিয়ে অতর্কিত হামলা করলে তাদের ভয়ে দৌড়দিয়ে ফয়সালের মোবাইলের দোকানে আশ্রয় নিলে দোকানের গ্লাস ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে মাছধর ও ভাংচুর করে  ফয়সালের দোকানে থাকা মোবাইল এবং নগদ টাকা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
 
তিনি আরো বলেন, হামলাকারীরা এর আগেও এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। এবং তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মাদক ব্যবসা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার লাভে তারা এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। 
 
হামলার ঘটনায় কথা হয় আলমাসের সাথে তিনি জানান, আতিক ও তার বাবা বাদল সরকার আমাকে পিছন থেকে হামলা করেন। পরে আমি গিয়ে ফয়সালের দোকানে বসে থাকতে দেখে মারতে গেলে লোকজন আটকায়। এবং মোবাইলের দোকানের গ্লাস ভেঙে যায়। 
এ বিষয়ে গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ আলী মুহাম্মদ রাশেদ বলেন, দু'পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।