মাধবপুরে ফ্লাইওভার না করে মাটি ভরাট: তীব্র যানজট ও জনভোগান্তির আশঙ্কা
এস এম শামীম আহমেদ :
০১ জুলাই, ২০২৬, 8:02 PM
মাধবপুরে ফ্লাইওভার না করে মাটি ভরাট: তীব্র যানজট ও জনভোগান্তির আশঙ্কা
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর বাজারের কেন্দ্রস্থলে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ফ্লাইওভার নির্মাণ না করে মাটি দিয়ে ভরাট করে সাধারণ রাস্তা নির্মাণ করার উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মাধবপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ। মাটির দেয়াল তুলে রাস্তা করা হলে পুরো এলাকা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদি তীব্র যানজটে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মাধবপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র দিয়ে যাওয়া এই মহাসড়কের দুপাশে রয়েছে মাধবপুর পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড। এছাড়া ৩-৪টি ইউনিয়ন, মাধবপুর থানা, পোস্ট অফিস, ডাকবাংলো জামে মসজিদ, রেস্ট হাউজ, সাইহাম ফিউচার কমপ্লেক্সসহ অসংখ্য হাসপাতাল, শপিং মল, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক-বাণিজ্যিক ভবন এই গুরুত্বপূর্ণ রুটের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুধু মাধবপুরই নয়, পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার হাজারো মানুষও প্রতিদিন এই মহাসড়কটি ব্যবহার করে যাতায়াত করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে মাধবপুর বাজারের তীব্র যানজট নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে এখানে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত ও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে সেই নকশা বা বরাদ্দ পরিবর্তন করে এখন সেখানে মাটি ভরাট করে উঁচু সাধারণ রাস্তা করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ও সচেতন জনগণের আশঙ্কা, এভাবে দুই পাশে মাটির দেয়াল তুলে মহাসড়ক নির্মিত হলে বাজারের দুই অংশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এর ফলে—স্থানীয় ও দূরপাল্লার যানবাহনের চাপে মহাসড়কে যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। স্কুল-কলেজগামী হাজারো শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হবে। ব্যবসায়ী ও চালকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। মুমূর্ষু রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি সেবা চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মাধবপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বৃহত্তর জনস্বার্থ বিবেচনা করে অবিলম্বে মাটি ভরাটের কাজ বন্ধ করতে হবে এবং পূর্বের বরাদ্দ ও পরিকল্পনা অনুযায়ী মাধবপুর উপজেলা গেইট থেকে সোনাই নদী ব্রিজ পর্যন্ত ফ্লাইওভারটি দ্রুত নির্মাণ করতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এখানে পরিকল্পিতভাবে ফ্লাইওভার নির্মাণ হলেই কেবল এই অঞ্চলের স্থায়ী যানজট নিরসন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তি লাঘব করা সম্ভব।
এস এম শামীম আহমেদ :
০১ জুলাই, ২০২৬, 8:02 PM
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর বাজারের কেন্দ্রস্থলে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ফ্লাইওভার নির্মাণ না করে মাটি দিয়ে ভরাট করে সাধারণ রাস্তা নির্মাণ করার উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মাধবপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ। মাটির দেয়াল তুলে রাস্তা করা হলে পুরো এলাকা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদি তীব্র যানজটে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মাধবপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র দিয়ে যাওয়া এই মহাসড়কের দুপাশে রয়েছে মাধবপুর পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড। এছাড়া ৩-৪টি ইউনিয়ন, মাধবপুর থানা, পোস্ট অফিস, ডাকবাংলো জামে মসজিদ, রেস্ট হাউজ, সাইহাম ফিউচার কমপ্লেক্সসহ অসংখ্য হাসপাতাল, শপিং মল, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক-বাণিজ্যিক ভবন এই গুরুত্বপূর্ণ রুটের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুধু মাধবপুরই নয়, পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার হাজারো মানুষও প্রতিদিন এই মহাসড়কটি ব্যবহার করে যাতায়াত করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে মাধবপুর বাজারের তীব্র যানজট নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে এখানে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত ও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে সেই নকশা বা বরাদ্দ পরিবর্তন করে এখন সেখানে মাটি ভরাট করে উঁচু সাধারণ রাস্তা করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ও সচেতন জনগণের আশঙ্কা, এভাবে দুই পাশে মাটির দেয়াল তুলে মহাসড়ক নির্মিত হলে বাজারের দুই অংশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এর ফলে—স্থানীয় ও দূরপাল্লার যানবাহনের চাপে মহাসড়কে যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। স্কুল-কলেজগামী হাজারো শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হবে। ব্যবসায়ী ও চালকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। মুমূর্ষু রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি সেবা চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মাধবপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বৃহত্তর জনস্বার্থ বিবেচনা করে অবিলম্বে মাটি ভরাটের কাজ বন্ধ করতে হবে এবং পূর্বের বরাদ্দ ও পরিকল্পনা অনুযায়ী মাধবপুর উপজেলা গেইট থেকে সোনাই নদী ব্রিজ পর্যন্ত ফ্লাইওভারটি দ্রুত নির্মাণ করতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এখানে পরিকল্পিতভাবে ফ্লাইওভার নির্মাণ হলেই কেবল এই অঞ্চলের স্থায়ী যানজট নিরসন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তি লাঘব করা সম্ভব।