ঢাকা ০৯ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
চাখার-মীরেরহাট সড়ক সংস্কারে চরম ধীরগতি: দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী ইসরাইলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ শিল্পকলায় উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সিলেট অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা প্রশাসক  হবিগঞ্জ নওগাঁয় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বঞ্চিত, তালিকায় স্বজনপ্রীতির, শাল্লায় কৃষকদের প্রতিবাদ মিছিল  নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারে  মাটির উর্বরতা ফিরাতে ধইঞ্চা চাষ ফটিকছড়িতে বিষপানে যুবকের আত্নহত্যা

নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি: সিলেটে আনন্দ উৎসব

#
news image

কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ হওয়ায় সিলেটে ‘নজরুল আনন্দ উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠান থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় নজরুল একাডেমির হলরুমে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

একাডেমির সভাপতি সৈয়দ মিসবাহ্ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নজরুল একাডেমির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মিন্টু রহমান।

তিনি বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সর্বস্তরের বাঙালির জাতীয় কবি। ১৯২৯ সালের ১০ ডিসেম্বর অবিভক্ত ভারতের কলকাতার এ্যালবার্ট হলে সমগ্র বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা দেন নেতাজী সুবাস চন্দ্র বসু। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গেজেটের মাধ্যমে সেই ঘোষণাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।’

এ জন্য তিনি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, সংগীত শিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস। 

স্বাগত বক্তব্য রাখেন নজরুল একাডেমি সিলেটের আজীবন সদস্য শামসুল বাছিত শেরু, দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, নিজাম উদ্দিন তরফদার ও দেওয়ান তৌফিক মজিদ লায়েক।

নজরুলের কবিতা আবৃত্তি করেন শিক্ষক ও কবি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

সিলেট প্রতিনিধি :

০৭ জানুয়ারি, ২০২৫,  2:20 AM

news image

কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ হওয়ায় সিলেটে ‘নজরুল আনন্দ উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠান থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় নজরুল একাডেমির হলরুমে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

একাডেমির সভাপতি সৈয়দ মিসবাহ্ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নজরুল একাডেমির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মিন্টু রহমান।

তিনি বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সর্বস্তরের বাঙালির জাতীয় কবি। ১৯২৯ সালের ১০ ডিসেম্বর অবিভক্ত ভারতের কলকাতার এ্যালবার্ট হলে সমগ্র বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা দেন নেতাজী সুবাস চন্দ্র বসু। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গেজেটের মাধ্যমে সেই ঘোষণাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।’

এ জন্য তিনি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, সংগীত শিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস। 

স্বাগত বক্তব্য রাখেন নজরুল একাডেমি সিলেটের আজীবন সদস্য শামসুল বাছিত শেরু, দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, নিজাম উদ্দিন তরফদার ও দেওয়ান তৌফিক মজিদ লায়েক।

নজরুলের কবিতা আবৃত্তি করেন শিক্ষক ও কবি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।