প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
৩০ এপ্রিল, ২০২৬, 7:34 PM
প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।
গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত ইআরসিপিএইচ (ERCPH) পরিদর্শন করেছেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব ডক্টর মোহাম্মদ আবু ইউসুফ পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শাহ মোহাম্মদ মাহবুব। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া, মৈত্রী শিল্পের নির্বাহী পরিচালক (উপসচিব) মো. বরকাতুর রহমান এবং ইআরসিপিএইচ-এর উপপরিচালক মো. ফখরুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ২২ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১৯ জনকে উন্নতমানের কৃত্রিম পা প্রদান করা হয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ৬ জনকে স্মার্ট হোয়াইট ক্যান (সাদা ছড়ি) এবং ২ জনকে ব্রেইল বই দেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়—বরং অবহেলা, বৈষম্য ও সুযোগের অভাবই তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা। আমরা যদি তাদের পাশে দাঁড়াই, সঠিক সুযোগ দেই, তাহলে তারাও দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। তিনি আরও বলেন, দেশে এখনও অনেক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি কর্মসংস্থান, শিক্ষা, চলাচল ও প্রযুক্তি ব্যবহারে নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের জন্য সরকার কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
সচিব ‘মুক্তা পানি’র প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, এটি নিরাপদ ও উন্নতমানের পানি, যা ইতোমধ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যান্য পানির তুলনায় এর মান ভালো হওয়ায় এর ব্যবহার আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে জেলা প্রশাসন সবসময় পাশে রয়েছে। তাদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, প্রতিবন্ধীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে ল্যাপটপ ও কম্পিউটার সরবরাহের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মূলধারার অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সহায়তা ও সুযোগ পেলে তারাও স্বাবলম্বী হয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম।
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
৩০ এপ্রিল, ২০২৬, 7:34 PM
গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত ইআরসিপিএইচ (ERCPH) পরিদর্শন করেছেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব ডক্টর মোহাম্মদ আবু ইউসুফ পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শাহ মোহাম্মদ মাহবুব। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া, মৈত্রী শিল্পের নির্বাহী পরিচালক (উপসচিব) মো. বরকাতুর রহমান এবং ইআরসিপিএইচ-এর উপপরিচালক মো. ফখরুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ২২ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১৯ জনকে উন্নতমানের কৃত্রিম পা প্রদান করা হয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ৬ জনকে স্মার্ট হোয়াইট ক্যান (সাদা ছড়ি) এবং ২ জনকে ব্রেইল বই দেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়—বরং অবহেলা, বৈষম্য ও সুযোগের অভাবই তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা। আমরা যদি তাদের পাশে দাঁড়াই, সঠিক সুযোগ দেই, তাহলে তারাও দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। তিনি আরও বলেন, দেশে এখনও অনেক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি কর্মসংস্থান, শিক্ষা, চলাচল ও প্রযুক্তি ব্যবহারে নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের জন্য সরকার কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
সচিব ‘মুক্তা পানি’র প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, এটি নিরাপদ ও উন্নতমানের পানি, যা ইতোমধ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যান্য পানির তুলনায় এর মান ভালো হওয়ায় এর ব্যবহার আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে জেলা প্রশাসন সবসময় পাশে রয়েছে। তাদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, প্রতিবন্ধীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে ল্যাপটপ ও কম্পিউটার সরবরাহের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মূলধারার অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সহায়তা ও সুযোগ পেলে তারাও স্বাবলম্বী হয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম।