ঢাকা ২২ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

আগামী ১৬-২৫ মার্চ বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে : নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

#
news image

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে নৌপথে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবং নৌ-দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আগামী ১৬ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে দিনে ও রাতে বালুবাহী বাল্কহেড ও ডিঙি নৌকা চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

এ ছাড়া, রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং দিনের বেলায় স্পিডবোটে যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরিধান করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতিত্বকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী বলেন, ‘ঈদকে কেন্দ্র করে নৌপথে যাত্রীচাপ বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এ সময়ে যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই ১৬ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাল্কহেড ও ডিঙি নৌকা চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচলও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যাত্রী পরিবহন নির্বিঘ্ন রাখতে ১৭ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘কোনো অবস্থাতেই অনুমোদিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা আদায় করা যাবে না। লঞ্চের ছাদে যাত্রী বহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কোনো নৌযান মালিক বা চালক এই নিয়ম লঙ্ঘন করেন, তবে সংশ্লিষ্ট নৌযানের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ 

এ লক্ষ্যে ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটগুলোতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।

নিরাপত্তা জোরদারে ১৫ রমজান থেকে ঈদের পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত প্রতিটি লঞ্চে ন্যূনতম চারজন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে প্রতিটি ঘাট এলাকায় ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রীদের যাতায়াত সুবিধা বাড়াতে বিআরটিসির পর্যাপ্ত ফিডার বাস সার্ভিস চালু থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীদের জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ অথবা বিআইডব্লিউটিএ’র হটলাইন ‘১৬১১৩’ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

সভায় নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান, নৌপরিবহন সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  8:53 PM

news image

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে নৌপথে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবং নৌ-দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আগামী ১৬ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে দিনে ও রাতে বালুবাহী বাল্কহেড ও ডিঙি নৌকা চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

এ ছাড়া, রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং দিনের বেলায় স্পিডবোটে যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরিধান করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতিত্বকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী বলেন, ‘ঈদকে কেন্দ্র করে নৌপথে যাত্রীচাপ বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এ সময়ে যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই ১৬ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাল্কহেড ও ডিঙি নৌকা চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচলও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যাত্রী পরিবহন নির্বিঘ্ন রাখতে ১৭ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘কোনো অবস্থাতেই অনুমোদিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা আদায় করা যাবে না। লঞ্চের ছাদে যাত্রী বহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কোনো নৌযান মালিক বা চালক এই নিয়ম লঙ্ঘন করেন, তবে সংশ্লিষ্ট নৌযানের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ 

এ লক্ষ্যে ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটগুলোতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।

নিরাপত্তা জোরদারে ১৫ রমজান থেকে ঈদের পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত প্রতিটি লঞ্চে ন্যূনতম চারজন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে প্রতিটি ঘাট এলাকায় ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রীদের যাতায়াত সুবিধা বাড়াতে বিআরটিসির পর্যাপ্ত ফিডার বাস সার্ভিস চালু থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীদের জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ অথবা বিআইডব্লিউটিএ’র হটলাইন ‘১৬১১৩’ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

সভায় নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান, নৌপরিবহন সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।