ধর্ষিতাকে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরও নিরব পুলিশ, ধর্ষক এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 6:53 PM
ধর্ষিতাকে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরও নিরব পুলিশ, ধর্ষক এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে
নেত্রকোনার বারহাট্টায় ধর্ষণের শিকার ১৪ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাচ্চা প্রসব। এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও টনক নড়েনি বারহাট্টা পুলিশ প্রশাসনের। কোন এক অদৃশ্য কারণে নিশ্চুপ পুলিশ, আটক করেনি ধর্ষণ মামলার মূল অভিযুক্ত কিবরিয়াকে। সুবিচারের দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
ভুক্তভোগী উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের চন্দ্রপুর লাম্বাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গত ৩ সেপ্টেম্বর তার পরিবার বারহাট্টা থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অভিযোগের পর ৬ মাস পার হয়ে গেলেও ধর্ষণের ঘটনার মূল অভিযুক্ত কিবরিয়া (২৪) কে এখনও আটক করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে ধর্ষক গ্রেফতার না হওয়ায় গত ডিসেম্বর মাসে ধর্ষিতা প্রতিবন্ধী মেয়ে ও নবজাতক শিশুটিকে নিয়ে বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হয় অসহায় গরীব পরিবারটি। পরে এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। অথচ গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে তোয়াক্কা না করে এখনও আসামী ধরা নিয়ে নিবর ভূমিকা পালন করছে পুলিশ।
এ বিষয়ে খোঁজ নিতে বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা সরেজমিনে ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সাথে কথা বললে তারা জানান, মামলা করার পর ৬ মাস চলছে তবুও এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তকে কিবরিয়াকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। গতকাল রাতে মুঠোফোনে মূল অভিযুক্ত ধর্ষক কিবরিয়াকে আটকের বিষয়ে মামলাটির দায়িত্বে থাকা এস.আই মোঃ আরিফুল ইসলামের সাথে বললে, তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে ধর্ষককের সন্ধান দিতে বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে যোগাযোগ করতে গেলেও তাদের ফোন আর রিসিভ করেননি তিনি।
তারা বলেন, আমরা গরীব মানুষ ধর্ষক কোথায় আছে? এই তথ্য পুলিশকে আমরা কিভাবে দিব। টানাটানির সংসারে অযত্নে নবজাতক শিশুটির জীবন এখন সংকটাপন্ন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে কিবরিয়া (২৪) ধর্ষণ করে সর্বনাশ করেছে। মামলা করলেও কোন এক অদৃশ্য কারণে এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। গত তিন মাস আগে আমার মেয়ে একটি ছেলে সন্তান প্রসব করেছে। আমি এখন আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে ও তার দুধের শিশুটিকে নিয়ে কোথায় যাবো? অল্প বয়স হওয়ায় বাচ্চাটিকে তার বুকের দুধ খাওয়ানো সম্ভব না। আমার তো টাকাও নাই তাই নবজাতক শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখা জন্য বজার থেকে দুধ কিনে খাওয়ানোর মতো সামর্থও আমার পরিবারের নেই। আমার মেয়ের এমন সর্বনাশকরারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, কিবরিয়ার পরিবার প্রভাবশালী। আমি একজন দিনমজুর। ওদের সাথে আমি হয়তো পারব না। তবুও আমি আমার সহজ-সরল প্রতিবন্ধী মেয়ের উপরে হওয়া অন্যায়ের ন্যায় বিচার চাই।
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 6:53 PM
নেত্রকোনার বারহাট্টায় ধর্ষণের শিকার ১৪ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাচ্চা প্রসব। এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও টনক নড়েনি বারহাট্টা পুলিশ প্রশাসনের। কোন এক অদৃশ্য কারণে নিশ্চুপ পুলিশ, আটক করেনি ধর্ষণ মামলার মূল অভিযুক্ত কিবরিয়াকে। সুবিচারের দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
ভুক্তভোগী উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের চন্দ্রপুর লাম্বাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গত ৩ সেপ্টেম্বর তার পরিবার বারহাট্টা থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অভিযোগের পর ৬ মাস পার হয়ে গেলেও ধর্ষণের ঘটনার মূল অভিযুক্ত কিবরিয়া (২৪) কে এখনও আটক করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে ধর্ষক গ্রেফতার না হওয়ায় গত ডিসেম্বর মাসে ধর্ষিতা প্রতিবন্ধী মেয়ে ও নবজাতক শিশুটিকে নিয়ে বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হয় অসহায় গরীব পরিবারটি। পরে এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। অথচ গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে তোয়াক্কা না করে এখনও আসামী ধরা নিয়ে নিবর ভূমিকা পালন করছে পুলিশ।
এ বিষয়ে খোঁজ নিতে বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা সরেজমিনে ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সাথে কথা বললে তারা জানান, মামলা করার পর ৬ মাস চলছে তবুও এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তকে কিবরিয়াকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। গতকাল রাতে মুঠোফোনে মূল অভিযুক্ত ধর্ষক কিবরিয়াকে আটকের বিষয়ে মামলাটির দায়িত্বে থাকা এস.আই মোঃ আরিফুল ইসলামের সাথে বললে, তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে ধর্ষককের সন্ধান দিতে বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে যোগাযোগ করতে গেলেও তাদের ফোন আর রিসিভ করেননি তিনি।
তারা বলেন, আমরা গরীব মানুষ ধর্ষক কোথায় আছে? এই তথ্য পুলিশকে আমরা কিভাবে দিব। টানাটানির সংসারে অযত্নে নবজাতক শিশুটির জীবন এখন সংকটাপন্ন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে কিবরিয়া (২৪) ধর্ষণ করে সর্বনাশ করেছে। মামলা করলেও কোন এক অদৃশ্য কারণে এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। গত তিন মাস আগে আমার মেয়ে একটি ছেলে সন্তান প্রসব করেছে। আমি এখন আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে ও তার দুধের শিশুটিকে নিয়ে কোথায় যাবো? অল্প বয়স হওয়ায় বাচ্চাটিকে তার বুকের দুধ খাওয়ানো সম্ভব না। আমার তো টাকাও নাই তাই নবজাতক শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখা জন্য বজার থেকে দুধ কিনে খাওয়ানোর মতো সামর্থও আমার পরিবারের নেই। আমার মেয়ের এমন সর্বনাশকরারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, কিবরিয়ার পরিবার প্রভাবশালী। আমি একজন দিনমজুর। ওদের সাথে আমি হয়তো পারব না। তবুও আমি আমার সহজ-সরল প্রতিবন্ধী মেয়ের উপরে হওয়া অন্যায়ের ন্যায় বিচার চাই।