বড়লেখা-জুড়ি আসনে ইতিহাস গড়তে পারেন মুফতি বেলাল আহমদ
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 6:54 PM
বড়লেখা-জুড়ি আসনে ইতিহাস গড়তে পারেন মুফতি বেলাল আহমদ
দেশের সর্ববৃহৎ হাকালুকি হাওর, বিস্তীর্ণ চা বাগান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা মৌলভীবাজার-১ (জুড়ী-বড়লেখা) সংসদীয় আসনটি রাজনৈতিকভাবে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ সময় এ আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও দুই দফা বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় অর্জন করে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী মাঠে না থাকায় ভোটের সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ফলে আওয়ামী লীগপন্থী ভোটারদের সমর্থন পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা।
এমন প্রেক্ষাপটে মৌলভীবাজার-১(বড়লেখা- জুড়ি) আসনে নতুন ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে আনজুমানে আল ইসলাহ সমর্থিত স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি বেলাল আহমদের জন্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেষ মুহূর্তের ভোটের মাঠে তিনি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে অনেকটা সক্ষম হয়েছেন।
জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলা নিয়ে গঠিত এ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৩৮ হাজার। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করতে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৫ জন প্রার্থী।
স্থানীয় সচেতন ও নিরপেক্ষ ভোটারদের মতে, এ আসনে এবার ত্রিমুখী হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। দলীয় প্রতীক থাকায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদ শেষ সময়ে এসে তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছেন।
মৌলভীবাজার-১ আসনের দুই উপজেলায় আল্লামা ফুলতলী (রহ.)-এর বিপুল সংখ্যক অনুসারী রয়েছেন, যারা আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনে সক্রিয়। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক খেদমত ও ছাত্র সংগঠন তালামিয এবং আল ইসলাহর একটি শক্ত ভোটব্যাংকও রয়েছে। এসব ভোটের একটি বড় অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদের দিকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে বড় ধরনের কোনো অভিযোগ বা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা যায়নি। সবকিছু মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে শেষ পর্যন্ত যিনি বিজয়ী হবেন, তিনিই আগামী পাঁচ বছরের জন্য মৌলভীবাজার-১ আসনের জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 6:54 PM
দেশের সর্ববৃহৎ হাকালুকি হাওর, বিস্তীর্ণ চা বাগান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা মৌলভীবাজার-১ (জুড়ী-বড়লেখা) সংসদীয় আসনটি রাজনৈতিকভাবে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ সময় এ আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও দুই দফা বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় অর্জন করে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী মাঠে না থাকায় ভোটের সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ফলে আওয়ামী লীগপন্থী ভোটারদের সমর্থন পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা।
এমন প্রেক্ষাপটে মৌলভীবাজার-১(বড়লেখা- জুড়ি) আসনে নতুন ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে আনজুমানে আল ইসলাহ সমর্থিত স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি বেলাল আহমদের জন্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেষ মুহূর্তের ভোটের মাঠে তিনি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে অনেকটা সক্ষম হয়েছেন।
জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলা নিয়ে গঠিত এ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৩৮ হাজার। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করতে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৫ জন প্রার্থী।
স্থানীয় সচেতন ও নিরপেক্ষ ভোটারদের মতে, এ আসনে এবার ত্রিমুখী হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। দলীয় প্রতীক থাকায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদ শেষ সময়ে এসে তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছেন।
মৌলভীবাজার-১ আসনের দুই উপজেলায় আল্লামা ফুলতলী (রহ.)-এর বিপুল সংখ্যক অনুসারী রয়েছেন, যারা আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনে সক্রিয়। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক খেদমত ও ছাত্র সংগঠন তালামিয এবং আল ইসলাহর একটি শক্ত ভোটব্যাংকও রয়েছে। এসব ভোটের একটি বড় অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদের দিকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে বড় ধরনের কোনো অভিযোগ বা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা যায়নি। সবকিছু মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে শেষ পর্যন্ত যিনি বিজয়ী হবেন, তিনিই আগামী পাঁচ বছরের জন্য মৌলভীবাজার-১ আসনের জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন